Advertisement
E-Paper

ঘুরতে গেলে কাজ করবে না গুগ্‌ল মানচিত্রও! ভারতের একমাত্র ভাসমান গ্রামে ঠিকানা বদলায় মিনিটে মিনিটে

ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলতেই সামনে রাস্তা নয়, শুধু থইথই জল। বাজার যেতে লাগে নৌকা, আর বাড়ির ঠিকানা বদলে যায় মিনিটে মিনিটে। গুগল ম্যাপও যেখানে ফেল! লোকটাক লেকের বুকে ভাসছে ভারতের একমাত্র প্রাকৃতিক ভাসমান গ্রাম।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:২৮
ধরুন ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলেই দেখলেন, সামনে নেই কোনও রাস্তা। শুধুই জল আর জল! বাজার করতে গেলে গাড়ি কিংবা বাইক নয়, নৌকো বার করতে হবে। সন্তানকে যে স্কুলে পাঠাবেন, সেই স্কুলও এক জায়গায় স্থির নয়, ক্রমাগত তার জায়গা বদল করে চলেছে। অবাক লাগলেও এমন জায়গা কিন্তু সত্যিই আছে।
০১ / ১৭

ধরুন ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলেই দেখলেন, সামনে নেই কোনও রাস্তা। শুধুই জল আর জল! বাজার করতে গেলে গাড়ি কিংবা বাইক নয়, নৌকো বার করতে হবে। সন্তানকে যে স্কুলে পাঠাবেন, সেই স্কুলও এক জায়গায় স্থির নয়, ক্রমাগত তার জায়গা বদল করে চলেছে। অবাক লাগলেও এমন জায়গা কিন্তু সত্যিই আছে।

একটি গ্রাম সম্পূর্ণ ভাবে ভাসছে হ্রদের উপর। এই গ্রামে হাঁটাটাও একটা চ্যালেঞ্জ। হাঁটার সময় মাটি ভিতরে ঢুকে যায়, ঠিক যেন স্পঞ্জের মতো। গ্রামটির নাম চম্পু খাংপোক। মণিপুরের বিষ্ণুপুর জেলায় লোকটাক হ্রদের বুকে রয়েছে এই গ্রাম। এটিই ভারতের একমাত্র প্রাকৃতিক ভাসমান গ্রাম। প্রায় ৩০০টিরও বেশি বাঁশের কুঁড়েঘর রয়েছে এই গ্রামে।
০২ / ১৭

একটি গ্রাম সম্পূর্ণ ভাবে ভাসছে হ্রদের উপর। এই গ্রামে হাঁটাটাও একটা চ্যালেঞ্জ। হাঁটার সময় মাটি ভিতরে ঢুকে যায়, ঠিক যেন স্পঞ্জের মতো। গ্রামটির নাম চম্পু খাংপোক। মণিপুরের বিষ্ণুপুর জেলায় লোকটাক হ্রদের বুকে রয়েছে এই গ্রাম। এটিই ভারতের একমাত্র প্রাকৃতিক ভাসমান গ্রাম। প্রায় ৩০০টিরও বেশি বাঁশের কুঁড়েঘর রয়েছে এই গ্রামে।

এই বাড়িগুলিরও কোনও নির্দিষ্ট অবস্থান নেই। মিনিটে মিনিটে বদলে যায় বাড়িগুলির অবস্থান। এখানকার বাসিন্দাদের কোনও স্থায়ী ঠিকানা নেই। কোনও গুগ্‌ল লোকেশন এখানে কাজ করে না। জলের উপরেই বসতি গড়ে তুলেছেন শয়ে শয়ে গ্রামবাসী।
০৩ / ১৭

এই বাড়িগুলিরও কোনও নির্দিষ্ট অবস্থান নেই। মিনিটে মিনিটে বদলে যায় বাড়িগুলির অবস্থান। এখানকার বাসিন্দাদের কোনও স্থায়ী ঠিকানা নেই। কোনও গুগ্‌ল লোকেশন এখানে কাজ করে না। জলের উপরেই বসতি গড়ে তুলেছেন শয়ে শয়ে গ্রামবাসী।

