আইপিএলে পাওয়া চোট সারিয়ে সবে মাঠে ফিরেছিলেন তিনি। আবার চোট পেলেন আয়ুষ মাত্রে। জানা গিয়েছে, তাঁর পেশি ছিঁড়েছে। অন্তত চার থেকে ছয় সপ্তাহ তাঁকে মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে। বোর্ডের উৎকর্ষ কেন্দ্রে (সিওই) রিহ্যাব করে এসেও কী ভাবে তিনি চোট পেতে পারেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আবার উৎকর্ষ কেন্দ্রের সমালোচনা শুরু হয়েছে।
আইপিএলে চেন্নাইয়ের হয়ে খেলতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন আয়ুষ। তিনি তিন মাস কাটান সিওই-তে। বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছিলেন। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে খেলতে পারেননি।
সেই চোট সারিয়ে মুম্বইয়ের হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে খেলতে নেমেছিলেন চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে। সোমবার চোট পান। তাঁর স্ক্যান করা হয়। এর পর বিশ্রামের পরামর্শ দেওয়া হয়। আয়ুষের জায়গায় ফিল্ডিং করেন সুভেদ পারকর। প্রথম ইনিংসে ৪৮ রান করেছিলেন আয়ুষ।
মুম্বইয়ের অধিনায়ক সিদ্ধেশ লাড জানিয়েছেন, ব্যাট করার সময়েই চোট পেয়েছেন আয়ুষ। তাঁর কথায়, “মনে হচ্ছে কিছু দিন ওকে পাওয়া যাবে না। যে ভাবে খোঁড়াচ্ছিল তাতে দ্বিতীয় বা তৃতীয় ম্যাচেও ওকে পাওয়া মুশকিল। রান নেওয়ার জন্য দৌড়তে গিয়েই চোট পেয়েছে। রঞ্জির আগে আমরা তিন-চারটে ম্যাচ খেলেছি। আয়ুষকে দেখে ভালই লেগেছিল। হঠাৎ করে রান নিতে গিয়ে সমস্যা হয়েছে।”
আরও পড়ুন:
চোট নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বোর্ডের উৎকর্ষ কেন্দ্রের ভূমিকা বার বার প্রশ্নের মুখে পড়ছে। অভিযোগ, ঠিক করে চোটের পর্যালোচনা হচ্ছে না। ক্রিকেটারদের ফিট ঘোষণা করা হচ্ছে। আবার তাঁরা চোট পাচ্ছেন। ভারতীয় দলে হর্ষিত রানা, বরুণ চক্রবর্তীকে নিয়ে এ সমস্যা বার বার দেখা গিয়েছে।