ইংল্যান্ডে গিয়ে টি-টোয়েন্টিতে ভাল খেলার পরেও আফগানিস্তান সিরিজ়ে বৈভব সূর্যবংশীকে বসিয়ে রাখা হয়েছে। খেলানো হচ্ছে সঞ্জু স্যামসনকে। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অর্ধশতরান করে দলকে জেতানোর পর বৈভবকে নিয়ে মুখ খুলেছেন সঞ্জু। জানিয়েছেন, বৈভবের সঙ্গে তাঁর কোনও শত্রুতা নেই। বরং বৈভব যে যোগ্যতা দিয়েই দলে জায়গা আদায় করে নিয়েছে সেটাও মেনে নিয়েছেন সঞ্জু। তিনি তোপ দেগেছেন সমালোচকদেরও।
চলতি সিরিজ়ে ফর্মে থাকা বৈভবকে বসিয়ে তাঁকে খেলানোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল সঞ্জুকে। তিনি বলেন, “ভারতীয় দল চালানো সোজা কাজ নয়। আইপিএলে ১৫ বছরের ছেলেটা ৭০০-৮০০ রান করেছে। এই সিরিজ়ের আগেও ভাল খেলেছিল। ফলে দলে কোনও না কোনও ভাবে ও আসতই। আমিও দু’-তিনটে ম্যাচে ভাল খেলতে পারিনি। বৈভব ফর্মে ছিল। এই সিরিজ়ে দলকে জেতানোর জন্য মুখিয়ে ছিল। তবে নেতৃত্বের দিক থেকে ব্যাপারটা বুঝতে পারছি। আমি নিজেও অধিনায়ক হিসেবে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে কথাবার্তার মাধ্যমে অনেক ভুল বোঝাবুঝি মেটানো যায়।”
সঞ্জুর দাবি, এই সিরিজ়ের আগে গৌতম গম্ভীর নিজে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছিলেন। ফলে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে তাঁর সুবিধা হয়েছে। সঞ্জুর কথায়, “আগেই বলেছি যোগাযোগ খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সিরিজ়ের মাঝেও আমাদের মধ্যে অনেক কথাবার্তা হয়েছে। সিরিজ়ের আগে কোচ আমার সঙ্গে অনেক কথা বলেছেন। কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয়। জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ। নেতৃস্থানীয়েরা দলের কথা ভেবেই কঠিন সিদ্ধান্ত নেন।”
আরও পড়ুন:
প্রথম ম্যাচের পর সঞ্জুকে অনেক সমালোচনা শুনতে হয়েছে। বৈভবকে না খেলানোর দোষ চাপানো হয়েছে তাঁর ঘাড়েই। সঞ্জুর তাতে কোনও সমস্যা নেই। তিনি বলেছেন, “কয়েক বার ব্যর্থতার পর এমন জিনিস হতেই পারে। ভারতের ক্রিকেটার হিসেবে ব্যর্থতার মুখোমুখি হওয়া সহজ নয়। সেখানেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগে। আমি বাইরের আওয়াজ বন্ধ করে দিয়ে আত্মবিশ্বাসী থাকি। মাঠে নেমে বেশি স্ট্রাইক রেটে রান করার চেষ্টা করি। ঝুঁকি নিই। জানি আবার ব্যর্থ হলে সমালোচনা শুনতে হবে। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটে এ ভাবেই আমরা বড় হয়েছি।”