পাকা কথা দিয়েও নতুন মুদ্রা থেকে ‘বৃহত্তর নেপাল’-এর মানচিত্র সরাল না কাঠমান্ডু! বিফলে গেল দিল্লির কূটনীতি?
যে কয়েন এবং মানচিত্র নিয়ে এত বিতর্ক, সেই বিতর্কের সূত্রপাত কোথায়? ভারত এবং নেপালের মধ্যে এই মানচিত্র সংক্রান্ত বিরোধ মূলত উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় ভারত, নেপাল এবং চিনের সংযোগস্থলের (ট্রাই-জংশন) কাছে অবস্থিত প্রায় ৩৭০ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে কেন্দ্র করে।
যত বিতর্ক একটি কয়েন এবং তার উপরে থাকা দেশের মানচিত্র নিয়ে! আর তার জেরে বার বার সিদ্ধান্ত বদল করে কটাক্ষের মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহের সরকার। নেপালের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক, ‘নেপাল রাষ্ট্র ব্যাঙ্ক (এনআরবি)’ শনিবার ঘোষণা করেছে যে তারা এক রুপির একটি নতুন মুদ্রা তৈরি করবে। এই মুদ্রায় এমন একটি বিতর্কিত মানচিত্র থাকবে যাতে ভারতের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ এলাকা— লিম্পিয়াধুরা, লিপুলেখ এবং কালাপানিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কাঠমান্ডু এই এলাকাগুলোকে নিজেদের বলে দাবি করে। অন্য দিকে নয়াদিল্লি মনে করে ওই এলাকাগুলি উত্তরাখণ্ডের অংশ এবং তাদের মতে, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান করা উচিত। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এনআরবির মুখপাত্র গুরু প্রসাদ পাউডেল বলেছেন, ‘‘ব্যাঙ্কটি সরকারি ভাবে মুদ্রার নতুন নকশা এখনও হাতে পায়নি, তবে আমরা নিশ্চিত যে এতে আগের মানচিত্রটিই থাকবে।’’ পাউডেল আরও বলেন, ‘‘আমরা নতুন এক রুপির মুদ্রাটি বাজারে ছাড়ব। তবে এর আকার ও ধাতুর উপাদানে পরিবর্তন আনা হবে। আগের মুদ্রার তুলনায় এটি আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা হবে।’’
কিন্তু যে কয়েন এবং মানচিত্র নিয়ে এত বিতর্ক, সেই বিতর্কের সূত্রপাত কোথায়? প্রথমে আসা যাক মানচিত্র সংক্রান্ত বিতর্কের কথায়। ভারত এবং নেপালের মধ্যে এই মানচিত্র সংক্রান্ত বিরোধ মূলত উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় ভারত, নেপাল এবং চিনের সংযোগস্থলের (ট্রাই-জংশন) কাছে অবস্থিত প্রায় ৩৭০ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে কেন্দ্র করে। ওই জায়গা ভারত এবং নেপাল— উভয়েই নিজেদের বলে দাবি করে।
মতপার্থক্যের মূল কারণ হল ব্রিটিশ অধিকৃত ভারত এবং নেপাল রাজ্যের মধ্যে ১৮১৬ সালে স্বাক্ষরিত সুগৌলি চুক্তির ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা। নেপালের যুক্তি মহাকালী, যা কালী নদী নামেও পরিচিত, তার উৎপত্তি লিম্পিয়াধুরা থেকে, যা আরও পশ্চিমে অবস্থিত। এই ব্যাখ্যার উপর ভিত্তি করে কাঠমান্ডু দাবি করে যে লিম্পিয়াধুরা, লিপুলেখ এবং কালাপানি নেপালের ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত।
যদিও ভারত এই ব্যাখ্যা কোনও দিন মেনে নেয়নি। নয়াদিল্লির মতে, কালী নদীর উৎপত্তি কালাপানি গ্রামের কাছে অবস্থিত ঝর্না বা জলধারা থেকে। তাই ভারত এই তিনটি এলাকাকেই নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে মনে করে। ১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর থেকেই ভারত ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশের (আইটিবিপি) মাধ্যমে এই অঞ্চলে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা উপস্থিতি বজায় রেখেছে। যদিও এই বিরোধ দুই শতাব্দীরও বেশি পুরনো, তবে ২০২০ সালে এটি অত্যন্ত উত্তপ্ত পর্যায়ে পৌঁছোয়।
আরও পড়ুন:
ওই বছরের মে মাসে ভারত যখন ধারচুলা থেকে লিপুলেখ পাস পর্যন্ত সংযোগকারী কৌশলগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের উদ্বোধন করে, তখন উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। সড়কটি কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রায় অংশগ্রহণকারী তীর্থযাত্রীদের জন্য লিপুলেখ পাসে যাতায়াত অনেক সহজ করে তোলে। পাশাপাশি ভারত-চিন সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় এর কৌশলগত গুরুত্বও অপরিসীম।
কাঠমান্ডু এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে যুক্তি দেয় যে, সড়কটি নেপালের দাবিকৃত ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। এর পরই নেপালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির নেতৃত্বাধীন সরকার একটি সংশোধিত রাজনৈতিক মানচিত্র তথা ‘বৃহত্তর নেপাল’-এর মানচিত্র প্রকাশ করে। সেই মানচিত্র কালাপানি, লিপুলেখ এবং লিম্পিয়াধুরাকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নেপালের ভূখণ্ড বলে দেখানো হয়। সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানচিত্রটি অনুমোদিত হয় এবং দ্রুতই নেপালের ভূখণ্ডগত অবস্থানের অন্যতম প্রধান প্রতীকে পরিণত হয়।
পরবর্তী কালে এই সংশোধিত মানচিত্রটি নেপালের রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন নথিপত্র এবং প্রতীকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা এলাকা নিয়ে নেপালের দাবি সবার সামনে জোরালো ভাবে তুলে ধরে। বিতর্কিত এলাকাগুলি নিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ওলির সরকার যে মানচিত্র প্রকাশ করেছিল, তা জায়গা পেয়েছিল নেপালের অর্থনীতিতে বহু প্রচলিত কয়েনেও।
নেপালের বিদেশনীতি অনেক আগে থেকেই তার দুই বিশাল প্রতিবেশী ভারত এবং চিনের মধ্যে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখার উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়ে আসছে। পূর্ববর্তী সরকারগুলির আমলে কাঠমান্ডু বেশির ভাগ সময়েই বেজিং এবং নয়াদিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার ক্ষেত্রে অদলবদল ঘটিয়েছে। এ ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিও অনেক সময় বিদেশনীতির গতিপথ নির্ধারণে প্রভাব ফেলেছে। তবে ওলি সরকারের মানচিত্র কাণ্ডের সময় অভিযোগ উঠেছিল, বেজিঙের মদতেই এলাকা নিয়ে ভারতের সঙ্গে মতবিরোধে জড়িয়েছে নেপাল। তবে ভারতের কাছে এই মানচিত্রের কোনও আইনি বৈধতা ছিল না। ফলে নয়াদিল্লির অবস্থানেও কোনও পরিবর্তন আসেনি। ভারত বরাবরই মনে করে যে এই অঞ্চলগুলি তাদেরই ভূখণ্ডের অংশ।
আরও পড়ুন:
এর পর গত বছর নেপালে নব্য তরুণদের বিক্ষোভে নেপালের ওলি সরকার উল্টে যায়। ২০২৫ সালের আন্দোলনের পর নেপালের রাজনৈতিক দৃশ্যপট আমূল বদলে দেওয়া এবং সরকারে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বকে নিয়ে আসা রাজনৈতিক আন্দোলনের পথ ধরেই উত্থান ঘটে র্যাপার থেকে রাজনীতিতে আসা বলেন্দ্র শাহের। ঝাপা-৫ আসনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ওলিকে পরাজিত করে সংসদীয় নির্বাচনে জয়লাভ করেন তিনি। মার্চে প্রধানমন্ত্রীর আসনেও বসেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে কাঠমান্ডুর মেয়র ছিলেন বলেন্দ্র। সেই পদে থাকাকালীন পুর কার্যালয়ে ‘বৃহত্তর নেপাল’-এর মানচিত্র প্রদর্শন এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো অত্যন্ত দৃশ্যমান জাতীয়তাবাদী অবস্থানের মাধ্যমে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তিনি। তবে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল উল্লেখযোগ্য ভাবে ভিন্ন।
তাঁর সরকার প্রতীকী সংঘাতের পরিবর্তে অর্থনৈতিক সাফল্যের দৃষ্টিকোণ থেকে ক্রমবর্ধমান ভাবে বিদেশনীতি প্রণয়ন করেছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক মতবিরোধকে প্রাধান্য না দিয়ে, প্রশাসন এমন সব উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দিয়েছে যা বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, জ্বালানি রাজস্ব এবং আন্তঃসীমান্ত সংযোগ উন্নত করতে সক্ষম।
বলেন্দ্র নেপালের দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁকে অভিনন্দন জানানো প্রথম আন্তর্জাতিক নেতাদের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অন্যতম ছিলেন। এই পদক্ষেপটিকে অনেকেই নেপালের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে একটি গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নয়াদিল্লির সদিচ্ছার প্রতিফলন হিসাবে দেখেছিলেন সে সময়।
পাশাপাশি বলেন্দ্র সরকারের জমানায় চিন নিয়েও সাবধানি পদক্ষেপ করছে নেপাল। চিনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি সরকার ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই)-এর আওতায় অর্থায়নের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করেছে। উচ্চ-সুদের বাণিজ্যিক ঋণের পরিবর্তে অনুদান-ভিত্তিক পরিকাঠামো সহায়তা এবং সহজ শর্তে অর্থায়নের ব্যবস্থাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে নেপাল। মনে করা হচ্ছে পাকিস্তানের মতো চিনের ঋণজালে না জড়াতেই ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নেপালের বলেন্দ্র।
একই সঙ্গে প্রশাসন নেপালের ভৌগোলিক অবস্থানের বাস্তবতাকে বিবেচনায় রেখেছে। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রফতানির জন্য ভারতই নেপালের একমাত্র বাস্তবসম্মত এবং বড় বাজার। সমুদ্রপথে বাণিজ্যের জন্য আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দরগুলিতে পৌঁছোনোর সবচেয়ে সহজ পথটিও ভারতের মাধ্যমেই পাওয়া যায়।
উন্মুক্ত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক কাঠামোর আওতায় দেশ দু’টির মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতাও অব্যাহত রয়েছে।
যদিও বলেন্দ্র প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসার পরেই মে মাসে লিপুলেখ গিরিপথ দিয়ে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার আয়োজন না করতে ভারত ও চিনকে অনুরোধ করে নেপাল। তাদের দাবি ছিল, ওই গিরিপথ নেপালি এলাকা। জুন মাসে শুরু হয় চলতি বছরের কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা। প্রতি বছরের মতোই চিনের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করে লিপুলেখ ও নাথুলা গিরিপথের মাধ্যমে ওই যাত্রার আয়োজন করেছে দিল্লি। কিন্তু লিপুলেখ দিয়ে যাত্রা নিয়ে আপত্তি তোলে নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রী বলেন শাহের সরকার। দীর্ঘ দিন ধরেই লিপুলেখকে তাদের এলাকা বলে দাবি করে আসছে কাঠমান্ডু। বলেনের দাবি, ‘‘নেপাল সরকার স্পষ্টতই মনে করে মহাকালী নদীর পূর্বে লিম্পিয়াধুরা, লিপুলেখ ও কালাপানি নেপালের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।’’
সেই দাবি উড়িয়ে দেয় ভারত। দিল্লির তরফে জানানো হয়েছে, এ নিয়ে ভারতের অবস্থান বরাবরই স্পষ্ট। ১৯৫৪ সাল থেকে লিপুলেখ দিয়ে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা হয়ে থাকে। এটা নতুন কোনও বিষয় নয়। ওই এলাকার উপরে নেপালের দাবিরও কোনও ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। একতরফা ভাবে এলাকা বাড়ানোর এমন কৃত্রিম দাবি গ্রহণযোগ্য নয়। তবে ভারত নেপালের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা-সহ সব বিষয়ই আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে মেটাতে চায়।
এর পর সম্প্রতি বিতর্কিত লিপুলেখ গিরিপথ নিয়ে চিন এবং ব্রিটেনের সঙ্গেও আলোচনা চেয়েছিলেন বলেন। আর তার পরেই কাঠমান্ডুকে কড়া বার্তা দেয় নয়াদিল্লি। ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, দু’দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না।
এর পর সুর নরম হয় নেপালের বলেন শাহ সরকারের। এর মধ্যেই গত ২০ জুলাই বলেন্দ্র নেতৃত্বাধীন সরকার নেপালে বহুল ব্যবহৃত মুদ্রায় থাকা বিতর্কিত মানচিত্র সরিয়ে সেখানে একটি মঠের ছবি যুক্ত করার সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছিল। নকশা পরিবর্তনের অংশ হিসাবে, বিতর্কিত রাজনৈতিক মানচিত্রটি মুদ্রা থেকে সরিয়ে সেখানে মুস্তাং জেলার মারং গ্রামের ‘লো ঘিয়াকার মঠ’-এর ছবি মুদ্রণের কথা ছিল। এই মঠটিকে নেপালের অন্যতম প্রাচীন বৌদ্ধ মঠ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এই পরিবর্তনের মাধ্যমে মুদ্রাটি থেকে এমন একটি মানচিত্র সরিয়ে ফেলা হত, যা ভারতের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের ভূখণ্ডগত বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। মনে করা হচ্ছিল, ভারতের সঙ্গে কৌশলগত এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উন্নতি ঘটাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বলেন্দ্র সরকার। যদিও সরকার এই পদক্ষেপকে দেশের মুদ্রা ব্যবস্থার নিয়মিত সংস্কারের অংশ হিসাবে দাবি করে। নানা প্রশ্ন এবং জল্পনারও জন্ম দেয় সেই পদক্ষেপ।
মনে করা হচ্ছিল, কাঠমান্ডু হয়তো তাদের ভূখণ্ডগত অবস্থানের কোনও পরিবর্তন না ঘটিয়েই নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের সুর নতুন করে সাজানোর চেষ্টা করছে। পাশাপাশি সিদ্ধান্তটি এমন সময় নেওয়া হয় যখন ভারত এবং নেপাল বাণিজ্য, জ্বালানি, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আন্তঃসীমান্ত পরিকাঠামোর মতো ক্ষেত্রগুলিতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার চেষ্টা করছে।
তবে মুদ্রায় ‘বৃহত্তর নেপাল’ মানচিত্রের বদলের সিদ্ধান্ত ভাল ভাবে নেয়নি সে দেশের জনগণ। বিরোধী দল ও জনগণের চাপের মুখে পড়ে সরকার মানচিত্রটি মুদ্রায় বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানা গিয়েছে, নতুন যে কয়েনগুলি চালু হচ্ছে, তাতে আগের মতোই মুদ্রিত থাকবে বিতর্কিত সেই মানচিত্র।