E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

ভোট দিতে বাড়ির পথে, ট্রেনেই মৃত্যু পরিযায়ী শ্রমিকের

রেল পুলিশ ও মৃত যুবকের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সুমিত পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন। আগেতিনি দক্ষিণ ভারতে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৫:৪৮

— প্রতীকী চিত্র।

ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি ফেরার পথে চলন্ত ট্রেনে মৃত্যু হল এক পরিযায়ী শ্রমিকের। মঙ্গলবার সন্ধ্যায়ঘটনাটি ঘটেছে ডাউন গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেসের একটি অসংরক্ষিত কামরায়। রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত শ্রমিকের নাম সুমিত মাতব্বর। বয়স ৩১। বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর গোপালপুরে।রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ট্রেনের কামরা ছিল ভিড়ে ঠাসা।বসার জায়গা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সুমিত বসে ছিলেন ওই কামরার শৌচাগারের সামনে। তাঁর সঙ্গেকয়েক জন বন্ধুও ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁর বন্ধুরাজানান, ওই যুবক শৌচাগারের পাশে বসেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। ট্রেন সাঁতরাগাছিতে ঢোকার আগেই সুমিতের মৃত্যু হয়।

রেল পুলিশ ও মৃত যুবকের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সুমিত পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন। আগেতিনি দক্ষিণ ভারতে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতেন। বর্তমানে তিনিনাগপুরে একটি বেসরকারি নির্মাণ সংস্থায় রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন। ভোটের কারণে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে বনগাঁ গোপালপুরের বাড়িতে ফিরছিলেন।

ওই যুবকের ভাই রাজীব মাতব্বর বলেন, ‘‘ট্রেনটি যখন খড়গপুর স্টেশনে ঢোকে, তখনই দাদা হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।পেটে অসহ্য যন্ত্রণার কারণে মেঝেতে পড়ে ছটফট করতে থাকেন। এর পর ট্রেনটি সাঁতরাগাছি স্টেশনেঢোকার আগে সিগন্যাল না পেয়ে দাঁড়িয়ে যায়। ওই অবস্থায় ট্রেনটি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার ফলে ট্রেনের মধ্যেই দাদা মারা যান।’’

সাঁতরাগাছি স্টেশনে ট্রেন পৌঁছলে ওই যাত্রীকে নামানো হয়। রেল পুলিশের পক্ষ থেকে রেলের হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সাঁতরাগাছি রেলপুলিশ। পরে সাঁতরাগাছি জিআরপি-র পক্ষ থেকে মৃত্যুর প্রকৃত কারণজানতে দেহটি ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
migrant worker Assembly Election Vote police investigation Death

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy