শুক্রবার থেকে সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ় খেলতে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া। ডারবানের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়া যে প্রথম একাদশ বেছে নিয়েছে তাতে নজির তৈরি হয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৯ বছরের ইতিহাসে এমন নজির আর কখনও করেনি অস্ট্রেলিয়া।
টেস্টে প্রথম বার প্রবীণতম প্রথম একাদশ নামিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম একাদশে থাকা সব ক্রিকেটারেরই বয়স ৩০-এর বেশি। প্যাট কামিন্সের দলের গড় বয়স ৩৪.৫৯ বছর। ক্রিকেট পরিসংখ্যানবিদ রিন ফিনলের দাবি, এটি টেস্টে প্রবীণতম প্রথম একাদশের তালিকায় সপ্তম স্থানে। গত ১০০ বছর এত বেশি বয়স থাকা ক্রিকেটারেরা কোনও দলের প্রথম একাদশে খেলেননি।
অস্ট্রেলিয়া দলের প্রবীণতম সদস্য স্পিনার নেথান লায়ন। তাঁর বয়স ৩৮। পাঁচ জন ক্রিকেটার রয়েছেন যাঁদের বয়স ৩৫ বা তার বেশি। তাঁরা হলেন, লায়ন, স্টিভ স্মিথ (৩৭), মিচেল স্টার্ক (৩৬), আলেক্স ক্যারে (৩৫) এবং জশ হেজ়লউড (৩৫)। ওপেনিংয়ে আবার পরিবর্তন করেছে অস্ট্রেলিয়া। আগে অন্তত একজন ওপেনারের বয়স হত ৩০-এর কম। এ বার নিক ম্যাডিনসনকে ডাকা হয়েছে, যাঁর বয়স ৩৪। ২০১৬-র পর প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেছেন তিনি।
শুধু তাই নয়, অস্ট্রেলিয়ার দলে যে ১৮ জন ক্রিকেটার রয়েছেন তাঁদের গড় বয়স ৩২.৬। কুপার কনোলি (২৩) হলেন সবচেয়ে কমবয়সি ক্রিকেটার। এ ছাড়া ক্যামেরন গ্রিন (২৭) এবং স্যাম হারপার (২৯) রয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়া অতীতে বার বারই তরুণ ক্রিকেটারদের উপরে ভরসা রেখেছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রথম একাদশ মোটেও বার্তাবাহী নয়। এর কারণ, অস্ট্রেলিয়া সঠিক মানের তরুণ ক্রিকেটার তুলে আনতে পারছে না বা তাঁদের উপর আস্থা রাখতে পারছে না।