Advertisement
E-Paper

রাজার হালে থাকা-খাওয়া, সঙ্গে ঠাকুর দেখা, দুর্গাপুজোয় দু’দিন কাটুক রাজরাজড়ার বাড়িতেই

পুজোয় রাজারানির মতোই ঠাটেবাটে সময় কাটাতে চান? গাঁটের কড়ি খসালে থাকতে পারেন রাজার বাড়িতেই। যোগ দিতে পারেন সেই বাড়ির দুর্গাপুজোতেও। কোথায় কোথায় মিলবে এমন সুযোগ?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৫৭
রাজা নেই, রাজ্যপাট নেই। ‘কিন্তু মেজাজটাই তো আসল রাজা’…! দুর্গাপুজোর দু’টি  দিনে আপনিও হতে পারেন রাজা কিংবা রানি!  পেতে পারেন রাজকীয় বৈভব। কাঁসার থালায় থরে থরে সাজানো রাজকীয় ভোজ সেরে, সুগন্ধি পান চিবোতে চিবোতে নরম গদির পালঙ্কে শুয়ে দিবানিদ্রা যেতে পারেন।
০১ / ১৬

রাজা নেই, রাজ্যপাট নেই। ‘কিন্তু মেজাজটাই তো আসল রাজা’…! দুর্গাপুজোর দু’টি দিনে আপনিও হতে পারেন রাজা কিংবা রানি! পেতে পারেন রাজকীয় বৈভব। কাঁসার থালায় থরে থরে সাজানো রাজকীয় ভোজ সেরে, সুগন্ধি পান চিবোতে চিবোতে নরম গদির পালঙ্কে শুয়ে দিবানিদ্রা যেতে পারেন।

জমিদারি, রাজ্যপাট না থাক, অতীতের সাক্ষ্য বহন করে রয়ে গিয়েছে  কিছু রাজবাড়ি। সেইসব রাজবাড়ি, জমিদারবাড়ির কোনওটি হোমস্টে, কোনওটি হোটেল। ঐতিহ্য মেনেই দুর্গাপুজোও হয়।  একটু অন্য ভাবে পুজো কাটাতে চাইলে চলুন এমন জায়গায়, যেখানে মিলবে রাজার হালে থাকার সুযোগ। শতাব্দীপ্রাচীন দুর্গাপুজোও উপভোগ করতে পারবেন।
০২ / ১৬

জমিদারি, রাজ্যপাট না থাক, অতীতের সাক্ষ্য বহন করে রয়ে গিয়েছে কিছু রাজবাড়ি। সেইসব রাজবাড়ি, জমিদারবাড়ির কোনওটি হোমস্টে, কোনওটি হোটেল। ঐতিহ্য মেনেই দুর্গাপুজোও হয়। একটু অন্য ভাবে পুজো কাটাতে চাইলে চলুন এমন জায়গায়, যেখানে মিলবে রাজার হালে থাকার সুযোগ। শতাব্দীপ্রাচীন দুর্গাপুজোও উপভোগ করতে পারবেন।

মহিষাদল রাজবাড়ি: বাংলা  সিনেমা, সিরিজ়ের সুবাদে অনেকেই হয়তো  পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল রাজবাড়ি দেখে থাকবেন। ‘দত্তা’, ‘অরুন্ধতী’-সহ একাধিক ছবির শুটিং হয়েছে এই বাড়িতে। মহিষাদল রাজবাড়ির একাংশে রয়েছে সংগ্রহশালা, একাংশে পর্যটকদের থাকতেও দেওয়া হচ্ছে।
০৩ / ১৬

মহিষাদল রাজবাড়ি: বাংলা সিনেমা, সিরিজ়ের সুবাদে অনেকেই হয়তো পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল রাজবাড়ি দেখে থাকবেন। ‘দত্তা’, ‘অরুন্ধতী’-সহ একাধিক ছবির শুটিং হয়েছে এই বাড়িতে। মহিষাদল রাজবাড়ির একাংশে রয়েছে সংগ্রহশালা, একাংশে পর্যটকদের থাকতেও দেওয়া হচ্ছে।

