Advertisement
E-Paper

৪০০ কোটি ডলারের অস্ত্রচুক্তির বিনিময়ে গৃহযুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশে ‘শান্তির দূত’ সাজছে পাকিস্তান! পরবর্তী লক্ষ্য কি তেলের ভান্ডার?

২০১১ সালে নেটো সমর্থিত মার্কিন অভিযানের পর থেকেই দীর্ঘ দিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গৃহযুদ্ধে জর্জরিত এই দেশ। গৃহযুদ্ধে বর্তমানে দু’টি প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬ ১৫:৩৭
Libya–Pakistan relations
০১ / ১৯

আমেরিকা-ইরানের পর এ বার উত্তর আফ্রিকার এক দেশে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ ইসলামাবাদ। মুয়ম্মর গদ্দাফির দেশ লিবিয়ায় অভ্যন্তরীণ সমস্যায় ‘নাক গলিয়ে’ আবার গোটা বিশ্বের কাছে নিজেকে ‘শান্তির দূত’ প্রমাণ করতে মরিয়া পাকিস্তান। ইতিমধ্যেই পূর্বাঞ্চলীয় লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে ৪০০ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষাচুক্তি সম্পন্ন করেছে পাকিস্তান। তার কয়েক মাসের মধ্যেই নিঃশব্দে লিবিয়ার দুই প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি আলোচনার মধ্যস্থতাকারী হিসাবে গুরুত্ব বাড়ছে ইসলামাবাদের।

Libya–Pakistan relations
০২ / ১৯

সংবাদসংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই চুক্তির মাধ্যমে লিবিয়ায় কৌশলগত উপস্থিতি বৃদ্ধি করতে উঠেপড়ে লেগেছে শাহবাজ় শরিফ সরকার। ২০২৫ সালের শেষের দিক থেকেই পাকিস্তানি কূটনৈতিক আধিকারিকেরা লিবিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতাশালী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন বলে খবর।

Libya–Pakistan relations
০৩ / ১৯

সংঘাতে জর্জরিত উত্তর আফ্রিকার এই দেশটিতে ইসলামাবাদের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক সক্রিয়তা কি শুধু শান্তি উদ্যোগেই সীমাবদ্ধ, না কি এর পিছনে রয়েছে বৃহৎ কোনও কার্যসিদ্ধির অভিসন্ধি? আগ বাড়িয়ে লিবিয়ায় শান্তি ফেরানোর উদ্যমের পিছনে আদতে পাকিস্তানের সুদূরপ্রসারী প্রতিরক্ষা ও বৃহত্তর কৌশলগত স্বার্থই কাজ করছে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

Libya–Pakistan relations
০৪ / ১৯

মার্কিন গুপ্তচরদের উস্কানিতে ২০১১ সালে গৃহযুদ্ধের মুখে পড়ে লিবিয়া। বিদ্রোহীদের হাতে মৃত্যু হয় সেনাশাসক কর্নেল মুয়ম্মর গদ্দাফির। রাস্তার ধারের নর্দমা থেকে টেনেহিঁচড়ে বার করে এনে সশস্ত্র গোষ্ঠীর যোদ্ধারা গুলিতে ঝাঁজরা করে দেন তাঁর বুক। গদ্দাফির মৃত্যুর পর আর কখনওই স্থিতিশীল হতে পারেনি উত্তর আফ্রিকার ওই দেশ। উল্টে সেখানকার এক একটি জায়গা দখল করে নিয়েছে এক একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী।

Libya–Pakistan relations
০৫ / ১৯

২০১১ সালে নেটো সমর্থিত মার্কিন অভিযানে গদ্দাফিকে উৎখাত করার পর থেকেই লিবিয়া দীর্ঘ দিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গৃহযুদ্ধে জর্জরিত। বর্তমানে দেশটি পূর্বাঞ্চলীয় ও পশ্চিমাঞ্চলীয়— এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ‘প্রশাসনের’ মধ্যে বিভক্ত। এই সঙ্কটের টেকসই কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বার করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক স্তরে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে বিভিন্ন ভাবে।

Libya–Pakistan relations
০৬ / ১৯

ওয়াশিংটনের নেতৃত্বে হওয়া সেই সমস্ত কৌশলগত প্রচেষ্টা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে। লিবিয়ার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন বিশ্লেষকেরা। এই প্রেক্ষাপটে লিবিয়ার বিরোধী পক্ষগুলোর মধ্যে যোগাযোগ সহজতর করতে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক তৎপরতা নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। কারণ ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী সাহারা মরুভূমির দেশ লিবিয়া পাকিস্তানের সীমান্ত থেকে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে রয়েছে।

Libya–Pakistan relations
০৭ / ১৯

পাকিস্তানি দু’টি সূত্রকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে মধ্যস্থতার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাতে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনও একাধিক বার সেই ভূমিকার প্রশংসা করেছে। পাকিস্তানের একটি সূত্রের দাবি, লিবিয়া ইস্যুতেও ইসলামাবাদের এই নয়া উদ্যোগ সম্পর্কে মার্কিন প্রশাসন পুরোপুরি ওয়াকিবহাল। এই মধ্যস্থতার জন্য কী কী পদক্ষেপ পাকিস্তান করছে, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য ওয়াশিংটনের হাতে পৌঁছে গিয়েছে।

Libya–Pakistan relations
০৮ / ১৯

গত ২৪ জুন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির রাওয়ালপিন্ডির জেনারেল হেড কোয়ার্টার্সে (জিএইচকিউ) লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) ডেপুটি কমান্ডার সাদ্দাম হাফতারকে গার্ড অফ অনার দিয়ে স্বাগত জানান। এই বৈঠককেই পাকিস্তান ও লিবিয়ার মধ্যে বাড়তে থাকা সামরিক ও কূটনৈতিক সেতুবন্ধনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকেরা। সূত্রের আরও খবর, রাওয়ালপিন্ডির এই বৈঠকের আগে তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়োর সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন সাদ্দাম হাফতার। অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর ধারাবাহিক বৈঠক আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

Libya–Pakistan relations
০৯ / ১৯

লিবিয়ার গৃহযুদ্ধে বর্তমানে দু’টি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রশাসন মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। এক দিকে রয়েছে রাজধানী ত্রিপোলিতে থাকা রাষ্ট্রপুঞ্জ অনুমোদিত ও স্বীকৃত জাতীয় ঐক্য সরকার (জিএনইউ)। অন্য দিকে রয়েছে পূর্বাঞ্চলীয় শহর বেনগাজ়িতে থাকা জাতীয় স্থিতিশীলতা সরকার (জিএনএস)। এই পক্ষের সামরিক শক্তির মূল ভিত্তি ডেপুটি কমান্ডার-ইন-চিফ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খলিফা বেলকাশিম হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ)। বেনগাজ়িকে রাজধানীর স্বীকৃতি দিয়েছে এলএনএ।

Libya–Pakistan relations
১০ / ১৯

লিবিয়ার গৃহযুদ্ধে তুরস্ক ও কাতারের সমর্থন পেয়ে আসছে ত্রিপোলিভিত্তিক রাষ্ট্রপুঞ্জ-স্বীকৃত জাতীয় ঐক্য সরকার (জিএনইউ)। অন্য দিকে, বেনগাজ়িভিত্তিক জাতীয় স্থিতিশীলতা সরকার (জিএনএস) এবং খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ) সমর্থন পাচ্ছে পাকিস্তান-সহ মিশর, রাশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির।

Libya–Pakistan relations
১১ / ১৯

রয়টার্স-সহ একাধিক পশ্চিমি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ত্রিপোলির বিদ্রোহীদের সঙ্গে গত বছর মোট ৪০০ কোটি ডলার মূল্যের হাতিয়ার ও গোলাবারুদ বিক্রির প্রতিরক্ষাচুক্তি করেছে পাকিস্তান। সমঝোতাপর্বের একটি ছবিও প্রকাশ্যে আনে তারা। সেখানে মুনিরকে বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘লিবিয়া ন্যাশনাল আর্মি’র (এলএনএ) ডেপুটি কমান্ডার-ইন-চিফ জেনারেল হাফতারের সঙ্গে করমর্দন করতে দেখা গিয়েছে।

Libya–Pakistan relations
১২ / ১৯

বেনগাজ়িতে বিদ্রোহীদের ডেপুটি কমান্ডার-ইন-চিফ হাফতারের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পর সংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষাচুক্তিটি চূড়ান্ত করেন ইসলামাবাদের ফিল্ড মার্শাল। তবে সমঝোতা অনুযায়ী কী কী হাতিয়ার এলএনএ যোদ্ধাদের পাকিস্তান সরবরাহ করবে, তা এখনও স্পষ্ট জানা যায়নি। যদিও রয়টার্স জানিয়েছে, লড়াকু জেট ছাড়াও স্থল, আকাশ এবং নৌসেনার বেশ কিছু সামরিক সরঞ্জাম রাওয়ালপিন্ডির জেনারেলদের থেকে পেতে চলেছে তারা। চুক্তিতে সই হওয়ার পর বেনগাজ়িতে এই বিষয়ে বিবৃতি দেন মুনির।

Libya–Pakistan relations
১৩ / ১৯

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, লিবিয়ার দুই যুযুধান পক্ষের মাঝে ঢাল হয়ে দাঁড়াতে পারলে আখেরে হিসাবনিকাশের খাতায় লাভের অঙ্কই যোগ হবে পাকিস্তানের। সব হিসাব মিললে উত্তর আফ্রিকার দেশটি থেকে আগামী দিনে সস্তায় খনিজ তেল আমদানি করতে পারবে পাক সরকার। দ্বিতীয়ত, এই ঘটনায় আফ্রিকায় প্রভাব বৃদ্ধির সুযোগ পাবে ইসলামাবাদ। হাতিয়ার ও গোলাবারুদের জন্য ত্রিপোলির বিদ্রোহীদের কাছে ‘সেরা পছন্দ’ হয়ে উঠবেন রাওয়ালপিন্ডির ফৌজি জেনারেলরা। অস্ত্র ব্যবসার এ-হেন বিপুল লাভের হাতছানি তাই কোনও অবস্থাতেই হাতছাড়া করতে রাজি নন পাক ফিল্ড মার্শাল মুনির।

Libya–Pakistan relations
১৪ / ১৯

দীর্ঘ দিনের এই অচলাবস্থা কাটাতে ২০১৩ সালের পর প্রথম বার দুই পক্ষ জাতীয় বাজেটে সম্মত হয়। ২০২৪ সালের এপ্রিলে আধা সমঝোতার রাস্তায় হেঁটে আলোচনা সারে ত্রিপোলি ও বেনগাজ়ির সরকার। তবে দীর্ঘমেয়াদি মতপার্থক্য বা সঙ্কটের মূল বিষয়গুলির মীমাংসা এখনও বহু যোজন দূরে। জাতীয় নির্বাচন আয়োজন, কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড গঠন এবং লিবিয়ার বিপুল তেল আয়ের বণ্টন নিয়ে এখনও দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য রয়েছে।

Libya–Pakistan relations
১৫ / ১৯

রয়টার্সের হাতে আসা প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, লিবিয়ার চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট কাটাতে ৩৬ মাসের একটি অন্তর্বর্তিকালীন রূপান্তর প্রক্রিয়া গঠনের আলোচনা চলছে। এই পরিকল্পনার আওতায় একটি নতুন জাতীয় ঐকমত্যের সরকার এবং একটি প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, রাষ্ট্রপুঞ্জ জাতীয় ঐক্য সরকারের (জিএনইউ) প্রধানমন্ত্রী আবদুলহামিদ দেবেইবাহ অন্তর্বর্তী কালেও প্রধানমন্ত্রী পদে বহাল থাকবেন। একই সঙ্গে পূর্বাঞ্চলীয় লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) ডেপুটি কমান্ডার এবং খলিফা হাফতারের ছেলে সাদ্দাম হাফতারকে প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

Libya–Pakistan relations
১৬ / ১৯

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে পূর্বাঞ্চলের প্রভাবশালী নেতা ও কমান্ডার খলিফা হাফতারের শিবির দেশের বাজেট ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। কারণ, তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে লিবিয়ার বেশির ভাগ তৈলক্ষেত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো। এই পরিস্থিতিতে লিবিয়ার সঙ্কট নিরসনের কূটনৈতিক উদ্যোগে ইসলামাবাদ সক্রিয় হয়েছে। বিশেষ করে এলএনএ-র সঙ্গে পাকিস্তানের দীর্ঘ দিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক থাকায়, শাহবাজ় সরকারের আগ্রহ আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আঙিনায় নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।

Libya–Pakistan relations
১৭ / ১৯

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক তৎপরতার পিছনে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটি প্রতিরক্ষা রফতানি বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে একটি নির্ভরযোগ্য সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহকারী হিসাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে।

Libya–Pakistan relations
১৮ / ১৯

পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক তৎপরতাকে নিছক পরোপকারী উদ্যোগ হিসাবে দেখছেন না রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। তাঁদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন আঞ্চলিক সঙ্কটে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালনের মাধ্যমে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের কৌশলগত গুরুত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। তাঁদের মতে, লিবিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং দেশটির রাজনৈতিক পুনর্মিলন প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারী হিসাবে উত্তর আফ্রিকায় পাকিস্তানের উপস্থিতি আরও জোরদার করতে পারে। অঞ্চলটি দীর্ঘ দিন ধরেই নিরাপত্তা কাঠামো, জ্বালানি সম্পদ এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার অন্যতম কেন্দ্র হিসাবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

Libya–Pakistan relations
১৯ / ১৯

একই সঙ্গে ইসলামাবাদ উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গেও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণে সক্রিয় রয়েছে। ২০২৫ সালে পাকিস্তান ও সৌদি আরব একটি কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর মাধ্যমে দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও গভীর হয়। বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে এই ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সম্পর্ক এবং লিবিয়ায় মধ্যস্থতার উদ্যোগ পাকিস্তানের বৃহত্তর আঞ্চলিক কৌশলের অংশ।

সব ছবি : সংগৃহীত।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy