এক
দিনের সিরিজ় ২-১ ব্যবধানে জয়ের পর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটও জয় দিয়ে শুরু করল ভারত।
এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ের মেজাজেই লখনউয়ে শুরু করল শ্রেয়স আয়ারের দল। প্রথমে ব্যাট
করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় ১৯.১ ওভারে ১৭১ রান করে। জবাবে ভারত ১৪.৪ ওভারে ২ উইকেটে কর ১৭২ রান। এর
মধ্যেই ভারতীয় বোলিংয়ের দুর্বলতা দেখিয়ে দিলেন সাই হোপ এবং শারফেন রাদারফোর্ড।
অপরাজিত শতরান করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিলেন শ্রেয়স। ২০ ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম শতরান করলেন তিনি।
টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রেয়স। ওয়েস্ট ইন্ডিজ় প্রত্যাশা মতো ব্যাট করতে পারল না। হোপ এবং রাদারফোর্ড ছাড়া কেউ দাঁড়াতেই পারলেন না ২২ গজে। ওপেন করতে নেমে অধিনায়ক হোপ করেন ৩৭ বলে ৫২। ৬টি চার এবং ২টি ছয় মারলেন। পাঁচ নম্বরে নেমে রাদারফোর্ড করলেন ৩৪ বলে ৫৬। ৬টি চার এবং ৩টি ছক্কা এল তাঁর ব্যাট থেকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের পক্ষে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান আকেল হোসেনের ৯ বলে ১৫। সফরকারীদের বাকি ব্যাটারেরা হতাশ করলেন।
ভারতের সফলতম বোলার নমন ধীর। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে অভিষেক ম্যাচে ৩১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেন। ২৬ রানে ২ উইকেট অক্ষর পটেলের। ৩৩ রানে ২ উইকেট কুলদীপ যাদবের। ৩৪ রানে ১ উইকেট অর্শদীপ সিংহের। ৪০ রান দিয়ে ১ উইকেট নিলেও ময়ঙ্ক যাদবের বোলিং নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। বৈচিত্র্য বাড়াতে না পারলে সমস্যায় পড়তে হবে তাঁকে।
জয়ের জন্য ১৭২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আগ্রাসী মেজাজে শুরু করেন অভিষেক শর্মা এবং সঞ্জু স্যামসন। অভিষেক অবশ্য বড় রান পেলেন না। ১০ বলে ২১ রান করে আউট হয়ে গেলেন। ৩টি চার এবং ১টি ছয় মারলেন। লখনউয়ে রান পেলেন না সঞ্জুও। ৯ বলে ১১ রান করলেন। ৩৫ রানে ২ উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি ভারতীয় দল। ইনিংসের হাল ধরেন ঈশান কিশন এবং শ্রেয়স। তাঁদের দায়িত্বশীল জুটি পরিস্থিতি সহজ করে দেয়। মঙ্গলবার বেশি আগ্রাসী ছিলেন অধিনায়কই। ৪৩ বলে ১০২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেন তিনি। তাঁর ব্যাট থেকে এল ১০টি চার এবং ছ’টি ছক্কা। ঈশান অপরাজিত থাকলেন ২৭ বলে ৩৭ রান করে। মারলেন ৫টি চার। তৃতীয় উইকেটে তাঁদের জুটিতে উঠল ১৩৭ রান।
আরও পড়ুন:
ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বোলারদের মধ্যে হোসেন ৩৭ রানে ১ উইকেট নেন। ৩৭ রানে ১ উইকেট নিয়েছেন রোস্টন চেজও।