ছন্দে মহম্মদ শামি। রঞ্জির প্রথম ম্যাচে দিল্লির বিরুদ্ধে নামার আগে বাংলার পেসার জানিয়েছিলেন, আরও এক বার ভারতীয় দলে ঢোকার চেষ্টা করবেন তিনি। সেটাই করে দেখালেন শামি। কল্যাণীর মাঠে দিল্লির বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নিলেন তিনি। ২ উইকেট আকাশদীপের। ১ উইকেট মুকেশ কুমারের। আমির গনি নিয়েছেন ৩ উইকেট। বাংলার বোলারদের দাপটে প্রথম ইনিংসে ২৪০ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছে দিল্লি।
টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলা। ষষ্ঠ ওভারে সনৎ সাঙ্গোয়ানকে আউট করে দিল্লিকে প্রথম ধাক্কা দেন আকাশদীপ। তিন নম্বরে নামা যশ ঢুলও রান পাননি। তিনি শামির প্রথম শিকার। ওপেনার সার্থক রঞ্জন (৩৩) ও আয়ুষ দোসেজা (৪৫) জুটি গড়েছিলেন। কিন্তু তাঁরাও দলকে বড় রানে নিয়ে যেতে পারেননি।
সার্থককে ফেরান আমির। আয়ুষকে আউট করেন শামি। অধিনায়ক আয়ুষ বদোনি ২৩ রান করে মুকেশের বলে আউট হন। ১৪৮ রানে ৭ উইকেট পড়ে গিয়েছিল দিল্লির। দেখে মনে হচ্ছিল ২০০ রানও হবে না। সেখান থেকে দলকে টানেন হৃতিক শোকিন। ৫৬ রান করেন তিনি। তাঁকে সঙ্গ দেন দিভিজ মেহরা। তিনি করেন ২৪ রান। সেই দু’জনকেও আউট করেন শামি। তিনিই দিল্লির ইনিংস শেষ করেন।
আরও পড়ুন:
১৭.৩ ওভার বল করেছেন শামি। ৯টি মেডেন করেছেন। ৩০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। তাঁর বলের গতি ও সুইং সমস্যায় ফেলেছে দিল্লির ব্যাটারদের। কল্যাণীর মাঠে বোলারদের জন্য সুবিধা থাকে। সেই সুবিধা কাজে লাগিয়েছেন শামি। তিনি আরও এক বার বুঝিয়ে দিয়েছেন, ভারতীয় দলে ফিরতে তৈরি বাংলার পেসার।