 রাজবাড়ির মূল অংশ ফুলবাগ প্যালেসের কয়েকটি ঘরে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। কাঠের পালঙ্ক, পুরনো রাজকীয় আসবাবপত্রে সজ্জিত ঘর। রাজকীয় আমেজে থাকা এবং খাওয়ার সুযোগও মেলে এখানে। অতিথিকে কাঁসার থালায় পঞ্চব্যঞ্জন পরিবেশন করা হয়। অনলাইনে ঘর বুক করা যায়।
০৪ / ১৬

রাজবাড়ির মূল অংশ ফুলবাগ প্যালেসের কয়েকটি ঘরে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। কাঠের পালঙ্ক, পুরনো রাজকীয় আসবাবপত্রে সজ্জিত ঘর। রাজকীয় আমেজে থাকা এবং খাওয়ার সুযোগও মেলে এখানে। অতিথিকে কাঁসার থালায় পঞ্চব্যঞ্জন পরিবেশন করা হয়। অনলাইনে ঘর বুক করা যায়।

প্রায় আড়াইশো বছর আগে মহিষাদলের রানি জানকীর আমলে দুর্গাপুজো শুরু হয়েছিল। জৌলুস কমলেও, এখনও দূরদূরান্ত থেকে ঠাকুর দেখার জন্য ভিড় হয়।
০৫ / ১৬

প্রায় আড়াইশো বছর আগে মহিষাদলের রানি জানকীর আমলে দুর্গাপুজো শুরু হয়েছিল। জৌলুস কমলেও, এখনও দূরদূরান্ত থেকে ঠাকুর দেখার জন্য ভিড় হয়।

মহিষাদল রাজবাড়ি ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য গাইডেড ট্যুরের ব্যবস্থাও থাকে। রাজবাড়ি চত্বরেই একাধিক মন্দির রয়েছে। পুজো হয় সেখানেই। ঘুরে আসতে পারেন  কাছেই রূপনারায়ণের পারে।
০৬ / ১৬

মহিষাদল রাজবাড়ি ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য গাইডেড ট্যুরের ব্যবস্থাও থাকে। রাজবাড়ি চত্বরেই একাধিক মন্দির রয়েছে। পুজো হয় সেখানেই। ঘুরে আসতে পারেন কাছেই রূপনারায়ণের পারে।

কাশিমবাজার রাজবাড়ি: বয়সের ছাপে জরাজীর্ণ নয়, বরং একনজরে মুর্শিদাবাদের কাশিমবাজার রাজবাড়ি দেখলে বেশ নতুন এবং ঝকঝকেই মনে হবে। ইউরোপীয় এবং ভারতীয় স্থাপত্যরীতির মেলবন্ধনে তৈরি রাজবাড়িটি বেশ প্রাচীন।
০৭ / ১৬

কাশিমবাজার রাজবাড়ি: বয়সের ছাপে জরাজীর্ণ নয়, বরং একনজরে মুর্শিদাবাদের কাশিমবাজার রাজবাড়ি দেখলে বেশ নতুন এবং ঝকঝকেই মনে হবে। ইউরোপীয় এবং ভারতীয় স্থাপত্যরীতির মেলবন্ধনে তৈরি রাজবাড়িটি বেশ প্রাচীন।

রাজবাড়ির মূল অংশটিকে অক্ষুণ্ণ রেখে গড়ে তোলা হয়েছে ‘হেরিটেজ স্টে’। রাজবাড়ির অন্দরের একাংশের বেশ কিছু ঘরে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পালঙ্ক, ভিক্টোরিয়ান আমলের ড্রেসিং টেবিল, কাঠের কারুকাজ করা ঐতিহ্যবাহী আসবাবে সজ্জিত ঘরে থাকলে রাজরাজড়ার মতোই অনুভূতি হবে। কাঁসার বাসনে বাঙালি খাবার পরিবেশন করা হয় অতিথিদের।
০৮ / ১৬

রাজবাড়ির মূল অংশটিকে অক্ষুণ্ণ রেখে গড়ে তোলা হয়েছে ‘হেরিটেজ স্টে’। রাজবাড়ির অন্দরের একাংশের বেশ কিছু ঘরে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পালঙ্ক, ভিক্টোরিয়ান আমলের ড্রেসিং টেবিল, কাঠের কারুকাজ করা ঐতিহ্যবাহী আসবাবে সজ্জিত ঘরে থাকলে রাজরাজড়ার মতোই অনুভূতি হবে। কাঁসার বাসনে বাঙালি খাবার পরিবেশন করা হয় অতিথিদের।