২৫০ বর্গফুটের এই লেক উত্তর ভারতের সবচেয়ে বড় মিষ্টি জলের হ্রদ। বর্ষার মরসুমে এই হ্রদ ৫০০ বর্গফুট জুড়ে বিস্তৃত হয়ে যায়। তবে এই লেকের বিশেষ আকর্ষণ হল 'ফুমদি' অর্থাৎ ভাসমান ঘাসের হ্রদ। ফুমদির ২০ শতাংশ ভাগ থাকে জলের উপর, বাকিটা জলের নীচে ডুবে থাকে।
০৪ / ১৭

২৫০ বর্গফুটের এই লেক উত্তর ভারতের সবচেয়ে বড় মিষ্টি জলের হ্রদ। বর্ষার মরসুমে এই হ্রদ ৫০০ বর্গফুট জুড়ে বিস্তৃত হয়ে যায়। তবে এই লেকের বিশেষ আকর্ষণ হল 'ফুমদি' অর্থাৎ ভাসমান ঘাসের হ্রদ। ফুমদির ২০ শতাংশ ভাগ থাকে জলের উপর, বাকিটা জলের নীচে ডুবে থাকে।

ফুমদি সাধারণত প্রাকৃতিক ভাবেই তৈরি হয়, এর নির্দিষ্ট কোনও আকার থাকে না। তবে এই হ্রদ জুড়ে বেশ বড় মাপের ফুমদির রিং বা বলয় লক্ষ করা যায়, যা গ্রামবাসীরা নিজের হাতেই তৈরি করেছে্ন। ফুমদির বলয়গুলি তৈরি করায় গ্রামবাসীদের মাছ ধরতে সুবিধা হয়। এগুলিকে বলা হয় 'আত্থাপম'।
০৫ / ১৭

ফুমদি সাধারণত প্রাকৃতিক ভাবেই তৈরি হয়, এর নির্দিষ্ট কোনও আকার থাকে না। তবে এই হ্রদ জুড়ে বেশ বড় মাপের ফুমদির রিং বা বলয় লক্ষ করা যায়, যা গ্রামবাসীরা নিজের হাতেই তৈরি করেছে্ন। ফুমদির বলয়গুলি তৈরি করায় গ্রামবাসীদের মাছ ধরতে সুবিধা হয়। এগুলিকে বলা হয় 'আত্থাপম'।

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, ফুমদি জলের উপরে কী ভাবে ভাসে? ফুমদি হল এক ধরনের ভাসমান প্রাকৃতিক ম্যাট বা চাটাই। এগুলি মূলত গাছপালা, মাটি ও জৈব পদার্থ দিয়ে তৈরি হয়। এগুলির মাঝে প্রাকৃতিক ভাবেই কিছু বাতাসের পকেট তৈরি হয়, যার ফলে ফুমদিগুলি জলের উপর ভাসতে থাকে।
০৬ / ১৭

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, ফুমদি জলের উপরে কী ভাবে ভাসে? ফুমদি হল এক ধরনের ভাসমান প্রাকৃতিক ম্যাট বা চাটাই। এগুলি মূলত গাছপালা, মাটি ও জৈব পদার্থ দিয়ে তৈরি হয়। এগুলির মাঝে প্রাকৃতিক ভাবেই কিছু বাতাসের পকেট তৈরি হয়, যার ফলে ফুমদিগুলি জলের উপর ভাসতে থাকে।

ফুমদির উপর তৈরি বাড়িগুলিকে স্থানীয় ভাষায় 'খাংপোক' বা 'ফুমশাং' বলে। বাঁশের উপর কাঠের পাটাতন পেতে বাড়িগুলি তৈরি হয়। বাড়িগুলি বাঁশের খুঁটি দিয়ে নোঙর করা থাকে। কয়েক বছর পর পর বাড়িগুলির ভিত মজবুত করতে হয়।
০৭ / ১৭

ফুমদির উপর তৈরি বাড়িগুলিকে স্থানীয় ভাষায় 'খাংপোক' বা 'ফুমশাং' বলে। বাঁশের উপর কাঠের পাটাতন পেতে বাড়িগুলি তৈরি হয়। বাড়িগুলি বাঁশের খুঁটি দিয়ে নোঙর করা থাকে। কয়েক বছর পর পর বাড়িগুলির ভিত মজবুত করতে হয়।

বর্ষায় জল বাড়লে ঘর সমেত ফুমদির জমি উপরে উঠে যায়, অন্য সময় আবার নেমে আসে। এই গ্রামে এখনও পৌঁছোয়নি বিদ্যুৎ, নেই কোনও পাইপলাইন। তবে সোলার প্লেট আর ব্যাটারি দিয়ে গ্রামবাসীরা নিজেরাই বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেছেন। গ্রামবাসীদের যোগাযোগের মাধ্যম হল ডিঙি, ভেলা কিংবা ছোট নৌকো।
০৮ / ১৭

বর্ষায় জল বাড়লে ঘর সমেত ফুমদির জমি উপরে উঠে যায়, অন্য সময় আবার নেমে আসে। এই গ্রামে এখনও পৌঁছোয়নি বিদ্যুৎ, নেই কোনও পাইপলাইন। তবে সোলার প্লেট আর ব্যাটারি দিয়ে গ্রামবাসীরা নিজেরাই বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেছেন। গ্রামবাসীদের যোগাযোগের মাধ্যম হল ডিঙি, ভেলা কিংবা ছোট নৌকো।

এই গ্রামের মানুষ লেকের জলই পান করেন, সেই জলেই রান্না করেন। বালতিভর্তি জলে ফটকিরি মিশিয়ে দিয়ে সেই জলকে বিশুদ্ধ করে তবেই ব্যবহার করা হয়। এঁদের ঘরের সঙ্গে লাগোয়া শৌচাগারও থাকে। তবে শৌচাগারের কারণে যাতে লেকের জল নোংরা না হয়, সে ব্যবস্থাও করেছেন গ্রামবাসীরা।
০৯ / ১৭

এই গ্রামের মানুষ লেকের জলই পান করেন, সেই জলেই রান্না করেন। বালতিভর্তি জলে ফটকিরি মিশিয়ে দিয়ে সেই জলকে বিশুদ্ধ করে তবেই ব্যবহার করা হয়। এঁদের ঘরের সঙ্গে লাগোয়া শৌচাগারও থাকে। তবে শৌচাগারের কারণে যাতে লেকের জল নোংরা না হয়, সে ব্যবস্থাও করেছেন গ্রামবাসীরা।

এখানকার গ্রামবাসীদের মূল জীবিকাই হল মৎস্যচাষ। সকালে নৌকায় চড়ে এঁরা মাছ ধরতে যান, বিকেলে ফিরে আসেন। এঁদের জীবন আপাতদৃষ্টিতে খুবই সহজ ও সরল মনে হলেও, আদতে না নয়। ভাসমান ফুমদিতে থাকার কারণে, তাঁদের কোনও স্থায়ী ঠিকানা থাকে না। মরসুম বদলের সময়, জোরে হাওয়া বইলে কিংবা হ্রদে জলের পরিমাণ বেড়ে গেলেই বদলে যায় তাঁদের ঠিকানা।
১০ / ১৭

এখানকার গ্রামবাসীদের মূল জীবিকাই হল মৎস্যচাষ। সকালে নৌকায় চড়ে এঁরা মাছ ধরতে যান, বিকেলে ফিরে আসেন। এঁদের জীবন আপাতদৃষ্টিতে খুবই সহজ ও সরল মনে হলেও, আদতে না নয়। ভাসমান ফুমদিতে থাকার কারণে, তাঁদের কোনও স্থায়ী ঠিকানা থাকে না। মরসুম বদলের সময়, জোরে হাওয়া বইলে কিংবা হ্রদে জলের পরিমাণ বেড়ে গেলেই বদলে যায় তাঁদের ঠিকানা।

এই লেকে রয়েছে একটি জাতীয় উদ্যানও। এর নাম কেইবুল লামজাও জাতীয় উদ্যান। ৪০ বর্গফুটের ফুমদির উপর তৈরি পৃথিবীর প্রথম ভাসমান জাতীয় উদ্যান। এই উদ্যানে সাধারণের প্রবেশের অনুমতি নেই, তবে ভ্রমণার্থীরা দূর থেকে এই উদ্যান দেখতে পারেন। এই উদ্যানে অনেক জীবজন্তুর বাস হলেও এখানকার সানগাই হরিণ বিশেষ আকর্ষণের। এই সুন্দর দেখতে হরিণের প্রজাতির দেখা অন্য কোথাও মেলে না। এগুলি ভাসমান ফুমদির উপর হাঁটলে মনে হয়, যেন তারা নাচছে। তাই এদের ‘ডান্সিং ডিয়ার’ও বলা হয়।
১১ / ১৭

এই লেকে রয়েছে একটি জাতীয় উদ্যানও। এর নাম কেইবুল লামজাও জাতীয় উদ্যান। ৪০ বর্গফুটের ফুমদির উপর তৈরি পৃথিবীর প্রথম ভাসমান জাতীয় উদ্যান। এই উদ্যানে সাধারণের প্রবেশের অনুমতি নেই, তবে ভ্রমণার্থীরা দূর থেকে এই উদ্যান দেখতে পারেন। এই উদ্যানে অনেক জীবজন্তুর বাস হলেও এখানকার সানগাই হরিণ বিশেষ আকর্ষণের। এই সুন্দর দেখতে হরিণের প্রজাতির দেখা অন্য কোথাও মেলে না। এগুলি ভাসমান ফুমদির উপর হাঁটলে মনে হয়, যেন তারা নাচছে। তাই এদের ‘ডান্সিং ডিয়ার’ও বলা হয়।

১৯৮৩ সালে লোকটাক লেকের উপর একটি বাঁধ তৈরি করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জলের গতিকে নিয়ন্ত্রণ করা। আগে জল কম থাকলে ভাসমান ফুমদিগুলি লেকের একেবারে নীচের স্তরে চলে গিয়ে সেখান থেকে নিজেদের পুষ্ট করত। পরে জল বাড়লে সেগুলি আবার উপরে ভেসে উঠত। কিন্তু বাঁধ তৈরির পর লেকের জল একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় প্রায় স্থির থাকে। তাই এখন ফুমদিগুলি সে ভাবে নীচের জমি স্পর্শই করতে পারে না, ফলে অনেক ফুমদিই ভিতর থেকে দুর্বল হয়ে পড়ছে। কিছু ডুবেও যাচ্ছে। ডুবে যাওয়ার অশঙ্কা রয়েছে ফুমদির উপরে তৈরি বাড়িগুলিরও। তবে ফুমদিগুলির অস্তিত্ব না থাকলে সানগাই হরিণের অস্তিত্বও সঙ্কটের মুখে পড়বে।
১২ / ১৭

১৯৮৩ সালে লোকটাক লেকের উপর একটি বাঁধ তৈরি করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জলের গতিকে নিয়ন্ত্রণ করা। আগে জল কম থাকলে ভাসমান ফুমদিগুলি লেকের একেবারে নীচের স্তরে চলে গিয়ে সেখান থেকে নিজেদের পুষ্ট করত। পরে জল বাড়লে সেগুলি আবার উপরে ভেসে উঠত। কিন্তু বাঁধ তৈরির পর লেকের জল একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় প্রায় স্থির থাকে। তাই এখন ফুমদিগুলি সে ভাবে নীচের জমি স্পর্শই করতে পারে না, ফলে অনেক ফুমদিই ভিতর থেকে দুর্বল হয়ে পড়ছে। কিছু ডুবেও যাচ্ছে। ডুবে যাওয়ার অশঙ্কা রয়েছে ফুমদির উপরে তৈরি বাড়িগুলিরও। তবে ফুমদিগুলির অস্তিত্ব না থাকলে সানগাই হরিণের অস্তিত্বও সঙ্কটের মুখে পড়বে।

এই লেকের কাছেই আছে মণিপুরের সবচেয়ে বড় মহিলা পরিচালিত বাজার। এই বাজারে হাজার হাজার মহিলা ব্যবসায়ী ফল, ফুল, মাছ, সব্জি, পুজোর সামগ্রী, রান্নার সামগ্রী, সাজের সামগ্রী বিক্রি করেন। গ্রামবাসীরা কখনও কখনও এই বাজারে এসেও কেনাকাটা করেন।
১৩ / ১৭

এই লেকের কাছেই আছে মণিপুরের সবচেয়ে বড় মহিলা পরিচালিত বাজার। এই বাজারে হাজার হাজার মহিলা ব্যবসায়ী ফল, ফুল, মাছ, সব্জি, পুজোর সামগ্রী, রান্নার সামগ্রী, সাজের সামগ্রী বিক্রি করেন। গ্রামবাসীরা কখনও কখনও এই বাজারে এসেও কেনাকাটা করেন।

বছরের পাঁচ দিন এই গ্রামে চলে হোলি উৎসব। তখন লেকের ধারে মেলা বসে। গ্রামবাসীরা পাঁচ দিন ধরে হোলি খেলেন। মেলায় আনন্দ করেন। এটাই তাঁদের প্রধান উৎসব।
১৪ / ১৭

বছরের পাঁচ দিন এই গ্রামে চলে হোলি উৎসব। তখন লেকের ধারে মেলা বসে। গ্রামবাসীরা পাঁচ দিন ধরে হোলি খেলেন। মেলায় আনন্দ করেন। এটাই তাঁদের প্রধান উৎসব।

কলকাতা থেকে ইম্ফল যাওয়ার সরাসরি বিমান আছে, প্রায় ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট  সময় লাগে। ট্রেনে যেতে চাইলে ডিমাপুর বা গুয়াহাটি হয়ে বাসে ইম্ফল আসতে হবে। ইম্ফল থেকে লোকটাক লেকের দূরত্ব প্রায় ৪৮ কিলোমিটার। শেয়ার অটো বা প্রাইভেট গাড়িতে করে এই লেকের ধার পর্যন্ত চলে যেতে পারেন।
১৫ / ১৭

কলকাতা থেকে ইম্ফল যাওয়ার সরাসরি বিমান আছে, প্রায় ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট সময় লাগে। ট্রেনে যেতে চাইলে ডিমাপুর বা গুয়াহাটি হয়ে বাসে ইম্ফল আসতে হবে। ইম্ফল থেকে লোকটাক লেকের দূরত্ব প্রায় ৪৮ কিলোমিটার। শেয়ার অটো বা প্রাইভেট গাড়িতে করে এই লেকের ধার পর্যন্ত চলে যেতে পারেন।

লোকটাকের তীরে থাঙ্গা, করাং, সেন্দ্রা প্রভৃতি ঘাট আছে। সেখান থেকে ডিঙিনৌকা ভাড়া করতে হবে। চম্পু খাংপোক যেতে নৌকায় ৩০-৪০ মিনিট সময় লাগে। নৌকাভাড়া ৫০০-৮০০ টাকা।
১৬ / ১৭

লোকটাকের তীরে থাঙ্গা, করাং, সেন্দ্রা প্রভৃতি ঘাট আছে। সেখান থেকে ডিঙিনৌকা ভাড়া করতে হবে। চম্পু খাংপোক যেতে নৌকায় ৩০-৪০ মিনিট সময় লাগে। নৌকাভাড়া ৫০০-৮০০ টাকা।

থাকবেন কোথায়? সেন্দ্রা পার্কের ট্যুরিস্ট রিসর্ট থেকে লেকের সেরা ভিউ পাবেন। মোইরাং-এও হোমস্টে ও লজ আছে, ১০০০-১৫০০ টাকায় সেগুলিও ভাড়া নিতে পারেন। গ্রামে রাত্রিবাসের অনুমতি নেই, দিনের বেলাতেই ঘুরে আসতে হবে।
১৭ / ১৭

থাকবেন কোথায়? সেন্দ্রা পার্কের ট্যুরিস্ট রিসর্ট থেকে লেকের সেরা ভিউ পাবেন। মোইরাং-এও হোমস্টে ও লজ আছে, ১০০০-১৫০০ টাকায় সেগুলিও ভাড়া নিতে পারেন। গ্রামে রাত্রিবাসের অনুমতি নেই, দিনের বেলাতেই ঘুরে আসতে হবে।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy