Advertisement
E-Paper

ঘুম কেড়েছে অ্যাকোয়ারিয়াম পরিষ্কারের জন্য আনা ‘চোষক’! স্বাদু জলের বাস্তুতন্ত্র বাঁচাতে দ্বীপরাষ্ট্রে শুরু মৎস্যমেধ

জাকার্তার নদী ও জলাশয়ে বিশেষ এক প্রজাতির মাছের অবাধ বিচরণ রুখতে সেগুলিকে হত্যা করা হচ্ছে। কারণ, ইন্দোনেশিয়ার স্বাদু বা মিঠা জলের বাস্তুতন্ত্রের জন্য সেই মাছগুলি ক্ষতিকারক বলে দাবি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:০৯
হাজার হাজার মাছ মারছে ইন্দোনেশিয়া। রাজধানী জাকার্তার বেশ কয়েকটি নদীতে বিশেষ এক প্রজাতির মাছের অবাধ বিচরণ রুখতে সেগুলিকে হত্যা করা হচ্ছে। কারণ, ইন্দোনেশিয়ার স্বাদু জলের বাস্তুতন্ত্রের জন্য সেই মাছগুলি ক্ষতিকারক বলে দাবি। সেই কারণেই, মাছগুলিকে মেরে ফেলা হচ্ছে।
০১ / ১৪

হাজার হাজার মাছ মারছে ইন্দোনেশিয়া। রাজধানী জাকার্তার বেশ কয়েকটি নদীতে বিশেষ এক প্রজাতির মাছের অবাধ বিচরণ রুখতে সেগুলিকে হত্যা করা হচ্ছে। কারণ, ইন্দোনেশিয়ার স্বাদু জলের বাস্তুতন্ত্রের জন্য সেই মাছগুলি ক্ষতিকারক বলে দাবি। সেই কারণেই, মাছগুলিকে মেরে ফেলা হচ্ছে।

বিশেষ প্রজাতির সেই মাছগুলি হল, প্লেকো বা ‘সাকারমাউথ ক্যাটফিশ’। স্থানীয়দের কাছে সেগুলি ইকান সাপু-সাপু বা জেনির মাছ হিসেবে পরিচিত। তবে, এগুলি ইন্দোনেশিয়ার মাছ নয়। সাধারণত দক্ষিণ এবং মধ্য আমেরিকাই হল এই মাছগুলির আদি বাসস্থান। এখানে বলে রাখা দরকার, স্থানভেদে এই প্রজাতির মাছের মধ্যে কিছু সূক্ষ্ম ফারাক দেখা যায়।
০২ / ১৪

বিশেষ প্রজাতির সেই মাছগুলি হল, প্লেকো বা ‘সাকারমাউথ ক্যাটফিশ’। স্থানীয়দের কাছে সেগুলি ইকান সাপু-সাপু বা জেনির মাছ হিসেবে পরিচিত। তবে, এগুলি ইন্দোনেশিয়ার মাছ নয়। সাধারণত দক্ষিণ এবং মধ্য আমেরিকাই হল এই মাছগুলির আদি বাসস্থান। এখানে বলে রাখা দরকার, স্থানভেদে এই প্রজাতির মাছের মধ্যে কিছু সূক্ষ্ম ফারাক দেখা যায়।

প্রশ্ন উঠতে পারে, স্থানীয় না হয়েও ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার বিভিন্ন নদী ও জলাশয়ে এই প্রজাতির মাছের সংখ্যা এত বৃদ্ধি পেল কী ভাবে? আসলে, ইন্দোনেশিয়ার বাসিন্দারাই মাছগুলিকে নিজেদের দেশে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু, এখন তাঁরাই সেগুলির বাড়বাড়ন্তে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। খুঁজছেন মুক্তির পথ।
০৩ / ১৪

প্রশ্ন উঠতে পারে, স্থানীয় না হয়েও ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার বিভিন্ন নদী ও জলাশয়ে এই প্রজাতির মাছের সংখ্যা এত বৃদ্ধি পেল কী ভাবে? আসলে, ইন্দোনেশিয়ার বাসিন্দারাই মাছগুলিকে নিজেদের দেশে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু, এখন তাঁরাই সেগুলির বাড়বাড়ন্তে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। খুঁজছেন মুক্তির পথ।

প্লেকো মাছের এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলি জলাশয়, অ্যাকোয়ারিয়াম প্রভৃতি জায়গায় জন্মানো শ্যাওলা বা শৈবাল খেয়ে সেই স্থানগুলিকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। সেই কারণে কয়েক দশক আগে দ্বীপরাষ্ট্রের অ্যাকোয়ারিয়াম ব্যবসায়ীরা সেগুলিকে আমদানি করেন। অ্যাকোয়ারিয়াম পরিষ্কার রাখার লক্ষ্যেই মাছগুলিকে নতুন দেশে নিয়ে আসা হয়।
০৪ / ১৪

প্লেকো মাছের এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলি জলাশয়, অ্যাকোয়ারিয়াম প্রভৃতি জায়গায় জন্মানো শ্যাওলা বা শৈবাল খেয়ে সেই স্থানগুলিকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। সেই কারণে কয়েক দশক আগে দ্বীপরাষ্ট্রের অ্যাকোয়ারিয়াম ব্যবসায়ীরা সেগুলিকে আমদানি করেন। অ্যাকোয়ারিয়াম পরিষ্কার রাখার লক্ষ্যেই মাছগুলিকে নতুন দেশে নিয়ে আসা হয়।

এই প্লেকো মাছ যেমন শ্যাওলা খায়, তেমনই বংশবিস্তারও করে দ্রুত। মাছগুলির আকারে বেড়ে উঠতেও বেশি সময় লাগে না। একটি প্লেকো মাছ আয়তনে প্রায় ২০ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। কেবল শ্যাওলা খেয়েই ১০ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বেঁচেও থাকতে পারে।
০৫ / ১৪

এই প্লেকো মাছ যেমন শ্যাওলা খায়, তেমনই বংশবিস্তারও করে দ্রুত। মাছগুলির আকারে বেড়ে উঠতেও বেশি সময় লাগে না। একটি প্লেকো মাছ আয়তনে প্রায় ২০ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। কেবল শ্যাওলা খেয়েই ১০ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বেঁচেও থাকতে পারে।

তথ্য বলছে, কয়েক দশক আগে দেশে আমদানি করা প্লেকো মাছগুলির বেশ কয়েকটিকে স্থানীয় বিভিন্ন নদী ও জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেগুলি জাকার্তার বিভিন্ন দূষিত নদীতে নিজেদের বসতি স্থাপন করে নেয়। পরিবেশবিদদের মতে, দূষিত জলাশয় এগুলির বসতি হিসেবে আদর্শ। যে জলাশয়ে যত বেশি আবর্জনা, শ্যাওলা প্রভৃতি থাকে, সেখানে প্লেকো মাছের বংশবিস্তার করতে তত বেশি সুবিধা হয়।
০৬ / ১৪

তথ্য বলছে, কয়েক দশক আগে দেশে আমদানি করা প্লেকো মাছগুলির বেশ কয়েকটিকে স্থানীয় বিভিন্ন নদী ও জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেগুলি জাকার্তার বিভিন্ন দূষিত নদীতে নিজেদের বসতি স্থাপন করে নেয়। পরিবেশবিদদের মতে, দূষিত জলাশয় এগুলির বসতি হিসেবে আদর্শ। যে জলাশয়ে যত বেশি আবর্জনা, শ্যাওলা প্রভৃতি থাকে, সেখানে প্লেকো মাছের বংশবিস্তার করতে তত বেশি সুবিধা হয়।

জাকার্তা ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। এখানকার ঘিঞ্জি পরিবেশে জলাশয় ও নদীগুলি দূষিত হওয়াই স্বাভাবিক। ফলত, কয়েক বছরেই প্লেকোর সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। চলতি বছরের শুরুর দিক পর্যন্তও, জাকার্তার স্বাদু বা মিঠা জলের বাস্তুতন্ত্রের অধিকাংশ জুড়েই রাজত্ব করছিল প্লেকো। অন্য দিকে, সংখ্যায় হ্রাস পাচ্ছিল দেশীয় প্রজাতির অন্যান্য জলজ প্রাণী।
০৭ / ১৪

জাকার্তা ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। এখানকার ঘিঞ্জি পরিবেশে জলাশয় ও নদীগুলি দূষিত হওয়াই স্বাভাবিক। ফলত, কয়েক বছরেই প্লেকোর সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। চলতি বছরের শুরুর দিক পর্যন্তও, জাকার্তার স্বাদু বা মিঠা জলের বাস্তুতন্ত্রের অধিকাংশ জুড়েই রাজত্ব করছিল প্লেকো। অন্য দিকে, সংখ্যায় হ্রাস পাচ্ছিল দেশীয় প্রজাতির অন্যান্য জলজ প্রাণী।

পরিবেশবিদরা ইন্দোনেশিয়ার সরকারকে আগেই সতর্ক করে জানিয়ে ছিলেন, প্লেকো মাছের সংখ্যাবৃদ্ধি জাকার্তার স্বাদু জলের বাস্তুতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকারক হয়ে উঠতে পারে। তাই, সময় থাকতেই সেগুলির বংশবৃদ্ধি হ্রাস করা দরকার। কিন্তু, সেই সময় তাঁদের কথায় বিশেষ পাত্তা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এ দিকে, দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্লেকোর সংখ্যাও বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পাওয়ায় জাকার্তার গভর্নর প্রামোনো আনুং এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে সেগুলিকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন।
০৮ / ১৪

পরিবেশবিদরা ইন্দোনেশিয়ার সরকারকে আগেই সতর্ক করে জানিয়ে ছিলেন, প্লেকো মাছের সংখ্যাবৃদ্ধি জাকার্তার স্বাদু জলের বাস্তুতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকারক হয়ে উঠতে পারে। তাই, সময় থাকতেই সেগুলির বংশবৃদ্ধি হ্রাস করা দরকার। কিন্তু, সেই সময় তাঁদের কথায় বিশেষ পাত্তা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এ দিকে, দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্লেকোর সংখ্যাও বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পাওয়ায় জাকার্তার গভর্নর প্রামোনো আনুং এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে সেগুলিকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন।

প্লেকো কেবল জাকার্তার স্বাদু জলের বাস্তুতন্ত্রকে অস্থিতিশীলই করে তুলছে না, এই মাছ জলদূষণ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্লেকোর শরীরে ক্ষতিকারক মৌল এবং ব্যাকটেরিয়ার বাস রয়েছে। যার ফলে জলে দূষণের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
০৯ / ১৪

প্লেকো কেবল জাকার্তার স্বাদু জলের বাস্তুতন্ত্রকে অস্থিতিশীলই করে তুলছে না, এই মাছ জলদূষণ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্লেকোর শরীরে ক্ষতিকারক মৌল এবং ব্যাকটেরিয়ার বাস রয়েছে। যার ফলে জলে দূষণের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্লেকো নিধন ছাড়া জাকার্তার কর্তৃপক্ষের কাছে আর কোনও উপায় নেই। মাছগুলির দেহে যেহেতু ক্ষতিকারক মৌল এবং ব্যাকটেরিয়া রয়েছে, ফলত সেগুলিকে খাদ্য হিসেবেও গ্রহণ করা যাবে না। অন্যথায় মানব শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
১০ / ১৪

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্লেকো নিধন ছাড়া জাকার্তার কর্তৃপক্ষের কাছে আর কোনও উপায় নেই। মাছগুলির দেহে যেহেতু ক্ষতিকারক মৌল এবং ব্যাকটেরিয়া রয়েছে, ফলত সেগুলিকে খাদ্য হিসেবেও গ্রহণ করা যাবে না। অন্যথায় মানব শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

পরিবেশবিদরা দাবি করেছেন, জলে প্লেকোর মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার অর্থ, তাতে দূষণের মাত্রাও বেড়ে যাওয়া। ইন্দোনেশিয়ার স্বাদু জলের বাস্তুতন্ত্রের অন্যান্য জীব যেখানে জলে আবর্জনার পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁচতে পারছে না, সেখানে প্লেকো দিব্যি নিজের বংশ বিস্তার করে চলেছে, যা জাকার্তাবাসীর জন্য মোটেই ভাল লক্ষণ নয়।
১১ / ১৪

পরিবেশবিদরা দাবি করেছেন, জলে প্লেকোর মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার অর্থ, তাতে দূষণের মাত্রাও বেড়ে যাওয়া। ইন্দোনেশিয়ার স্বাদু জলের বাস্তুতন্ত্রের অন্যান্য জীব যেখানে জলে আবর্জনার পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁচতে পারছে না, সেখানে প্লেকো দিব্যি নিজের বংশ বিস্তার করে চলেছে, যা জাকার্তাবাসীর জন্য মোটেই ভাল লক্ষণ নয়।

জাকার্তার চিলিওয়াং নদীতে অতীতে পরিষ্কার জল পাওয়া যেত। সেখানকার জল পানের যোগ্যও ছিল। কিন্তু, জাকার্তায় জনবসতি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই নদী ভরে গিয়েছে আবর্জনায়। একই সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে প্লেকোর সংখ্যা। বিশেষ করে, গ্রীষ্মকালে নদীর জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লেকোর বংশ বৃদ্ধি করতে আরও সুবিধা হয়। কিন্তু, দূষণের কারণে স্থানীয় প্রজাতির জলজ প্রাণীরা তেমনটি করতে পারে না। ফলত, সেগুলির সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে।
১২ / ১৪

জাকার্তার চিলিওয়াং নদীতে অতীতে পরিষ্কার জল পাওয়া যেত। সেখানকার জল পানের যোগ্যও ছিল। কিন্তু, জাকার্তায় জনবসতি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই নদী ভরে গিয়েছে আবর্জনায়। একই সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে প্লেকোর সংখ্যা। বিশেষ করে, গ্রীষ্মকালে নদীর জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লেকোর বংশ বৃদ্ধি করতে আরও সুবিধা হয়। কিন্তু, দূষণের কারণে স্থানীয় প্রজাতির জলজ প্রাণীরা তেমনটি করতে পারে না। ফলত, সেগুলির সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে।

এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১২ টন প্লেকো নিকেশ করেছে জাকার্তার সরকার। প্রথমে সেগুলিকে জালের সাহায্যে জলাশয় থেকে তুলে রাস্তার ধার ধরে ফেলে রাখা হচ্ছিল। কিন্তু, স্থানীয়রা এতে আপত্তি তোলেন। কারণ, বিপুল পরিমাণ মাছ পচে দুর্গন্ধ বার হতে শুরু করে। এর পর প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ সেগুলিকে মেরে ফেলে মাটি চাপা দেওয়া শুরু করেন।
১৩ / ১৪

এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১২ টন প্লেকো নিকেশ করেছে জাকার্তার সরকার। প্রথমে সেগুলিকে জালের সাহায্যে জলাশয় থেকে তুলে রাস্তার ধার ধরে ফেলে রাখা হচ্ছিল। কিন্তু, স্থানীয়রা এতে আপত্তি তোলেন। কারণ, বিপুল পরিমাণ মাছ পচে দুর্গন্ধ বার হতে শুরু করে। এর পর প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ সেগুলিকে মেরে ফেলে মাটি চাপা দেওয়া শুরু করেন।

স্বাদু বা মিঠা জলের বাস্তুতন্ত্র বাঁচানোর পাশাপাশি জাকার্তাবাসী যাতে জলদূষণ রুখতে তৎপর হন এবং জলাভূমিগুলিকে নোংরা করা থেকে বিরত থাকেন, সেই ভাবনাতেই শহরের কর্তৃপক্ষ এই অভিযান শুরু করেন বলে দাবি। প্লেকোর বংশ নাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জাকার্তার জলাশয় ও নদীগুলি পুনরায় স্বচ্ছ জলে ভরে উঠবে বলেও আশা করা হচ্ছে।
১৪ / ১৪

স্বাদু বা মিঠা জলের বাস্তুতন্ত্র বাঁচানোর পাশাপাশি জাকার্তাবাসী যাতে জলদূষণ রুখতে তৎপর হন এবং জলাভূমিগুলিকে নোংরা করা থেকে বিরত থাকেন, সেই ভাবনাতেই শহরের কর্তৃপক্ষ এই অভিযান শুরু করেন বলে দাবি। প্লেকোর বংশ নাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জাকার্তার জলাশয় ও নদীগুলি পুনরায় স্বচ্ছ জলে ভরে উঠবে বলেও আশা করা হচ্ছে।

সব ছবি: সংগৃহীত।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy