E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

যেন স্বপ্নের মতো, বলছেন ঈষা ও সৌম্যা

রবিবার দিল্লিতে একটি হোটেলে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩০ জন পড়ুয়ার সঙ্গে বাজেট পরবর্তী আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন নির্মলা। উপলক্ষ, চলতি বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট কী ভাবে দেশের তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা, ভাবনা এবং শক্তির উপরে ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৩২
পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপচারিতায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপচারিতায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। — নিজস্ব চিত্র।

‘‘আপনার যখন ১৯ বছর বয়স তখন আপনার অনুপ্রেরণা এবং আকাঙ্ক্ষা কী ছিল?’’ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে প্রশ্ন ১৯ বছরের ঈষা হালদারের।

রবিবার দিল্লিতে একটি হোটেলে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩০ জন পড়ুয়ার সঙ্গে বাজেট পরবর্তী আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন নির্মলা। উপলক্ষ, চলতি বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট কী ভাবে দেশের তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা, ভাবনা এবং শক্তির উপরে ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা।

মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার বাসিন্দা ঈষা জানান, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী তাঁকে বলেন, তিনি ওই বয়সে দিল্লিতে একা এসেছিলেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশিকা পরীক্ষা দিতে। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতে স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া ঈষার কথায়, ‘‘জানতে চাইলেন, কোথায় পড়ি। বিশ্বভারতীর কথা শুনে বললেন, ‘আমাকে বাবা-মা বলতেন, ‘যদি পড়াশোনা করতে হয়, তা হলে শান্তিনিকেতনে যেতে হবে’।’’

বিশ্বভারতীর হিন্দির স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী সৌম্যা পটেলও ছিলেন ওই আলোচনাসভায়। তিনি বলেন, ‘‘সামনে থেকে কী ভাবে বাজেট পেশ হয় দেখেছি। বাজেট পেশ করার কী-কী পদ্ধতি রয়েছে, শিখতে পেরেছি।’’ মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরের সৌম্যার সংযোজন, ‘‘কী ভাবে যুব সম্প্রদায়ের কাছে এই বাজেট গ্রহণযোগ্য হবে, সে সম্পর্কে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা হয়। তাঁকে প্রশ্ন করতে পারা আমার কাছে স্বপ্নের মতো।’’

গত ২৭ জানুয়ারি ওড়িশার বালেশ্বরে ফকিরমোহন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় যুব উৎসবে যোগ দিতে যান ঈষা, সৌম্যা। ২৮ জানুয়ারি তাঁরা দিল্লিতে যাওয়ার ডাক পান। ৩০ জানুয়ারি দিল্লিতে পৌঁছন। ঈষা বলেন, ‘‘সংসদ ভবনে ঘোরার সুযোগ পেলাম। দিল্লিতে যা হল, তা স্বপ্ন বলে মনে হচ্ছে!’’ ঈষার বাবা সঞ্জয় হালদার বলেন, ‘‘সন্তানের জন্য গর্বিত।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Nirmala Sitharaman Students

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy