জমে গিয়েছে দলীপ ট্রফির সেমিফাইনালের লড়াই। প্রথম ইনিংসে মধ্যাঞ্চলের ২৬৬ রানের জবাবে ২৬৬ রানেই শেষ হয়েছে পূর্বাঞ্চলের প্রথম ইনিংস। সোমবার খেলার শেষে মধ্যাঞ্চলের দ্বিতীয় ইনিংসের রান ৩ উইকেটে ৪৫। অন্য ম্যাচে, উত্তরাঞ্চলের ১৯৫ রানের জবাবে দক্ষিণাঞ্চল ৯ উইকেটে ২৮৫।
ফলাফলের দিকে এগোচ্ছে দলীপের মধ্যাঞ্চল-পূর্বাঞ্চল সেমিফাইনাল। দ্বিতীয় দিনেই শুরু হয়ে গিয়েছে ম্যাচের তৃতীয় ইনিংস। তবে মধ্যাঞ্চলের বিরুদ্ধে সুবিধাজনক জায়গায় থাকার সুযোগ হাতছাড়া করেছেন ঈশান কিশনেরা। ২৬৬ রানের জবাবে পূর্বাঞ্চলের দুই ওপেনার ভাল শুরু করেন। অভিমন্যু ঈশ্বরণ এবং বৈভব সূর্যবংশীর প্রথম উইকেটের জুটিতে ওঠে ১৬১ রান। কিন্তু বৈভব ৭টি চার এবং ৭টি ছয়ের সাহায্যে ৮১ বলে ৯২ রান করে আউট হওয়ার পর ঈশানের দলের অন্য ব্যাটারেরা সে ভাবে দাঁড়াতেই পারলেন না। কুমার কুশাগ্র (০) প্রথম বলেই আউট হয়ে যান। কিছুটা চেষ্টা করেন সুদীপ ঘরামি (২৫)। ঈশ্বরণ করেন ৬৯। বিরাট সিংহ (৫), ঈশান (১৬), অনুকূল রায় (১৬), মহম্মদ কৌনাইন কুরেশিরা (১৩) দলকে ভরসা দিতে পারলেন না। ৬৬ রানে শেষ ৮ উইকেট হারান ঈশানেরা। পূর্বাঞ্চলের ইনিংসও শেষ হয় মধ্যাঞ্চলের মতো ২৬৬ রানেই। ফলে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুযোগ হাতছাড়া করেন ঈশানেরা। মধ্যাঞ্চলের সফলতম বোলার হর্ষ দুবে ৬৬ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। ৪৩ রানে ৩ উইকেট আরিয়ান পান্ডের। ৬৬ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন যশ ঠাকুর।
পূর্বাঞ্চলকে আটকে দেওয়ার সুবিধা আবার কাজে লাগাতে ব্যর্থ মধ্যাঞ্চলের ব্যাটারেরা। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটাও ভাল করতে পারেনি তাঁরা। অধিনায়ক রজত পাটীদার-সহ (৫) আউট হয়ে গিয়েছেন কুণাল চাণ্ডেলা (২) এবং আরিয়ান জুয়াল (৮)। ১৪ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন মুকেশ কুমার। ১৩ রানে ১ উইকেট মহম্মদ শামির। বাংলার দুই জোরে বোলারই দিনের শেষে পূর্বাঞ্চলের জয়ের আশা বাড়িয়েছেন। ২২ গজে অপরাজিত রয়েছেন ওপেনার আমান মোখাদে (২৩) এবং আরিয়ান পান্ডে (৪)।
আরও পড়ুন:
অন্য সেমিফাইনালে উত্তরাঞ্চলের বিরুদ্ধে ভাল জায়গায় দক্ষিণাঞ্চল। দ্বিতীয় দিনের খেলার শেষে ৯০ রানে এগিয়ে তিলক বর্মারা। যদিও দলের অধিকাংশ ব্যাটারই ব্যর্থ। চাপের মুখে ব্যাট হাতে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিলক। দিনের শেষে তিনি অপরাজিত রয়েছেন ১০৬ রান করে। ভাল ব্যাট করেছেন শ্রেয়স গোপাল। তিনি করেছেন ৮৭। এ ছাড়া বলার মতো রান নারায়ণ জগদীশনের ৩৬ এবং রবীচন্দ্রন স্মরণের ২৭।