বোর্ডের নির্দেশে দলীপ ট্রফির ফাইনালে খেলতে হচ্ছে তাঁদের। ম্যাচ শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পর যোগ দিতে হবে জাতীয় শিবিরে। বিষয়টি যে কঠিন, তা মেনে নিয়েছেন তিলক বর্মা এবং ঈশান কিশন। তবে এটাও জানিয়েছেন, দলের স্বার্থে এটুকু তাঁদের মানিয়ে নিতেই হবে। কোনও অজুহাত তাঁরা দিতে চান না।
রবিবার থেকে শুরু হওয়া দলীপ ফাইনাল শেষ হবে ১০ সেপ্টেম্বর। এর পর ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ রয়েছে। এত দ্রুত যে নিজেদের বদলে ফেলা কঠিন, তা মেনে নিয়েছেন ভারতের দুই ক্রিকেটার। দু’জনেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ের দলে রয়েছেন।
শনিবার ঈশান বলেন, “কোন ফরম্যাটে খেলছেন সেটা আগে জানতে হবে। টেস্ট ম্যাচ খেলতে খেলতে হঠাৎই অন্য একটা ফরম্যাটে নেমে শুরু থেকে চালাতে হবে। আবার ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরে আপনাকে পুরো আলাদা ভূমিকা পালন করতে হবে। বিষয়টা সমস্যার।”
ঈশানের সুরে সুর মিলিয়ে তিলকও বলেন, “হ্যাঁ, ব্যাপারটা বেশ কঠিন। পাঁচ দিনের একটা ম্যাচ খেলেই ভারতীয় দলে যোগ দিতে হবে। এখান থেকে দিল্লি গিয়ে দু’দিনের বিরতি। ওখানে অনুশীলনও করতে হবে। তাই কাজটা খুব কঠিন।”
কিন্তু দলের স্বার্থে পুরোটাই মানিয়ে নিতে হবে বলেই মত ঈশান এবং তিলকের। তিনি বলেন, “আমরা ঘরোয়া ক্রিকেটে অনেক ম্যাচ খেলেছি। সব পরিবেশে খেলেছি। তাই মানিয়ে নিতে পারব। আমরা জানি কী করে মানসিক এবং শারীরিক পরিবর্তন করতে হয়। আগেও পর পর ঘরোয়া ক্রিকেট এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছি। তাই মানিয়ে নিতে পারব বলেই মনে হয়।” উল্লেখ্য, সেমিফাইনালে জেতার পর তিলক নিজেই ফাইনাল খেলতে চেয়েছিলেন।
আরও পড়ুন:
-
বিশ্বকাপে খেলা ২১ ফুটবলারকে নিয়ে ভারতে আসছে উরুগুয়ে, ফোরলানের দলে রিয়াল মাদ্রিদের ভালভার্দে, লিভারপুলের আরাউখো
-
পাকিস্তানের ক্রিকেটে শুরু ‘সাফাই অভিযান’, নকভির নির্দেশে সরানো হচ্ছে মুখ্য নির্বাচক আকিব-সহ অনেককে
-
টানা তিন বার প্লে-অফ হাতছাড়া, রুতুরাজকে সরিয়ে এখনই সঞ্জুকে অধিনায়ক করার দাবি প্রাক্তন ক্রিকেটারের
মানিয়ে নেওয়ার কথা শোনা গিয়েছে ঈশানের মুখেও। তিনি বলেন, “পেশাদার হিসাবে আমাদের কাজই মানিয়ে নেওয়া। যখন জানি আগামী কয়েক দিনের সূচি এ রকম তখন অজুহাতের জায়গা নেই। তাই অজুহাত দেওয়ার জায়গায় নিজেকে নিয়ে যেতেও চাই না। মনে মনে নিজেকে তৈরি রাখছি যে এর পর টি-টোয়েন্টি খেলতে হবে।”
এ দিকে, বৈভব সূর্যবংশী এখনও পর্যন্ত চার দিনের ম্যাচই খেলেছে। এই প্রথম পাঁচ দিনের ম্যাচ খেলতে নামছে। তাঁকে নিয়ে ঈশান বলেন, “১৫ বছর বয়স বৈভবের। তুলনায় বেশ চালাক। ও জানে কী করতে হবে। আগেও এই পরিস্থিতি কাটিয়েছে। বাকিদের সঙ্গেও কথা বলেছে। তাই চার দিনের ক্রিকেট হোক বা তিন দিন, ওর সমস্যা হবে না। ওর থেকে রান চায় সকলেই।”