E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

ত্রাণ না মেলার নালিশ, বিক্ষোভ ভূতনিতে

ত্রাণ বিলি নিয়ে ভূতনিতে কার্যত হুলস্থুল হয় বুধ ও বৃহস্পতিবার। এ দিন বিকেলে দক্ষিণ চণ্ডীপুর পঞ্চায়েত কার্যালয়ের কাছে বাঁধের উপরে জড়ো হন বহু বন্যাদুর্গত।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:৫৪
মানিকচকের বন্যা কবলিত ভূতনিতে সরকারি ত্রাণের জন্য আকুলতা।

মানিকচকের বন্যা কবলিত ভূতনিতে সরকারি ত্রাণের জন্য আকুলতা। ছবি: উত্তম বিশ্বাস।

আগে ছিল ত্রাণ পাওয়ার আকুতি। শুক্রবার বন্যার জল নামলেও, ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ হল মালদহের মানিকচকের ভূতনিতে। এরই মধ্যে জেলার কালিয়াচকে শুরু হয়েছে গঙ্গা-ভাঙন। কোচবিহারের মেখলিগঞ্জেও তিস্তায় জল বাড়ায় দেখা দিয়েছে ভাঙনের সমস্যা।

ত্রাণ বিলি নিয়ে ভূতনিতে কার্যত হুলস্থুল হয় বুধ ও বৃহস্পতিবার। এ দিন বিকেলে দক্ষিণ চণ্ডীপুর পঞ্চায়েত কার্যালয়ের কাছে বাঁধের উপরে জড়ো হন বহু বন্যাদুর্গত। তাঁদের অভিযোগ, বহু বাড়িতে কোমর-জল থাকলেও, ত্রিপল বা শুকনো খাবার মেলেনি এবং পঞ্চায়েতেত্রাণের প্রচুর ত্রিপল এলেও তা ঠিক মতো বিলি হয়নি। যদিও পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রধান শক্তি মণ্ডলের দাবি, এ বছর পর্যাপ্ত ত্রাণ বিলি হয়েছে এবং বিরোধীরা চক্রান্ত করে বিক্ষোভতৈরি করছেন।

ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে উত্তর চণ্ডীপুরের সামিরুদ্দিনটোলা এবং ওয়াহেদুল্লাটোলাতেও। সামিরুদ্দিনটোলার ওয়াসমিনা খাতুন, আরমানি বিবিরা ত্রাণের আশায় সরকারি নৌকায় ভূতনি সেতুর কাছে এসেও ত্রাণ না পেয়ে ফেরেন বলে দাবি। তাঁদের অভিযোগ, গ্রামে সরকারি ত্রাণ যায়নি এবং মথুরাপুর বাজার থেকে নিজেদের টাকা খরচ করে তাঁরা আনাজ, আলু, জল কিনেছেন। সিটুর মালদহ জেলা সম্পাদক দেবজ্যোতি সিংহের অভিযোগ, বহু মানুষ ত্রাণ পাননি বলেই বিক্ষোভ হয়েছে। দক্ষিণ মালদহের কংগ্রেস সাংসদ ইশা খান চৌধুরী বলেন, ‘‘ব্যর্থতা ঢাকতে প্রধান বিরোধীদের দিকে আঙুল তুলছেন।’’

এরই মধ্যে মালদহের কালিয়াচক-৩ ব্লকের পারলালপুরে প্রায় ৫০০ মিটার এলাকা জুড়ে ভাঙনে বহু ঘরবাড়ি গঙ্গায় তলিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে তিস্তায় জল বাড়ায় ভাঙন শুরু হয়েছে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের ৯১ অন্দরন কুচলিবাড়িতেও। বাঁধের একাংশে ধস নেমেছে। গাছের গুঁড়ি দিয়ে বাঁধরক্ষায় নামেন গ্রামবাসীরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মেখলিগঞ্জের বিডিও নরেশরাজ রাই বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Malda Relief

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy