Advertisement
E-Paper

‘ইউজ়ারনেম’ ফিচার বিতর্কে নোটিসের জবাব দিল হোয়াট্‌সঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম! উভয়েরই বক্তব্য খতিয়ে দেখছে কেন্দ্র

হোয়াট্‌সঅ্যাপের ‘ইউজ়ারনেম’ ফিচার চালু হলে অনলাইন অপরাধ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কেন্দ্র। তা নিয়ে নোটিস পাঠানো হয় সংস্থাকে। অন্য দুই মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রাম এবং সিগন্যালকেও নোটিস পাঠায় কেন্দ্র।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬ ২১:০৭

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

‘ইউজ়ারনেম’ ফিচার বিতর্কে নোটিস পাঠিয়েছিল কেন্দ্র। এ বার সেই নোটিসের প্রেক্ষিতে নিজেদের জবাব জমা দিল হোয়াট্‌সঅ্যাপ এবং টেলিগ্রাম। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে। আপাতত উভয়েই বক্তব্য খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় সরকার।

মেটার তরফে সম্প্রতি হোয়াট্‌সঅ্যাপের ‘ইউজ়ারনেম’ ফিচার চালুর কথা ঘোষণা করা হয়। বলা হয়, ফোন নম্বর শেয়ার না করেই যোগাযোগ করার সুযোগ মিলবে নতুন ব্যবস্থায়। হোয়াট্‌সঅ্যাপ এই নতুন ফিচারের ঘোষণা করতেই বিতর্ক দানা বাঁধে। এই ফিচারের সুবিধা নিয়ে প্রতারণা বা অন্য কোনও অপরাধ ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন অনেকে। এই উদ্বেগের মাঝে পদক্ষেপ করে কেন্দ্রও।

বিতর্কের মাঝে হোয়াট্‌সঅ্যাপের পরিচালক সংস্থা মেটা-কে নোটিস পাঠায় কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। হোয়াটস্অ্যাপের মতো একই ফিচার রয়েছে টেলিগ্রামেও। তাদেরও নোটিস পাঠায় কেন্দ্র। কেন টেলিগ্রাম-কে ‘ইউজ়ারনেম’ ফিচারটি বজায় রাখার অনুমতি দেওয়া হবে, তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয় সংস্থার কাছ থেকে। নোটিস পাঠানো হয় অপর এক মেসেজিং অ্যাপ সিগন্যাল-কেও। ভারতে হোয়াট্‌সঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৫০ কোটি। টেলিগ্রাম বা সিগন্যাল ব্যবহারকারী সেই তুলনায় অনেক কম।

আধিকারিক সূত্রে পিটিআই জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই হোয়াট্‌সঅ্যাপ কর্তৃপক্ষের জবাব জমা পড়েছে কেন্দ্রের কাছে। পরে টেলিগ্রামের জবাবও জমা পড়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। বর্তমানে দুই সংস্থারই জবাব খতিয়ে দেখছে কেন্দ্র। তবে সিগন্যালের থেকে কোনও জবাব কেন্দ্রের কাছে জমা পড়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। হোয়াট্‌সঅ্যাপ বা টেলিগ্রাম তাদের জবাবে কেন্দ্রকে কী জানিয়েছে, তা প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত জানা যায়নি। এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি দুই সংস্থাও।

গত বুধবার হোয়াট্‌সঅ্যাপকে নোটিস পাঠিয়েছিল তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। তাতে ওই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের ‘ইউজ়ারনেম’ ফিচার নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করা হয়। এই ফিচারের ফলে অনলাইন জালিয়াতি, ফিশিং, ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ বা অন্য কোনও উপায়ে ভয় দেখিয়ে প্রতারণার ঘটনা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কেন্দ্র। এই ফিচারটি আপাতত চালু না করার জন্যও বলেছিল কেন্দ্র। হোয়াট্‌সঅ্যাপ কর্তৃপক্ষও কেন্দ্রকে আশ্বস্ত করেন যে আলোচনা শেষ না-হওয়া পর্যন্ত ভারতে এই ফিচারটি চালু হবে না।

WhatsApp telegram Information and Technolgy

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy