সাম্প্রতিক কালে ইংল্যান্ডের বেশির ভাগ ব্যাটারকে এলবিডব্লিউ আউট হতে দেখা গিয়েছে। অধিনায়ক জো রুট অভিযোগ করেছিলেন, ডিউকস বলের চরিত্র বদলে গিয়েছে বলে এমন হচ্ছে। সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিল বল নির্মাতা সংস্থা। তাদের দাবি, বোকার মতো কথা বলছেন রুট। আগে যে পদ্ধতি মেনে বল তৈরি হত এখনও সে ভাবেই হচ্ছে।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লর্ডস টেস্ট জেতার পর রুট বলেছিলেন, “মনে হয় বলের উপর যে পালিশ লাগানো হচ্ছে সেটা আগের চেয়ে আলাদা। এখনও তার প্রমাণ পাইনি। আসলে সংস্থা চায় না বলের আকার বদলে যাক। তাই হয়তো পালিশ বদলেছে।”
ডিউকস বল তৈরি করে ব্রিটিশ ক্রিকেট বল্স লিমিটেড। তার প্রতিষ্ঠাতা দিলীপ জাজোদিয়া বলেছেন, “পুরো বোকার মতো কথা। এখনকার বলের মধ্যে কিছু আলাদা নেই। ক্রিকেট বল তো আর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পণ্য নয় যে ধাতু দিয়ে তৈরি করা হবে। এটা স্বাভাবিক কাঁচামাল দিয়ে তৈরি করা হয়। স্বাভাবিক কাঁচামালের আচরণে বৈচিত্র থাকতেই পারে।”
আরও পড়ুন:
ডিউকস বল তৈরি করা হয় স্কটল্যান্ডের বিশেষ প্রজাতির গরু অ্যাবারডিন অ্যাঙ্গাসের চামড়া থেকে। এর পর স্কটল্যান্ডের শহর চেস্টারফিল্ডে তা শোকানো হয়। সেলাইয়ের জন্য পাঠানো হয় ভারত এবং পাকিস্তানে। তৈরি হওয়া বল ফেরত যায় ইংল্যান্ডে।
জাজোদিয়া বলেছেন, “পুরো বল তৈরি হয় মানুষের হাতে। একটি ব্যাচে যে সংখ্যক বল থাকে, তার থেকে অপর ব্যাচের বলের চরিত্র আলাদা হতেই পারে। এমনকি একটি বল থেকেও আর একটি বল আলাদা হতে পারে।”