E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

মাদকচক্র দমনে নতুন বাহিনী হচ্ছে রাজ্যে

তদন্তের স্বার্থে রাজ্যকে তিনটি অ্যান্টি-নারকোটিকস জ়োন বা ইউনিটে (উত্তর, পশ্চিম এবং দক্ষিণ) ভাগ করা হচ্ছে। প্রতিটির নেতৃত্বে থাকবেন এক জন পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট।

শিবাজী দে সরকার

শেষ আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:৪৮

—প্রতীকী চিত্র।

কেন্দ্রীয় সরকার ‘নেশামুক্ত ভারত’ গড়ার কথা বলেছে। তারই অঙ্গ হিসেবে রাজ্য অ্যান্টি-নারকোটিকস টাস্ক ফোর্স (এএনটিএফ) গঠনের বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। এখন থেকে রাজ্যের কোথাও মাদক উদ্ধার থেকে শুরু করে মাদকের মামলা— সব তদন্ত করবে এএনটিএফ। সিআইডির মাদক সংক্রান্ত সমস্ত মামলার দায়িত্ব এএনটিএফের হাতে তুলেদেওয়া হয়েছে।

তদন্তের স্বার্থে রাজ্যকে তিনটি অ্যান্টি-নারকোটিকস জ়োন বা ইউনিটে (উত্তর, পশ্চিম এবং দক্ষিণ) ভাগ করা হচ্ছে। প্রতিটির নেতৃত্বে থাকবেন এক জন পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট। এএনটিএফ-এর মাথায় থাকবেন এক জন এডিজি। তাঁর অধীনে থাকবেন এক জন আইজি এবং তিনটিজ়োনের এসপি।

সূত্রের খবর, প্রতিটি পুলিশ জেলা বা কমিশনারেট এলাকায় একটি করে ‘নারকোটিকস এনফোর্সমেন্ট উইং’ গঠন করা হবে। যা জেলা পুলিশ সুপার বা পুলিশ কমিশনারেটের অধীন কাজ করবে। তবে মাদক মামলার তদন্তের সমন্বয়, তথ্য সংগ্রহ, মামলার তথ্য ভাগ করে নেওয়ার জন্য এটি এএনটিএফ-এর প্রধানের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও তদারকিতে কাজ করবে। মাদক পাচার সংক্রান্ত মামলা চিহ্নিত করা এবং তদন্তের সমন্বয় করার ক্ষমতা ও দায়িত্ব থাকবে ওই শাখার হাতে। মাদক দমনে বিভিন্ন বাহিনীর (পুলিশ, কাস্টমস, এনসিবি, বিএসএফ, এসএসবি ইত্যাদি) মধ্যে সমন্বয়ও করবে এএনটিএফ।

নবান্ন সূত্রের খবর, নতুন বাহিনীতে ওই তিনটি জ়োনের সঙ্গে থাকবে, গোয়েন্দা ও কৌশলগত বিশ্লেষণ শাখা। যাতে থাকবে গোয়েন্দা ইউনিট, আর্থিক তদন্ত (ফিনানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ইউনিট, আন্তঃরাজ্য সমন্বয় ইউনিট এবং বিশ্লেষক ইউনিট। থাকবে তদন্ত, পর্যবেক্ষণ ও আইনি শাখা, কারিগরি ও সাইবার শাখা, নথিপত্র, প্রশিক্ষণ, সচেতনতা ও পুনর্বাসন শাখা, বিশেষ অভিযান শাখা, প্রশাসনিক ও লজিস্টিকস শাখা। সব শাখার মাথায় থাকবেন একজন ইনস্পেক্টর। রাজ্য পুলিশের এক কর্তা জানান, বর্তমানে রাজ্য পুলিশের এসটিএফের হাতে রয়েছে এএনটিএফের একটি শাখা। সিআইডিতে রয়েছে মাদক দমনের একটি শাখা। পৃথক এএনটিএফ তৈরি হলে সব কিছু তাদের অধীনে চলে যাবে। রাজ্য পুলিশের সমস্ত ইউনিট, পুলিশ জেলা, পুলিশ কমিশনারেট এবং জিআরপি-কে তদন্তের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ে এএনটিএফ-কে সহায়তা করার জন্য বলা হয়েছে।

সূত্রের খবর, মাদক মামলার জন্য পৃথক চারটি থানা গঠন করা হবে বলে আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুধুমাত্র মাদক মামলার বিচার করার জন্য. রাজ্যে ১৪টি বিশেষ মাদক মামলার আদালত গঠনের বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়েছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
police West Bengal government Drug

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy