আইপিএলের শুরুতেই হোঁচট খেল নতুন জার্সিতে ঝকঝকে সঞ্জীব গোয়েন্কার দল। দিল্লি ক্যাপিটাসলের কাছে ৬ উইকেটে হেরে গেল লখনউ সুপার জায়ান্টস। প্রথমে ব্যাট করে ঋষভ পন্থেরা করেন ১৪১ রান। জবাবে অক্ষর পটেলের দল ১৭.১ ওভারে ৪ উইকেটে করল ১৪৫ রান।
দলের পুঁজি ১৪১ রান। আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এত কম রান নিয়ে লড়াই করা কঠিন। তবু প্রথম বলেই লোকেশ রাহুলকে (০) আউট করে একটা ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন মহম্মদ শামি। তাঁর ধাক্কায় কাজও হয়েছিল। পাথুম নিশঙ্ক (১), নীতীশ রানা (১৫), অক্ষরদের (০) দ্রুত সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে দলকে লড়াইয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন লখনউ সুপার জায়ান্টসের বোলারেরা। কিন্তু ওই কম রানের পুঁজি থাকলে যা হয়! ঘরের মাঠে হেরে গেল ঋষভ পন্থের লখনউ।
জয়ের জন্য ১৪২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নানা দিল্লি ২৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। সেই চাপ থেকে স্বস্তিকর জায়গায় পৌঁছে দেয় সমীর রিজ়ভি এবং স্ট্রিস্টান স্টাবসের জুটি। পঞ্চম উইকেটের জুটিতে তাঁরা তোলেন ১১৯ রান। দিল্লিকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তাঁরা। রিজ়ভি ৪৭ বলে ৭০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেন ৫টি চার এবং ৪টি ছয়েক সাহায্যে। স্টাবস অপরাজিত থাকলেন ৩৯ রানে। তাঁর ৩২ বলের ইনিংসে রয়েছে ৩টি চার এবং ১টি ছয়।
লখনউয়ের সফলতম বোলার প্রিন্স যাদব ২০ রানে ২ উইকেট নিলেন। ১৯ রানে ১ উইকেট মহসিন খানের। শামির ১ উইকেট এল ২৮ রানের বিনিময়। অনরিখ নোখিয়ে, শাহবাজ় আহমেদেরা বল হাতে দাগ কাটতে পারলে না।
মরসুমের প্রথম ম্যাচে জার্সির মতো ঝকঝকে দেখায়নি লখনউয়ের ব্যাটিং। চেনা পিচে দিশাহারা ব্যাটারেরাই দলকে খাদের কিনারায় ঠেলে দেন প্রথম ২০ ওভারে। ভুল হল ১৮.৪ ওভারে। দিল্লির বিরুদ্ধে এর মধ্যেই শেষ যায় লখনউয়ের ইনিংস।
লখনউ অধিনায়কই শুরুতে আউট হন ক্রিকেট শিক্ষার্থীদের মতো ভুল করে। শুরুর সেই ধাক্কাই গোটা ইনিংসে বয়ে বেড়ান লখনউয়ের ব্যাটারেরা। মিচেল মার্শের স্ট্রেট ড্রাইভ মুকেশ কুমারের পায়ে লেগে উইকেট ভেঙে দেয় লখনউ ইনিংসের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে। পন্থ (৭) তখন ক্রিজ়ের ফুট তিনেক বাইরে। বেমক্কা রানআউট হয়ে যান। এর পর থেকে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারায় লখনউ। এডেন মার্করাম (১১), আয়ুষ বাদোনি (০), নিকোলাস পুরানেরা (৮) দলকে ভরসা দিতে পারেননি। চাপের মুখে ২২ গজের এক প্রান্ত আগলে রাখতে পারেননি মার্শও। তবু তিনি ২৮ বলে ৩৫ রান করেছেন ২টি চার এবং ৩টি ছয়ের সাহায্যে। ছয় নম্বরে নেমে কিছুটা লড়াই করেন আব্দুল সামাদ। তিনি করেন ২৫ বলে ৩৬। মারলেন ৩টি চার এবং ১টি ছক্কা।
রান পেলেন না লখনউয়ের পরের ব্যাটারেরাও। মুকুল চৌধরি করেন ১৪। বাংলার শাহবাজ় অপরাজিত থাকেন ১৬ বলে ১৫ রান করে। তিন বোলারকেও ব্যাট হাতে অসহায় দেখাল। মহম্মদ শামি (১), নোখিয়া (০), মহসিন খানদের (০) থেকে কঠিন পরিস্থিতিতে একটু দায়িত্ব নেওয়া উচিত ছিল। এখনকার ক্রিকেটে শুধু বল করলেই হয় না।
আরও পড়ুন:
দিল্লির বোলারদের মধ্যে সফলতম লুঙ্গি এনগিডি ২৭ রানে ৩ উইকেট নিলেন। ২৯ রানে ৩ উইকেট টি নটরাজনের। ৩১ রানে ২ উইকেট নিলেন কুলদীপ যাদব। ১৭ রানে ১ উইকেট অধিনায়ক অক্ষর পটেলের। উইকেট না পেলেও ভাল বল করলেন মুকেশ। ৩ ওভারে বাংলার জোরে বোলার দিলেন ১৭ রান।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- আইপিএলের ফাইনাল ৩১ মে, রবিবার। অহমদাবাদে হবে এ বারের ফাইনাল। নতুন কোনও দল এ বার চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে না।
- ২৮ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা। গত বছর প্রয়াত ১১ সমর্থকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বার হয়নি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
- এখনও পর্যন্ত আইপিএলের গ্রুপ পর্বের ৭০টি ম্যাচের সূচি ঘোষণা হয়েছে। প্রথমে ২০টি ম্যাচের সূচি জানিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। পরে বাকি ৫০টি ম্যাচেরও সূচি ঘোষণা করেছে তারা। তবে প্লে-অফের সূচি এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
-
আইপিএল জিতে বৈভবকে কাছে ডেকে কী বলেছিলেন কোহলি? ৪৩ সেকেন্ডের ভিডিয়োয় অন্দরের কথা ফাঁস
-
গত বছরের পদপিষ্টকাণ্ডের স্মৃতি টাটকা! এ বার কি বেঙ্গালুরুতে বিজয়োল্লাস করবেন কোহলিরা? জানা গেল অন্দরের খবর
-
আইপিএলে ৭০০ রান করতে হবে, মরসুম শুরুর আগে লিখে রেখেছিল বৈভব! পাঁচটি পুরস্কার জেতার পর জানাল সূর্যবংশী
-
টানা দু’বার আইপিএল জয়! জন্মদিনে ধোনি, রোহিতকে ছুঁয়ে পরের লক্ষ্য জানিয়ে দিলেন আরসিবি অধিনায়ক পাটীদার
-
ফাইনাল না খেলেও আইপিএলের সবচেয়ে মূল্যবান ক্রিকেটার বৈভব! কোন নিয়মে সকলকে ছাপিয়ে পুরস্কার পেল সূর্যবংশী