E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

শুভেন্দু-সাক্ষাতে হুমায়ুন, দাবি উন্নয়ন-কথার

মুখ্যমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে নিজেই এই সাক্ষাতের কথা জানিয়েছেন হুমায়ুন। এ-ও জানিয়েছেন, নওদায় কৃষকদের জন্য আধুনিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হিমঘর এবং রেজিনগরের জন্য ভাগীরথীর উপরে সেতু তৈরির বিষয়ে বুধবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দরবার করেছিলেন।

সেবাব্রত মুখোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: ০৭ অগস্ট ২০২৬ ০৭:০৪
(বাঁ দিকে) মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।

আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের একটি মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এর পরে মুর্শিদাবাদের নওদার বিধায়ক হুমায়ুনের বিরুদ্ধে মামলা, তাঁকে থানায় তলবের মতো ঘটনাও ঘটেছিল। এই আবহে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে প্রায় ২৫ মিনিটের ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ করলেন হুমায়ুন। যদিও মামলার সূত্রে নয়, বরং জেলার উন্নয়নের স্বার্থেই শুভেন্দুর সঙ্গে তিনি দেখা করেছেন বলে দাবি করেছেন হুমায়ুন।

মুখ্যমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে নিজেই এই সাক্ষাতের কথা জানিয়েছেন হুমায়ুন। এ-ও জানিয়েছেন, নওদায় কৃষকদের জন্য আধুনিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হিমঘর এবং রেজিনগরের জন্য ভাগীরথীর উপরে সেতু তৈরির বিষয়ে বুধবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দরবার করেছিলেন।

তবে সামনেই রেজিনগর বিধানসভায় উপনির্বাচন। এই আবহে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হুমায়ুনের অতীত সমীকরণের কথা মাথায় রেখেই এই সাক্ষাৎ নিয়ে নানা চর্চা চলছে রেজিনগরে। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভায় বক্তব্য ‘বিধি মেনে’ বলে জানিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন হুমায়ুন। পাশাপাশি, সাক্ষাতের নেপথ্যে মামলার যোগসূত্র উড়িয়ে দিয়ে হুমায়ুন বৃহস্পতিবার বলেছেন, “ওটা আলাদা বিষয়।” শুভেন্দু তাঁর দু’দশকের পরিচিত জানিয়ে হুমায়ুনের সংযোজন, “উনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আমি কথা বলার আবেদন করেছিলাম। জেলার সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে কথা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ব্যবহারে আপ্লুত। আমার রাজনৈতিক জীবনের বড় প্রাপ্তি।”

সূত্রের খবর, রাজ্যে মসজিদ থেকে মাইক খুলে দেওয়ার বিষয়ে যে পুলিশি তৎপরতার অভিযোগ উঠছে, মুর্শিদাবাদের বিধায়ক হিসাবে সে দিকেও মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন হুমায়ুন। পাশাপাশি, মুর্শিদাবাদের তৃণমূল কংগ্রেসত্যাগী তিন সাংসদ আবু তাহের, খলিলুর রহমান ও ইউসুফ পাঠান এ দিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ-পর্বেও মাইক খোলার প্রসঙ্গটি তুলেছেন। একই বিষয়ে বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ, কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীর বক্তব্য, “যে আওয়াজে অসুবিধা হয়, তা বন্ধ করা উচিত। কিন্তু শুধু মসজিদ নয়, অনেক মন্দিরের মাইকেও অসুবিধা হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা, প্রবীণদের কথা মাথায় রাখা দরকার। কিন্তু কোথাও যেন নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষকে লক্ষ্যবস্তু না-করা হয়। সমস্যা থাকলে কথা বলে তার সমাধান বার করা উচিত।”

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Suvendu Adhikari Humayun Kabir

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy