Advertisement
E-Paper

বালি সরবরাহের কাজ করতেন! জামুই শ্লীলতাহানি কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত নন্দন যাদব সম্পর্কে আর কী তথ্য পেল পুলিশ

পুলিশ জানিয়েছে, জামুইয়ের ঘটনায় যে ছ’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে তিন জনের বয়স ৩৫-৪০ বছরের মধ্যে। তিন জন নাবালক।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:১৪
জামুইয়ের ঘটনায় ‘মূল’ অভিযুক্ত নন্দন যাদব। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

জামুইয়ের ঘটনায় ‘মূল’ অভিযুক্ত নন্দন যাদব। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

বিহারের জামুইয়ে শ্লীলতাহানির ঘটনায় মঙ্গলবার ভোরে মূল অভিযুক্ত নন্দন যাদব এবং তাঁর সঙ্গী হরেরামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নন্দন এবং হরেরামের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। মঙ্গলবার তাদের কাছে খবর আসে, মারওয়া পাহাড়ের আশপাশেই লুকিয়ে রয়েছেন তাঁরা। সেই খবর পেয়েই সেখানে তল্লাশি অভিযানে যায় পুলিশ। সেখানে গুলির লড়াইয়ে আহত হন নন্দন। পায়ে চোট লাগে তাঁর সঙ্গী হরেরামের। দু’জনকেই গ্রেফতার করে পুলিশ।

তদন্তকারী সূত্রের খবর, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ছ’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যে ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে, সেই ভিডিয়োয় নন্দনকে ওই কিশোর-কিশোরীকে মারধর এবং শ্লীলতাহানি করতে দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, যে ছ’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে তিন জনের বয়স ৩৫-৪০ বছরের মধ্যে। তিন জন নাবালক। প্রথমে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের সূত্র ধরে আরও এক জনকে ধরা হয়। কিন্তু পলাতক ছিলেন নন্দন এবং হরেরাম।

পুলিশ জানিয়েছে, নন্দন এবং হরেরাম দু’জনেই জামুই সদর থানা এলাকার প্রতাপপুর গ্রামের বাসিন্দা। দুই অভিযুক্তই ট্র্যাক্টরে বালি সরবরাহের কাজ করতেন। পুলিশ সূত্রে খবর, এক ঘণ্টা ধরে দুই ছাত্রছাত্রীর উপর নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ। তারা পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু পিছু ধাওয়া করে তাদের ধরেন অভিযুক্তেরা। সহপাঠী ছাত্রীকে বাঁচাতে গেলে ছাত্রটিকেও মারধর করা হয়। হেনস্থা এবং শ্লীলতাহানির ভিডিয়োও করা হয় বলে অভিযোগ। তার পর সেই ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রীর পরিবার পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে। তার মধ্যেই সোমবার ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই হুলস্থুল পড়ে যায়। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের বেশ কয়েকটি দল তল্লাশি শুরু করে। প্রথমে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আরও তিন জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে মূল অভিযুক্ত নন্দন রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর টিউশন সেরে দুই ছাত্রছাত্রী মারওয়া পাহাড়ে ঘুরতে গিয়েছিল। সেখান থেকে ফেরার পথে রাস্তায় ৭-৮ জন তাদের আটকায়। অভিযোগ, তার পর শ্লীলতাহানি এবং হেনস্থা করা হয়। বিহারের এই ঘটনায় দেশ জুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।

Crime

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy