সিরিজ় ইতিমধ্যেই ০-২ হেরেছে পাকিস্তান। প্রাক্তন পাকিস্তান অধিনায়ক ওয়াসিম আক্রম ভবিষ্যদ্বাণীও করে রেখেছেন, ০-৩ হারের। এজবাস্টন টেস্ট আক্রমের কথা সত্যি হওয়ার দিকেই এগোচ্ছে।
প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান ১৩৩ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পরে প্রথম দিনের শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল ১৫৬-৪। সেখান থেকে প্রথম ইনিংসে জো রুটরা তোলেন ৪৫৩ রান। হ্যারি ব্রুক সর্বাধিক ৭৫ রান করেন। মেঘলা আকাশে দ্রুত রান তোলার কৌশল নেয় ইংল্যান্ড। লাঞ্চের পরে জেমি স্মিথ এবং অলি রবিনসন অর্ধশতরান করেন। জফ্রা আর্চার অপরাজিত থাকেন ৩২ রানে। এই সেশনে ইংল্যান্ড ২৫ ওভারে ১৫৪ রান তোলে। আঙুলে চোট নিয়েই স্মিথ ৮৪ বলে ৬৯ রান করেন। তাঁকে ফেরান অভিষেক হওয়া পেসার রেজ়াউল্লা। রবিনসন সাতটি বাউন্ডারি এবং একটি ছক্কার সাহায্যে ৪৭ বলে ৫০ রান করেন। টেস্টে তাঁর দ্বিতীয় অর্ধশতরান। ইংল্যান্ডের শেষ দিকের ব্যাটসম্যানেরা যোগ করেন ১১৬ রান। যার মধ্যে ১৫টি বাউন্ডারি। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে রেজ়াউল্লা ১৪৮ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। মহম্মদ আলি এবং মহম্মদ ইমরান নেন দুটি করে উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। ফিরে যান সাইম আয়ুব এবং আবদুল্লা শফিক। দু’জনকেই ফেরান রবিনসন। বৃষ্টির জন্য কিছুটা আগে শেষ হয়ে যায় এ দিনের খেলা। তখন ১২.৪ ওভারে পাকিস্তানের রান ৫২-২।