Advertisement
E-Paper

শৌচালয়ে জল নয়, বালির ব্যবহার, ঠান্ডা রোখে বিশেষ জানলা! লাদাখে সোনম ওয়াংচুকের ‘আশ্চর্য’ বাড়ি

দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে লাদাখে ফিরবেন সোনম ওয়াংচুক। ফেলে রেখে এসেছেন ফ্যাং উপত্যকায় নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কী ভাবে বিজ্ঞান ও পরিবেশ সচেতনতার কথা মাথায় রেখে নিজের বাসস্থান ডিজ়াইন করা যায়, তা দেখিয়ে দিয়েছেন ওয়াংচুক। রইল তাঁর সেই বাড়ির ছবি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ জুলাই ২০২৬ ১০:০৫
শিরোনামে লাদাখের শিক্ষাবিদ ও সমাজসৈনিক সোনম ওয়াংচুক। ২০০৯ সালে দেশের আমজনতা ‘থ্রি ইডিয়টস্‌’ ছবির সুবাদে প্রথম বার তাঁর সম্পর্কে জানতে পারেন। বলা হয়েছিল, ছবির চরিত্র ফুনসুখ ওয়াংড়ু ওরফে ‘র‍্যাঞ্চো’ তাঁর জীবন থেকেই অনুপ্রাণিত। অবশ্য, সম্প্রতি আমির খান সে কথা সম্পূর্ণ খারিজ করে বিতর্ক সৃষ্টি করেন। সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে টানা ২৬ দিন তাঁকে অনশন করতে দেখল দেশ।
০১ / ১৫

শিরোনামে লাদাখের শিক্ষাবিদ ও সমাজসৈনিক সোনম ওয়াংচুক। ২০০৯ সালে দেশের আমজনতা ‘থ্রি ইডিয়টস্‌’ ছবির সুবাদে প্রথম বার তাঁর সম্পর্কে জানতে পারেন। বলা হয়েছিল, ছবির চরিত্র ফুনসুখ ওয়াংড়ু ওরফে ‘র‍্যাঞ্চো’ তাঁর জীবন থেকেই অনুপ্রাণিত। অবশ্য, সম্প্রতি আমির খান সে কথা সম্পূর্ণ খারিজ করে বিতর্ক সৃষ্টি করেন। সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে টানা ২৬ দিন তাঁকে অনশন করতে দেখল দেশ।

শিক্ষায় দুর্নীতি ও ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-এ প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে এবং তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে গত ২৮ জুন থেকে দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশন শুরু করেছিলেন ওয়াংচুক। গত ১৮ জুলাই তাঁকে জোর করে দিল্লির সফদরজঙ্গ হাসপাতালে সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে আদালতের অনুমতিতে গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে। তার পরেও অবশ্য অনশন চালিয়ে যান তিনি। অবশেষে গত বৃহস্পতিবার দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের সঙ্গে ওই হাসপাতালেই দীর্ঘ বৈঠকের পরে অনশন প্রত্যাহার করেন সোনম।
০২ / ১৫

শিক্ষায় দুর্নীতি ও ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-এ প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে এবং তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে গত ২৮ জুন থেকে দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশন শুরু করেছিলেন ওয়াংচুক। গত ১৮ জুলাই তাঁকে জোর করে দিল্লির সফদরজঙ্গ হাসপাতালে সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে আদালতের অনুমতিতে গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে। তার পরেও অবশ্য অনশন চালিয়ে যান তিনি। অবশেষে গত বৃহস্পতিবার দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের সঙ্গে ওই হাসপাতালেই দীর্ঘ বৈঠকের পরে অনশন প্রত্যাহার করেন সোনম।

এ বার তিনি লাদাখে ফিরবেন। নিজের মাটিতে ফিরবেন। যেখানে ফেলে রেখে এসেছেন ফ্যাং উপত্যকায় নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যা তিনি নিজের হাতে বানিয়েছেন। লাদাখের মাটিতে লাদাখেরই মাটি দিয়ে তৈরি হয়েছে সেই প্রতিষ্ঠান। মস্ত এলাকা জুড়ে তৈরি হয়েছে ‘দ্য হিমালয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভস্‌, লাদাখ’ বা ‘এইচআইএএল’। হিমালয়ের বিভিন্ন এলাকার পড়ুয়াদের গবেষণার জন্য তার দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য হল, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের বিভিন্ন সমস্যা, বিশেষ করে, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং পরিবেশগত সমস্যাগুলির মোকাবিলা করা।
০৩ / ১৫

এ বার তিনি লাদাখে ফিরবেন। নিজের মাটিতে ফিরবেন। যেখানে ফেলে রেখে এসেছেন ফ্যাং উপত্যকায় নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যা তিনি নিজের হাতে বানিয়েছেন। লাদাখের মাটিতে লাদাখেরই মাটি দিয়ে তৈরি হয়েছে সেই প্রতিষ্ঠান। মস্ত এলাকা জুড়ে তৈরি হয়েছে ‘দ্য হিমালয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভস্‌, লাদাখ’ বা ‘এইচআইএএল’। হিমালয়ের বিভিন্ন এলাকার পড়ুয়াদের গবেষণার জন্য তার দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য হল, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের বিভিন্ন সমস্যা, বিশেষ করে, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং পরিবেশগত সমস্যাগুলির মোকাবিলা করা।

সেখানে পর্যটকদের জন্যও বাড়ি বানানো হয়েছে। আর সেই বাড়়িই এক ইউটিউবারকে ঘুরিয়ে দেখিয়েছিলেন সোনম। কী ভাবে বিজ্ঞান ও পরিবেশসচেতনতার কথা মাথায় রেখে নিজের বাসস্থান ডিজ়াইন করা যায়, তা দেখিয়ে দিয়েছেন ওয়াংচুক। মাটি, সূর্যালোক এবং শতাব্দীপ্রাচীন নির্মাণ পরিকল্পনার সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনেই তৈরি হয়েছে ওয়াংচুকের এই অভিনব ‘ট্রাইবাল হাউস’।
০৪ / ১৫

সেখানে পর্যটকদের জন্যও বাড়ি বানানো হয়েছে। আর সেই বাড়়িই এক ইউটিউবারকে ঘুরিয়ে দেখিয়েছিলেন সোনম। কী ভাবে বিজ্ঞান ও পরিবেশসচেতনতার কথা মাথায় রেখে নিজের বাসস্থান ডিজ়াইন করা যায়, তা দেখিয়ে দিয়েছেন ওয়াংচুক। মাটি, সূর্যালোক এবং শতাব্দীপ্রাচীন নির্মাণ পরিকল্পনার সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনেই তৈরি হয়েছে ওয়াংচুকের এই অভিনব ‘ট্রাইবাল হাউস’।

প্রচণ্ড ঠান্ডা মানেই হিটার, কাঠ জ্বালানো বা বিদ্যুতের উপর নির্ভরতা— এমন ধারণাই পরিচিত। কিন্তু লাদাখের তীব্র শীতেও এমন একটি বাড়ি রয়েছে, যেখানে আলাদা করে গরম করার কোনও ব্যবস্থা লাগে না। বাড়িটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল, এতে কংক্রিটের ব্যবহার নেই বললেই চলে। স্থানীয় মাটি এবং প্রাকৃতিক উপকরণ দিয়ে তৈরি দেওয়াল ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
০৫ / ১৫

প্রচণ্ড ঠান্ডা মানেই হিটার, কাঠ জ্বালানো বা বিদ্যুতের উপর নির্ভরতা— এমন ধারণাই পরিচিত। কিন্তু লাদাখের তীব্র শীতেও এমন একটি বাড়ি রয়েছে, যেখানে আলাদা করে গরম করার কোনও ব্যবস্থা লাগে না। বাড়িটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল, এতে কংক্রিটের ব্যবহার নেই বললেই চলে। স্থানীয় মাটি এবং প্রাকৃতিক উপকরণ দিয়ে তৈরি দেওয়াল ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

কিন্তু প্রশ্ন জাগতে পারে, কী ভাবে হিটার ছাড়া ঘর গরম থাকে সেখানে? এই বাড়ির আসল চমক লুকিয়ে রয়েছে ‘প্যাসিভ সোলার’ প্রযুক্তিতে। কালো জানলা ভরা একটি দেওয়ালের ভিতরে বসানো থাকে জলে ভরা বোতল। দিনের বেলায় সূর্যের আলো সেই জল গরম করে।
০৬ / ১৫

কিন্তু প্রশ্ন জাগতে পারে, কী ভাবে হিটার ছাড়া ঘর গরম থাকে সেখানে? এই বাড়ির আসল চমক লুকিয়ে রয়েছে ‘প্যাসিভ সোলার’ প্রযুক্তিতে। কালো জানলা ভরা একটি দেওয়ালের ভিতরে বসানো থাকে জলে ভরা বোতল। দিনের বেলায় সূর্যের আলো সেই জল গরম করে।

সূর্য ডুবে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে সেই জমে থাকা তাপ ঘরের ভিতরে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আলাদা করে হিটার ব্যবহার না-করেও শীতের রাতে ঘর আরামদায়ক থাকে। ওয়াংচুকের কথায়, প্রযুক্তি আধুনিক হলেও এর মূল ভাবনা এসেছে বহু পুরনো ধারণা থেকেই। হিটার বা আগুন জ্বালিয়ে যাতে পরিবেশ দূষিত না হয়, তাই এই বন্দোবস্ত করা হয়েছে সেখানে।
০৭ / ১৫

সূর্য ডুবে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে সেই জমে থাকা তাপ ঘরের ভিতরে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আলাদা করে হিটার ব্যবহার না-করেও শীতের রাতে ঘর আরামদায়ক থাকে। ওয়াংচুকের কথায়, প্রযুক্তি আধুনিক হলেও এর মূল ভাবনা এসেছে বহু পুরনো ধারণা থেকেই। হিটার বা আগুন জ্বালিয়ে যাতে পরিবেশ দূষিত না হয়, তাই এই বন্দোবস্ত করা হয়েছে সেখানে।

শুধু তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণই নয়, গোটা বাড়ির নকশাতেই রয়েছে পরিবেশবান্ধব ভাবনা। এখানে এমন শৌচাগারের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে জলের প্রয়োজন হয় না। লাদাখে জলের অভাবের কথা সকলেরই জানা। ফলে কমোডে ফ্লাশ করে জল নষ্ট করার কথা ভাবতেই পারেন না তাঁরা। তাই বানানো হয়েছে নতুন ধরনের অথচ পুরনো ধারণার শৌচাগার।
০৮ / ১৫

শুধু তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণই নয়, গোটা বাড়ির নকশাতেই রয়েছে পরিবেশবান্ধব ভাবনা। এখানে এমন শৌচাগারের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে জলের প্রয়োজন হয় না। লাদাখে জলের অভাবের কথা সকলেরই জানা। ফলে কমোডে ফ্লাশ করে জল নষ্ট করার কথা ভাবতেই পারেন না তাঁরা। তাই বানানো হয়েছে নতুন ধরনের অথচ পুরনো ধারণার শৌচাগার।

সেখানে কমোডের ঢাকনা খুলে বসতে হবে। মলত্যাগ করার পর জলের বদলে পাশে রাখা বালি ও মাটির মিশ্রণ ঢেলে দিতে হবে মগে করে। তার পর ঢাকনা আবার বন্ধ করে দিতে হবে। সোনম জানাচ্ছেন, অতিথিদের জন্য দূরে বাথরুম না বানিয়ে ঘরের সঙ্গেই বানাতে হয়েছে। কিন্তু এই পদ্ধতিতে বর্জ্য বালিচাপা দিলে তা থেকে দুর্গন্ধ বেরোয় না।
০৯ / ১৫

সেখানে কমোডের ঢাকনা খুলে বসতে হবে। মলত্যাগ করার পর জলের বদলে পাশে রাখা বালি ও মাটির মিশ্রণ ঢেলে দিতে হবে মগে করে। তার পর ঢাকনা আবার বন্ধ করে দিতে হবে। সোনম জানাচ্ছেন, অতিথিদের জন্য দূরে বাথরুম না বানিয়ে ঘরের সঙ্গেই বানাতে হয়েছে। কিন্তু এই পদ্ধতিতে বর্জ্য বালিচাপা দিলে তা থেকে দুর্গন্ধ বেরোয় না।

তার পর ধীরে ধীরে সেই পাত্র ভরে গেলে এক পাশ থেকে বন্ধ রাখা ছোট্ট দেরাজ খুলে সেই পাত্রটি বার করে নিতে হবে। দূরে কোথাও, চাষের খেতে ফেলে আসতে হবে। যাতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বালি, মাটি ও জৈব বর্জ্যে ভরা মিশ্রণ জৈবসারে পরিণত হয়ে যায়। অন্য দিকে, কমোডেরই সামনের অংশে থাকে প্রস্রাবের গর্ত। যাতে প্রস্রাব সেখান থেকে বেরিয়ে ইউরিয়া তৈরি করে গাছপালার উপকার করতে পারে।
১০ / ১৫

তার পর ধীরে ধীরে সেই পাত্র ভরে গেলে এক পাশ থেকে বন্ধ রাখা ছোট্ট দেরাজ খুলে সেই পাত্রটি বার করে নিতে হবে। দূরে কোথাও, চাষের খেতে ফেলে আসতে হবে। যাতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বালি, মাটি ও জৈব বর্জ্যে ভরা মিশ্রণ জৈবসারে পরিণত হয়ে যায়। অন্য দিকে, কমোডেরই সামনের অংশে থাকে প্রস্রাবের গর্ত। যাতে প্রস্রাব সেখান থেকে বেরিয়ে ইউরিয়া তৈরি করে গাছপালার উপকার করতে পারে।

রান্নাঘরেও যতটা সম্ভব কম জ্বালানি ব্যবহার করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। লক্ষ্য একটাই— প্রকৃতির উপর চাপ কমিয়ে আরামদায়ক জীবনযাপন। কিন্তু মডার্ন কিচেন থেকে কোনও অংশে কম নয় তাঁর হেঁশেলের ডিজ়াইন। মাঝে লম্বা এক স্ল্যাব। তার উপর সিঙ্ক রয়েছে, আর রান্নার জোগাড়যন্ত্র হয়। অন্য দিকে আধুনিক কাউন্টারটপ স্টোভ বসানো রাঁধার জন্য।
১১ / ১৫

রান্নাঘরেও যতটা সম্ভব কম জ্বালানি ব্যবহার করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। লক্ষ্য একটাই— প্রকৃতির উপর চাপ কমিয়ে আরামদায়ক জীবনযাপন। কিন্তু মডার্ন কিচেন থেকে কোনও অংশে কম নয় তাঁর হেঁশেলের ডিজ়াইন। মাঝে লম্বা এক স্ল্যাব। তার উপর সিঙ্ক রয়েছে, আর রান্নার জোগাড়যন্ত্র হয়। অন্য দিকে আধুনিক কাউন্টারটপ স্টোভ বসানো রাঁধার জন্য।

খাওয়াদাওয়ার অংশে রাখা হয়েছে লাদাখের ঐতিহ্যবাহী বসার ব্যবস্থা। সেখানে মেঝেতে বসে নিচু টেবিলে খাবার রেখে খাওয়ার চল রয়েছে। সেই ধারণাকে গুরুত্ব দিয়ে গোল নিচু টেবিল রেখেছেন সোনম। তার চারদিকে নিচু নিচু চেয়ার বসানো রয়েছে। আর সেই ঘরেও উপর থেকে নীচ পর্যন্ত রয়েছে কালো দেওয়াল। যাতে, খাওয়ার সময়ে রাতে ঠান্ডা না লাগে।
১২ / ১৫

