Advertisement
E-Paper

‘মুসাফির ক্যাফে’ আছে দার্জিলিং কিংবা কসোলেও, নাম শুধু অন্য! চেনা থাক তেমন ১০ পাহাড়ি গন্তব্য

নেটফ্লিক্সের ‘মুসাফির ক্যাফে’ ওয়েব সিরিজ় পাহাড়ের কোলে সুন্দর একটি ক্যাফেতে যাওয়ার স্বপ্ন উস্কে দিয়েছে। ভারতের নানা প্রান্তের শৈলশহরে এমন অনেক ক্যাফেই রয়েছে। জেনে নিন তা্দের নাম ও ধাম।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ অগস্ট ২০২৬ ১০:৩০
শহুরে জীবনের ক্লান্ত যাপনে ঘুমিয়ে থাকা ছোট্ট একটি স্বপ্নকেই উস্কে দিয়েছে ওয়েব সিরিজ় ‘মুসাফির ক্যাফে’। যে জায়গা প্রকৃতির স্পর্শে মোড়া। যেখানে দু’দণ্ড থমকে যাওয়া যায়।
০১ / ১৮

শহুরে জীবনের ক্লান্ত যাপনে ঘুমিয়ে থাকা ছোট্ট একটি স্বপ্নকেই উস্কে দিয়েছে ওয়েব সিরিজ় ‘মুসাফির ক্যাফে’। যে জায়গা প্রকৃতির স্পর্শে মোড়া। যেখানে দু’দণ্ড থমকে যাওয়া যায়।

গতিময় জীবনে বহু মানুষ মুক্তি খোঁজেন এমন একটি স্থানের কল্পনায়। যেখানে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে নতুন করে বোনা যায় সুখ-দুঃখের গল্প। নিজেকে চেনা যায়, উজাড় করা প্রকৃতির রূপে ডুব দিয়ে।
০২ / ১৮

গতিময় জীবনে বহু মানুষ মুক্তি খোঁজেন এমন একটি স্থানের কল্পনায়। যেখানে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে নতুন করে বোনা যায় সুখ-দুঃখের গল্প। নিজেকে চেনা যায়, উজাড় করা প্রকৃতির রূপে ডুব দিয়ে।

নেটফ্লিক্সের ওয়েব সিরিজ় ‘মুসাফির ক্যাফে’ সেই সব শর্তই পূরণ করেছে। পাহাড়ের কোলে মেঘ-কুয়াশার চাদর। ঘন ধোঁয়াটে পর্দা সরলে দৃষ্টিগোচর হয় আকাশ রাঙিয়ে ডুব দেওয়া সূর্যের নিস্তেজ সৌন্দর্য।
০৩ / ১৮

নেটফ্লিক্সের ওয়েব সিরিজ় ‘মুসাফির ক্যাফে’ সেই সব শর্তই পূরণ করেছে। পাহাড়ের কোলে মেঘ-কুয়াশার চাদর। ঘন ধোঁয়াটে পর্দা সরলে দৃষ্টিগোচর হয় আকাশ রাঙিয়ে ডুব দেওয়া সূর্যের নিস্তেজ সৌন্দর্য।

শান্ত পরিবেশে উন্মুক্ত একটি ছিমছাম ক্যাফে, এমন স্থান মন কাড়বে না, তা-ও কি হয়! পাহাড়ি ক্যাফের সঙ্গে মিলেছে ওয়েব সিরিজ়ের তিন চরিত্র চন্দর, সুধা এবং প্রীতির প্রেমকাহিনি। সিরিজ়ের ‘মুসাফির ক্যাফে’টি বাস্তবে মসূরীর ঝরীপানী ক্যাস্‌ল।
০৪ / ১৮

শান্ত পরিবেশে উন্মুক্ত একটি ছিমছাম ক্যাফে, এমন স্থান মন কাড়বে না, তা-ও কি হয়! পাহাড়ি ক্যাফের সঙ্গে মিলেছে ওয়েব সিরিজ়ের তিন চরিত্র চন্দর, সুধা এবং প্রীতির প্রেমকাহিনি। সিরিজ়ের ‘মুসাফির ক্যাফে’টি বাস্তবে মসূরীর ঝরীপানী ক্যাস্‌ল।

বাস্তবে ‘মুসাফির ক্যাফে’-র মতোই রোম্যান্টিক ক্যাফে আছে দার্জিলিং থেকে দেহরাদূন, কাসোল, উটি, নৈনিতাল-সহ এই দেশেরই নানা শৈলশহরে।
০৫ / ১৮

বাস্তবে ‘মুসাফির ক্যাফে’-র মতোই রোম্যান্টিক ক্যাফে আছে দার্জিলিং থেকে দেহরাদূন, কাসোল, উটি, নৈনিতাল-সহ এই দেশেরই নানা শৈলশহরে।

জীবা ক্যাফে: দেহরাদূনের কিরসালী বুদ্ধচকে পাহাড়ি মনোরম পরিবেশে তৈরি হয়েছে জীবা ক্যাফে। মুসাফির ক্যাফের মতোই এই ক্যাফে-নির্মাতাদের উদ্দেশ্য, পথিক বা পর্যটকেরা যেন এখানে এসে শান্তি পান। ক্ষণিকের জন্য থমকে, হৃদয়ে গেঁথে নিতে পারেন স্মরণীয় মুহূর্ত।
০৬ / ১৮

জীবা ক্যাফে: দেহরাদূনের কিরসালী বুদ্ধচকে পাহাড়ি মনোরম পরিবেশে তৈরি হয়েছে জীবা ক্যাফে। মুসাফির ক্যাফের মতোই এই ক্যাফে-নির্মাতাদের উদ্দেশ্য, পথিক বা পর্যটকেরা যেন এখানে এসে শান্তি পান। ক্ষণিকের জন্য থমকে, হৃদয়ে গেঁথে নিতে পারেন স্মরণীয় মুহূর্ত।

কাঠের ছোট্ট বাড়িতে ক্যাফে। রয়েছে বাগিচাঘেরা উন্মুক্ত বসার জায়গাও। সযত্নে সাজানো গাছগাছালি। বৈভব নয়, তবে শৈল্পিক রুচির ছাপ সর্বত্র।
০৭ / ১৮

কাঠের ছোট্ট বাড়িতে ক্যাফে। রয়েছে বাগিচাঘেরা উন্মুক্ত বসার জায়গাও। সযত্নে সাজানো গাছগাছালি। বৈভব নয়, তবে শৈল্পিক রুচির ছাপ সর্বত্র।

ফিরগুন ক্যাফে: হিমাচল প্রদেশের  কুল্লু জেলার পাহাড়ি গ্রাম শোজা। পর্যটক মহলে ইদানীং এই স্থানের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। এখানেই পাহাড়ের কোলে ফিরগুন ক্যাফে প্রস্তুত পথিকদের স্বাগত জানাতে। এই ক্যাফের উদ্দেশ্যই হল অতিথিদের পারিবারিক উষ্ণতার অনুভূতি দেওয়া।
০৮ / ১৮

ফিরগুন ক্যাফে: হিমাচল প্রদেশের কুল্লু জেলার পাহাড়ি গ্রাম শোজা। পর্যটক মহলে ইদানীং এই স্থানের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। এখানেই পাহাড়ের কোলে ফিরগুন ক্যাফে প্রস্তুত পথিকদের স্বাগত জানাতে। এই ক্যাফের উদ্দেশ্যই হল অতিথিদের পারিবারিক উষ্ণতার অনুভূতি দেওয়া।

ফিরগুন ক্যাফে তৈরির স্বপ্ন এবং উদ্দেশ্য মুসাফির ক্যাফের মতোই। কর্তৃপক্ষ চান, অচেনা মানুষ এখানে এসে অন্য পর্যটক-পথিকদের সঙ্গে পরিচিত হন, প্রকৃতির কোলে নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করুন। এই ক্যাফের চারধারে রয়েছে পাহাড়, মনোরম উপত্যকা।
০৯ / ১৮

ফিরগুন ক্যাফে তৈরির স্বপ্ন এবং উদ্দেশ্য মুসাফির ক্যাফের মতোই। কর্তৃপক্ষ চান, অচেনা মানুষ এখানে এসে অন্য পর্যটক-পথিকদের সঙ্গে পরিচিত হন, প্রকৃতির কোলে নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করুন। এই ক্যাফের চারধারে রয়েছে পাহাড়, মনোরম উপত্যকা।

এটিএস ক্যাফে: হিমাচল প্রদেশের কসোলে পার্বতী নদীর ধারে এটিএস ক্যাফেও হতে পারে স্বপ্নের ঠিকানা। স্রোতস্বিনী বইছে নিজের ছন্দে। ঠিক তার গা ঘেঁষেই আরামদায়ক বসার জায়গা। ধোঁয়া ওঠা চা-কফির সঙ্গে পাহাড়ি খাবারের স্বাদ অভিজ্ঞতাকে স্মরণীয় করে তোলার জন্য যথেষ্ট।
১০ / ১৮

এটিএস ক্যাফে: হিমাচল প্রদেশের কসোলে পার্বতী নদীর ধারে এটিএস ক্যাফেও হতে পারে স্বপ্নের ঠিকানা। স্রোতস্বিনী বইছে নিজের ছন্দে। ঠিক তার গা ঘেঁষেই আরামদায়ক বসার জায়গা। ধোঁয়া ওঠা চা-কফির সঙ্গে পাহাড়ি খাবারের স্বাদ অভিজ্ঞতাকে স্মরণীয় করে তোলার জন্য যথেষ্ট।

আইভি ক্যাফে: মসূরীতেই মিলবে শান্ত পরিবেশে সাজানো বেশ কিছু ক্যাফে। তার মধ্যে জনপ্রিয় হলে আইভি ক্যাফে। ল্যান্ডৌরে রয়েছে সেটি। পাইন বনে ঘেরা উপত্যকা। তার পাশেই ক্যাফেতে চা-কফি, ক্রোসাঁ-সহ পাহাড়ি খাবারও মিলবে এখানে।
১১ / ১৮

আইভি ক্যাফে: মসূরীতেই মিলবে শান্ত পরিবেশে সাজানো বেশ কিছু ক্যাফে। তার মধ্যে জনপ্রিয় হলে আইভি ক্যাফে। ল্যান্ডৌরে রয়েছে সেটি। পাইন বনে ঘেরা উপত্যকা। তার পাশেই ক্যাফেতে চা-কফি, ক্রোসাঁ-সহ পাহাড়ি খাবারও মিলবে এখানে।

অ্যালহিতো ক্যাফে রিসর্ট: উত্তরাখণ্ডের আলমোড়ার অ্যালহিতো ক্যাফেও মন ভাল করে দিতে পারে নিমেষে। এখান থেকে দূরদূরান্ত পর্যন্ত দৃশ্যমান পাহাড়ি সৌন্দর্য। পাহাড়ি ধাপে গাছপালা ঘেরা সুসজ্জিত ক্যাফে। পরিবেশ মনোরম। উন্মুক্ত বসার জায়গা আছে, যেখান থেকে অনেক দূর পর্যন্ত শহর দেখা যায়। পড়ন্ত বিকেলে সূর্যাস্ত ভারি মনোরম দেখায়।
১২ / ১৮

অ্যালহিতো ক্যাফে রিসর্ট: উত্তরাখণ্ডের আলমোড়ার অ্যালহিতো ক্যাফেও মন ভাল করে দিতে পারে নিমেষে। এখান থেকে দূরদূরান্ত পর্যন্ত দৃশ্যমান পাহাড়ি সৌন্দর্য। পাহাড়ি ধাপে গাছপালা ঘেরা সুসজ্জিত ক্যাফে। পরিবেশ মনোরম। উন্মুক্ত বসার জায়গা আছে, যেখান থেকে অনেক দূর পর্যন্ত শহর দেখা যায়। পড়ন্ত বিকেলে সূর্যাস্ত ভারি মনোরম দেখায়।

দ্য চকোলেট রুম: উত্তরাখণ্ডের নৈনিতালের মল রোডে, রোপওয়ের কাছে দ্য চকোলেট রুমের অন্দরসজ্জা প্রথম দর্শনেই মন জয় করে নেবে। নামেই বোঝা যায়, এই ক্যাফে চকোলেটপ্রেমীদের জন্য। হট চকোলেট থেকে চকোলেটের নানা খাবার এখানে জনপ্রিয়।
১৩ / ১৮

দ্য চকোলেট রুম: উত্তরাখণ্ডের নৈনিতালের মল রোডে, রোপওয়ের কাছে দ্য চকোলেট রুমের অন্দরসজ্জা প্রথম দর্শনেই মন জয় করে নেবে। নামেই বোঝা যায়, এই ক্যাফে চকোলেটপ্রেমীদের জন্য। হট চকোলেট থেকে চকোলেটের নানা খাবার এখানে জনপ্রিয়।

লা ভিতা ক্যাফে: হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালার লা ভিতা ক্যাফেটির পরিবেশও বেশ রোম্যান্টিক। মোমো, থুকপা থেকে তিব্বতী নানা খাবার মেলে এখানে। কফিও জনপ্রিয়। গাছগাছালি ঘেরা অন্দরসজ্জা। ক্যাফের ভিতর এবং বাইরে, দুই জায়গাতেই বসার ব্যবস্থা রয়েছে। আছে সুন্দর একটি রুফটপ।
১৪ / ১৮

লা ভিতা ক্যাফে: হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালার লা ভিতা ক্যাফেটির পরিবেশও বেশ রোম্যান্টিক। মোমো, থুকপা থেকে তিব্বতী নানা খাবার মেলে এখানে। কফিও জনপ্রিয়। গাছগাছালি ঘেরা অন্দরসজ্জা। ক্যাফের ভিতর এবং বাইরে, দুই জায়গাতেই বসার ব্যবস্থা রয়েছে। আছে সুন্দর একটি রুফটপ।

মার্গারেট’স ডেক: উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে পাহাড়ি এলাকাগুলিতেও রয়েছে ছবির মতো সব ক্যাফে। কার্শিয়াং মহকুমার টুং স্টেশনের কাছে হিল কার্ট রোডে মার্গারেট’স ডেক তার মধ্যে একটি। এখান থেকে উপত্যকা, চা-বাগিচার মনোরম রূপ চাক্ষুষ করা যায়। খাদের উপর লোহার কাঠামোর উপরে নির্মিত ক্যাফেটিতে একাধিক সিনেমা, সিরিজ়ের শুটিং হয়েছে। এখানে ভাল মানের চা পাওয়া যায়।
১৫ / ১৮

মার্গারেট’স ডেক: উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে পাহাড়ি এলাকাগুলিতেও রয়েছে ছবির মতো সব ক্যাফে। কার্শিয়াং মহকুমার টুং স্টেশনের কাছে হিল কার্ট রোডে মার্গারেট’স ডেক তার মধ্যে একটি। এখান থেকে উপত্যকা, চা-বাগিচার মনোরম রূপ চাক্ষুষ করা যায়। খাদের উপর লোহার কাঠামোর উপরে নির্মিত ক্যাফেটিতে একাধিক সিনেমা, সিরিজ়ের শুটিং হয়েছে। এখানে ভাল মানের চা পাওয়া যায়।

আর্ট ক্যাফে: কালিম্পং শহরে আর্ট ক্যাফে পাহাড়ের কোলে শান্তির ঠিকানা। হস্তশিল্প দিয়ে সুসজ্জিত ক্যাফেটি। উন্মুক্ত স্থানে বসার ব্যবস্থা রয়েছে। মেঘমুক্ত দিনে কাঞ্চনজঙ্ঘা এবং শহরের অনেকখানি দেখা যায় এখান থেকে। মাঝেমধ্যেই লাইভ মিউ‌জ়িক, শিল্প প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়। কফি এবং বেকারি আইটেমের জন্য ক্যাফেটি জনপ্রিয়।
১৬ / ১৮

আর্ট ক্যাফে: কালিম্পং শহরে আর্ট ক্যাফে পাহাড়ের কোলে শান্তির ঠিকানা। হস্তশিল্প দিয়ে সুসজ্জিত ক্যাফেটি। উন্মুক্ত স্থানে বসার ব্যবস্থা রয়েছে। মেঘমুক্ত দিনে কাঞ্চনজঙ্ঘা এবং শহরের অনেকখানি দেখা যায় এখান থেকে। মাঝেমধ্যেই লাইভ মিউ‌জ়িক, শিল্প প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়। কফি এবং বেকারি আইটেমের জন্য ক্যাফেটি জনপ্রিয়।

দার্জিলিং ক্যাফে হাউস: দার্জিলিংয়ের মল রোড থেকে সামান্য দূরে, রাজভবনের কাছেই ‘দার্জিলিং ক্যাফে হাউস’ একটি জনপ্রিয় ক্যাফে। মেঘমুক্ত দিনে এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়।
১৭ / ১৮

দার্জিলিং ক্যাফে হাউস: দার্জিলিংয়ের মল রোড থেকে সামান্য দূরে, রাজভবনের কাছেই ‘দার্জিলিং ক্যাফে হাউস’ একটি জনপ্রিয় ক্যাফে। মেঘমুক্ত দিনে এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়।

উন্মুক্ত স্থানে বসার ব্যবস্থা। দেওয়াল জুড়ে রয়েছে নানা রকম ছবি। রয়েছে বইপত্র পড়ার জন্য আরামদায়ক সোফা। দার্জিলিং টি, ইংলিশ ব্রেকফাস্ট, বেকারি আইটেম এখানে জনপ্রিয়।
১৮ / ১৮

উন্মুক্ত স্থানে বসার ব্যবস্থা। দেওয়াল জুড়ে রয়েছে নানা রকম ছবি। রয়েছে বইপত্র পড়ার জন্য আরামদায়ক সোফা। দার্জিলিং টি, ইংলিশ ব্রেকফাস্ট, বেকারি আইটেম এখানে জনপ্রিয়।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy