টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে তাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ঝড় তুললেন ওপেনার শেফালি বর্মা। মাত্র ২৬ বলে অর্ধশতরান করেন শেফালি। ১০ ওভারের মধ্যে ভারতের স্কোর পৌঁছে যায় একশোয়। এটি ছিল শেফালির ১৯তম অর্ধশতরান। ৩৬ বলে ৬৪ রান করে ফিরে যান শেফালি। তাঁর ইনিংসে রয়েছে আটটি চার এবং তিনটি ছয়।
১৬০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তাইল্যান্ড। পরপর উইকেট হারাতে থাকে তারা। পেসার নন্দনী শর্মা এবং অফস্পিনার দীপ্তি শর্মা তিনটি করে উইকেট পান। দীপ্তি উইকেট পেয়েছেন কোনও রান না দিয়ে। সেই সঙ্গে ১৫০তম ম্যাচে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নতুন নজিরও গড়েছেন দীপ্তি। তাঁর মোট উইকেটসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭১-এ। ১৭তম ওভারে উইকেটরক্ষ নান্নাপত কোনচারোএনকাইকে আউট করে শীর্ষে পৌঁছন দীপ্তি। টপকে গিয়েছেন তাইল্যান্ডের থিপাতচা পুত্থাওংকে (১৭০)। এর আগে হরমপ্রীত কৌর ও স্মৃতি মন্ধানা ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১৫০ ম্যাচ খেলেছেন। ১৬.১ ওভারে ৬৫ রানে শেষ হয় তাইল্যান্ডের ইনিংস। ভারত জেতে ৯৪ রানে।
দাপট: শূন্য রানে তিন উইকেট দীপ্তির। রবিবার। ছবি: বিসিসিআই।
এর আগে শেফালি ফিরে যাওয়ার পরে তাইল্যান্ডের স্পিনারদের সামনে ভেঙে পড়ে ভারতের মাঝের সারির ব্যাটিং। তিন উইকেট তুলে নেন ২৮ বছর বয়সি লেগস্পিনার সুলিপর্ন লায়োমি। পর পর দু’বলে তিনি ফিরিয়ে দেন শেফালি এবং রিচা ঘোষকে। শুরুতে ১০ বলে ১৯ করে রান আউট হন স্মৃতি। এর পরে দাপট দেখিয়ে চলেন শেফালি। লায়োমিকে ছয় মেরে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি।
১০ ওভারের শেষে ভারতের স্কোর ছিল ১০০-২। এর পরে প্রতীকা রাওয়ালকে ফিরিয়ে দেন লায়োমি। অভিষেক ম্যাচে খেলতে নেমে ১৮ বলে ২২ রান করেন প্রতীকা। আগের দিন ভারতের কোচ অমল মুজ়ুমদার বলেছিলেন, ‘‘দুবাইয়ের পিচ স্পিনারদের সাহায্য করবে।’’ দেখা গেল, সেটাই হল। পরের ১০ ওভারে তাইল্যান্ডের স্পিনারদের সামনে আটকে গেলেন ভারতীয় ব্যাটাররা। উইকেট পড়ে সাতটি।
রান পাননি অধিনায়ক হরমনপ্রীতও। ভারত সবচেয়ে বড় ধাক্কা খায় পরের ওভারে। যখন লায়োমি পরপর দু’বলে ফিরিয়ে দেন শেফালি আর রিচাকে। একটু মন্থর বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে বোলারকে ক্যাচ দেন শেফালি। পরের বলে মারতে গিয়ে কভারে ক্যাচ তুলে দেন রিচা। তবে লড়াই করতে পারলেন না তাইল্যান্ডের ব্যাটাররা।