‘ভোট চুরি’র মাধ্যমেই পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করেছে, রাজ্যে এসে এ বার এই অভিযোগেই শাণ দিলেন এআইসিসি-র সদস্য শমিনা শাফিক। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে দীপাবলির আগে, আগামী রবিবার রামলীলা ময়দানে ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের যে সমাবেশ রয়েছে, তার সমর্থনে ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগান দিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস রাজ্যের নানা প্রান্তে প্রচার চালাচ্ছে। তারই অংশ হিসাবে মঙ্গলবার দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেসের ডাকে কলকাতা প্রেস ক্লাবে সভা থেকে বিজেপিকে নিশানা করেছেন শমিনা, দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেসের সভানেত্রী মিতা চক্রবর্তী প্রমুখ। শমিনা বলেছেন, “ভোট চুরি এই ভাবে চলতে থাকলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বস্ত হয়ে যাবে আর শুধু বিজেপির লোকজনই জিতবেন। পশ্চিমবঙ্গের যেখানেই গিয়েছি, সবাই বলেছেন, বিজেপির পক্ষে ভোট দিইনি! কিন্তু পশ্চিমবঙ্গেও ভোট চুরির মাধ্যমেই সরকার গঠিত হয়েছে। স্বাধীন ভারতে এত মানুষের নাম কোনও দিন ভোটার তালিকা থেকে কাটা হয়নি।” পাশাপাশি, লাগাতার বিক্ষোভের ফলে ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে বলে দিল্লির ব্যবসায়ীদের একাংশ ইতিমধ্যেই অভিযোগ করছেন। এই প্রেক্ষিতে এআইসিসি-র তরফে দলের দক্ষিণ কলকাতা সাংগঠনিক জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত শমিনার বক্তব্য, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্যবসায়ীদের জন্য চিন্তিত হলে তিনি সিইসি-কে বরখাস্ত করুন! তা হলেই বিক্ষোভ হবে না।” একই ভাবে, হাওড়া সদর সাংগঠনিক জেলার ডাকে সভা থেকে সরব হয়েছেন এআইসিসি-র পর্যবেক্ষক মাসুদ খান, জেলা সভাপতি পার্থসারথি ভৌমিক, প্রদেশের তরফে জেলার পর্যবেক্ষক সুমন রায়চৌধুরী প্রমুখ।