অযোধ্যারাম রায়ের হাত ধরে শুরু হওয়া  দুর্গাপুজো ৩০০ বছরেরও পুরনো। রাজবাড়ির ঠাকুরদালানে সাত জন পুরোহিত পুজো করেন পারিবারিক প্রথা মেনে। বাড়ির বধূরাই এই পুজো পরিচালনা করেন।
০৯ / ১৬

অযোধ্যারাম রায়ের হাত ধরে শুরু হওয়া দুর্গাপুজো ৩০০ বছরেরও পুরনো। রাজবাড়ির ঠাকুরদালানে সাত জন পুরোহিত পুজো করেন পারিবারিক প্রথা মেনে। বাড়ির বধূরাই এই পুজো পরিচালনা করেন।

কাশিমবাজার রাজবাড়িতে থেকে পুজো দেখার পাশাপাশি আশপাশ ঘুরেও নিতে পারেন। কাশিমবাজার রাজবাড়ির পাশেই আছে ছোট রাজবাড়ি। বহরমপুর এবং লালবাগও কাছেই। হাজারদুয়ারি, ইমামবাড়া, কাঠগোলা বাগানবাড়ি, জগৎশেঠের বাড়ি-সহ আশপাশের একাধিক দর্শনীয় স্থান ঘুরে নিতে পারেন।
১০ / ১৬

কাশিমবাজার রাজবাড়িতে থেকে পুজো দেখার পাশাপাশি আশপাশ ঘুরেও নিতে পারেন। কাশিমবাজার রাজবাড়ির পাশেই আছে ছোট রাজবাড়ি। বহরমপুর এবং লালবাগও কাছেই। হাজারদুয়ারি, ইমামবাড়া, কাঠগোলা বাগানবাড়ি, জগৎশেঠের বাড়ি-সহ আশপাশের একাধিক দর্শনীয় স্থান ঘুরে নিতে পারেন।

আমাদপুর রাজবাড়ি: পূর্ব বর্ধমানের মেমারির কাছে রয়েছে আমাদপুর রাজবাড়ি। এটি আসলে চৌধুরীদের জমিদারবাড়ি। এই বাড়ির একাংশে তৈরি হয়েছে হোমস্টে। ৩টি ঘর রয়েছে, সেখানে রয়েছে জমিদারবাড়িরই পুরনো সব আসবাব। মেহগনি কাঠের খাট থেকে নকশাদার টেবিল, চেয়ার।
১১ / ১৬

আমাদপুর রাজবাড়ি: পূর্ব বর্ধমানের মেমারির কাছে রয়েছে আমাদপুর রাজবাড়ি। এটি আসলে চৌধুরীদের জমিদারবাড়ি। এই বাড়ির একাংশে তৈরি হয়েছে হোমস্টে। ৩টি ঘর রয়েছে, সেখানে রয়েছে জমিদারবাড়িরই পুরনো সব আসবাব। মেহগনি কাঠের খাট থেকে নকশাদার টেবিল, চেয়ার।

চৌধুরী বাড়ির ঠিক পাশেই রয়েছে শতাব্দীপ্রাচীন ‘দুর্গাবাড়ি’ বা ‘দুর্গামঞ্চ’। প্রায় সাড়ে ৩০০ বছরের  পুরনো এখানকার পুজো। পুজোর সময় এখানে থাকলে পরিবারের সঙ্গেই দুর্গাপুজোর শরিক হতে পারবেন পর্যটকেরা।
১২ / ১৬

চৌধুরী বাড়ির ঠিক পাশেই রয়েছে শতাব্দীপ্রাচীন ‘দুর্গাবাড়ি’ বা ‘দুর্গামঞ্চ’। প্রায় সাড়ে ৩০০ বছরের পুরনো এখানকার পুজো। পুজোর সময় এখানে থাকলে পরিবারের সঙ্গেই দুর্গাপুজোর শরিক হতে পারবেন পর্যটকেরা।

পঁচেটগড় রাজবাড়ি: পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর ২ নম্বর ব্লকে রয়েছে পঁচেটগড় রাজবাড়ি।  দাস মহাপাত্র পরিবারের প্রাসাদোপম সাদা ভবনটির দ্বারও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত। রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শোনা যায়, এই পরিবারের পূর্বপুরুষ ছিলেন বিখ্যাত সেতারবাদক। প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ যদুনাথ ভট্টাচার্যেরও এই বাড়িতে যাতায়াত ছিল। জলসাঘরে সেতার ও যদুভট্টের এসরাজ এবং গানের খাতা এখনও ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে।
১৩ / ১৬

পঁচেটগড় রাজবাড়ি: পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর ২ নম্বর ব্লকে রয়েছে পঁচেটগড় রাজবাড়ি। দাস মহাপাত্র পরিবারের প্রাসাদোপম সাদা ভবনটির দ্বারও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত। রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শোনা যায়, এই পরিবারের পূর্বপুরুষ ছিলেন বিখ্যাত সেতারবাদক। প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ যদুনাথ ভট্টাচার্যেরও এই বাড়িতে যাতায়াত ছিল। জলসাঘরে সেতার ও যদুভট্টের এসরাজ এবং গানের খাতা এখনও ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে।

বাড়ির ঠাকুরদালানে প্রতি বছর দুর্গাপুজো হয়। কেউ কেউ বলেন, এখানকার পুজো নাকি ৫০০ বছরের পুরনো। মূর্তি নয়, পটের দুর্গার পুজো হয় এখানে। রাজবাড়ির পুজোয় এলাকার লোকজনেরও অবাধ প্রবেশ থাকে।
১৪ / ১৬

বাড়ির ঠাকুরদালানে প্রতি বছর দুর্গাপুজো হয়। কেউ কেউ বলেন, এখানকার পুজো নাকি ৫০০ বছরের পুরনো। মূর্তি নয়, পটের দুর্গার পুজো হয় এখানে। রাজবাড়ির পুজোয় এলাকার লোকজনেরও অবাধ প্রবেশ থাকে।

বাওয়ালি রাজবাড়ি: দক্ষিণ ২৪ পরগনার উত্তর বাওয়ালিতে রয়েছে বাওয়ালি রাজবাড়ি। গত কয়েক বছরে অবশ্য বৈভবপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী রাজকীয় রিসর্ট হিসেবেই তা পরিচিতি পেয়েছে।  বাওয়ালির মণ্ডল পরিবার এই রাজবাড়ি এবং সংলগ্ন মন্দির তৈরি করিয়েছিল।
১৫ / ১৬

বাওয়ালি রাজবাড়ি: দক্ষিণ ২৪ পরগনার উত্তর বাওয়ালিতে রয়েছে বাওয়ালি রাজবাড়ি। গত কয়েক বছরে অবশ্য বৈভবপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী রাজকীয় রিসর্ট হিসেবেই তা পরিচিতি পেয়েছে। বাওয়ালির মণ্ডল পরিবার এই রাজবাড়ি এবং সংলগ্ন মন্দির তৈরি করিয়েছিল।

বাওয়ালি রাজবাড়ির দুর্গাপুজো ৩০০ বছরেরও পুরনো। বিশাল ঠাকুরদালান রয়েছে। পারিবারিক ঐতিহ্য মেনেই ঘটা করে পুজোর আয়োজন হয়। নিয়ম মেনে ভোগ নিবেদন করা হয়। রাজবাড়িতে থাকলে যেমন পুজোয় যোগ দেওয়া যায়, তেমনই ডে আউটিং-এরও ব্যবস্থা থাকে।
১৬ / ১৬

বাওয়ালি রাজবাড়ির দুর্গাপুজো ৩০০ বছরেরও পুরনো। বিশাল ঠাকুরদালান রয়েছে। পারিবারিক ঐতিহ্য মেনেই ঘটা করে পুজোর আয়োজন হয়। নিয়ম মেনে ভোগ নিবেদন করা হয়। রাজবাড়িতে থাকলে যেমন পুজোয় যোগ দেওয়া যায়, তেমনই ডে আউটিং-এরও ব্যবস্থা থাকে।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy