বর্ষায় ত্বকের র্যাশ থেকে বাঁচার ৭ উপায়
বর্ষা কালে বৃষ্টি ভেজা ত্বকে যেমন র্যাশ, চুলকানির সমস্যা হয়, তেমনই এই সময় পেট খারাপ, ডায়রিয়া থেকেও ছাপ পড়ে ত্বকে। একজিমা, ইনফেকশন, অ্যালার্জি বর্ষার খুূবই সাধারণ সমস্যা। জেনে নিন এই সময় ত্বক র্যাশের হাত থেকে দূরে রাখতে কী করবেন।
বর্ষা কালে বৃষ্টি ভেজা ত্বকে যেমন র্যাশ, চুলকানির সমস্যা হয়, তেমনই এই সময় পেট খারাপ, ডায়েরিয়া থেকেও ছাপ পড়ে ত্বকে। একজিমা, ইনফেকশন, অ্যালার্জি বর্ষার খুূবই সাধারণ সমস্যা। জেনে নিন এই সময় ত্বক র্যাশের হাত থেকে দূরে রাখতে কী করবেন।
অ্যাপল সিডার ভিনিগার: অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি-ফাংগাল গুণ থাকার কারণে যে কোনও কিছু থেকে ত্বকের অ্যালার্জির সমস্যা কমাতে সাহায্য করে অ্যাপল সিডার ভিনিগার।
বেকিং সোডা: এক বালতি ঠান্ডা জলে এক কাপ বেকিং সোডা মিশিয়ে রাখুন আধ ঘণ্টা। এই জলে স্নান করলে ত্বকের প্রদাহ কমবে।
ওটমিল বাথ: একজিমা বা সোরেসিসের সমস্যায় ত্বকের প্রদাহ দূর করে ময়শ্চারাইজ করতে সাহায্য করে ওটমিল। হালকা গরম জলে ২ কাপ ওটমিল পাউডার ভিজিয়ে রাখুন আধ ঘণ্টা। এই জলে স্নান করুন।
অলিভ অয়েল: ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকার কারণে ত্বকের ক্ষয় রোধ করতে, ময়শ্চারাইজ করতে সাহায্য করে অলিভ অয়েল।
আরও পড়ুন:
অ্যালয় ভেরা জেল: ত্বকের যে কোনও ধরনের অস্বস্তিতে অ্যালয় ভেরা জেল লাগালে উপকার পাবেন। ফ্রেশ অ্যালয় ভেরা লাগাতে পারলে আরও ভাল।
নিম পাতা: নিম পাতার অ্যান্টি-ফাংগাল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ ত্বকের প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করে। একজিমা, স্কেবিস, অ্যাকনে, ইনফেকশের সমস্যা থেকে ত্বক রক্ষা করতে পারেন নিম পাতা।
ধনেপাতা: ত্বকের র্যাশ ও চুলকানিতে আয়ুর্বেদিক টোটকা হিসেবে কাজ করে ধনেপাতা। মুখে ধনেপাতা পেস্ট মুখে লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতি দিন সকালে ধনেপাতার রসও খেতে পারেন।