অন্তর্বর্তী প্রধান নির্বাচকের ভূমিকায় প্রজ্ঞান ওঝা। মঙ্গলবার গুয়াহাটিতে বৈঠকে বসে জাতীয় নির্বাচক কমিটি। এ দিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না অজিত আগরকর। তাই সবচেয়ে বেশি টেস্ট খেলার নিরিখে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে বলা হয় ওঝাকে। পরবর্তী নতুন চেয়ারম্যান ঠিক না হওয়া পর্যন্ত প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব সামলাতে পারেন প্রাক্তন স্পিনার।
আগামী ৪ অক্টোবর প্রধান নির্বাচক হিসেবে আগরকরের তিন বছরের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজ়ের দল নির্বাচনের পরই তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দিয়ে দেন। বোর্ড কর্তারা নতুন প্রধান নির্বাচকের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেননি। আবার আগরকরকেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেননি। একটা সময় পর্যন্ত শোনা যাচ্ছিল, আগামী বছরের এক দিনের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে আরও এক বছর আগরকরকে দায়িত্বে রেখে দেওয়া হবে। কিন্তু গত কয়েক মাসে আগরকরের একাধিক সিদ্ধান্তে বিতর্ক, অসন্তোষ তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে।
রোহিত শর্মার অবসর নিয়ে বিতর্ক, ক্রিকেটারদের চোট-আঘাত নিয়ে সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণের সঙ্গে মতবিরোধের পর ধীরে চলো নীতি নিয়েছেন বোর্ড কর্তারা। তাঁদের একাংশ বিশ্বকাপের আগে বড় বিতর্ক এড়াতে আগরকরকে আর প্রধান নির্বাচকের পদে চাইছেন না। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার নির্বাচক কমিটির সভায় যোগ দেননি আগরকর।
আরও পড়ুন:
আগরকর না আসলেও তাঁকে বোর্ডের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়নি। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন প্রধান নির্বাচক ঠিক না হওয়া পর্যন্ত কর্তারা প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব ওঝাকে সামলাতে বলতে পারেন। মঙ্গলবারের বৈঠকে তাঁকে চেয়ারম্যান করার মধ্যে সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়েছে। কারণ বর্তমান জাতীয় নির্বাচকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টেস্ট খেলেছেন ওঝাই। সে কারণেই তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন পার্থিব পটেল। সূত্রের খবর, তাঁকে শেষপর্যন্ত পাওয়া না গেলে ওঝাকেই স্থায়ী ভাবে চেয়ারম্যান করা হতে পারে।