খাওয়াদাওয়ার অংশে রাখা হয়েছে লাদাখের ঐতিহ্যবাহী বসার ব্যবস্থা। সেখানে মেঝেতে বসে নিচু টেবিলে খাবার রেখে খাওয়ার চল রয়েছে। সেই ধারণাকে গুরুত্ব দিয়ে গোল নিচু টেবিল রেখেছেন সোনম। তার চারদিকে নিচু নিচু চেয়ার বসানো রয়েছে। আর সেই ঘরেও উপর থেকে নীচ পর্যন্ত রয়েছে কালো দেওয়াল। যাতে, খাওয়ার সময়ে রাতে ঠান্ডা না লাগে।

এই ধরনের বাড়ি শুধু পরিবেশ রক্ষাই করে না, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির খরচও অনেক কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে, পাহাড়ি বা চরম আবহাওয়ার অঞ্চলে স্থানীয় উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি এমন ঘর ভবিষ্যতের টেকসই স্থাপত্যের গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে।
১৩ / ১৫

এই ধরনের বাড়ি শুধু পরিবেশ রক্ষাই করে না, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির খরচও অনেক কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে, পাহাড়ি বা চরম আবহাওয়ার অঞ্চলে স্থানীয় উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি এমন ঘর ভবিষ্যতের টেকসই স্থাপত্যের গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে।

আর সেই শিক্ষা দেওয়ার জন্যই ‘দ্য হিমালয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভস্‌, লাদাখ’-এ প্রতি বছর একটি উৎসবের আয়োজন করা হয়। ‘সান অ্যান্ড আর্থ ফেস্টিভ্যাল’। সেখানে সূর্য এবং মাটির ব্যবহারে এমনই বাড়ি বানানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ওয়াংচুকের এই বাড়িই মনে করিয়ে দেয়, প্রযুক্তি মানেই সবসময় জটিল যন্ত্র নয়।
১৪ / ১৫

আর সেই শিক্ষা দেওয়ার জন্যই ‘দ্য হিমালয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভস্‌, লাদাখ’-এ প্রতি বছর একটি উৎসবের আয়োজন করা হয়। ‘সান অ্যান্ড আর্থ ফেস্টিভ্যাল’। সেখানে সূর্য এবং মাটির ব্যবহারে এমনই বাড়ি বানানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ওয়াংচুকের এই বাড়িই মনে করিয়ে দেয়, প্রযুক্তি মানেই সবসময় জটিল যন্ত্র নয়।

অনেক সময়ে প্রকৃতিকে বুঝে, স্থানীয় প্রথা ও পরম্পরাগত জ্ঞানকে সম্মান জানিয়ে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আধুনিক ভাবনার ব্যবহারে তৈরি হতে পারে, এমন এক বাসস্থান, যা একই সঙ্গে আরামদায়ক, সাশ্রয়ী, আধুনিক এবং পরিবেশবান্ধব। ভবিষ্যতের পৃথিবীতে হয়তো এমন ঘরই হয়ে উঠবে নতুন অনুপ্রেরণা। আর তারই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সোনম।
১৫ / ১৫

অনেক সময়ে প্রকৃতিকে বুঝে, স্থানীয় প্রথা ও পরম্পরাগত জ্ঞানকে সম্মান জানিয়ে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আধুনিক ভাবনার ব্যবহারে তৈরি হতে পারে, এমন এক বাসস্থান, যা একই সঙ্গে আরামদায়ক, সাশ্রয়ী, আধুনিক এবং পরিবেশবান্ধব। ভবিষ্যতের পৃথিবীতে হয়তো এমন ঘরই হয়ে উঠবে নতুন অনুপ্রেরণা। আর তারই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সোনম।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy