E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

উপায় না-থাকায় মানুষের বিজেপিকে ভোট, সরব মীনাক্ষী

মীনাক্ষীর তোপ, “মানুষ তৃণমূলকে ঘৃণা ক’রে, বামেদেরকে বিকল্প হিসাবে বুঝতে না-পেরে, ভরসা করতে না-পেরে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। বিজেপিকে পিরিত করে ভোট দেননি। এটা বললে এঁদের (বিজেপি নেতাদের) গায়ে চুলকানি হচ্ছে! মানুষ দেননি ভালবেসে ভোট। কোনও গতি না-পেয়ে ভোট দিয়েছেন।”

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ নভেম্বর ২০২৬ ০৮:০৪
ময়ূরেশ্বরের সমাবেশে সিপিএম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্য়ায়।

ময়ূরেশ্বরের সমাবেশে সিপিএম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্য়ায়। — নিজস্ব চিত্র।

সাম্প্রতিক সময়ে বাম আমলের বিভিন্ন ঘটনার কথা টেনে এবং মমতা-তৃণমূলের সঙ্গে ‘বাম-সখ্যে’র দাবি করে ধারাবাহিক ভাবে সিপিএমকে নিশানা করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপির তাবড় নেতৃত্ব। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতা থেকে সরাতে বামেদের বিকল্পে মানুষ ভরসা করেননি ঠিকই, কিন্তু মানুষ বিজেপিকে ভালবেসে নয়, উপায় না-থাকায় ভোট দিয়েছেন, এমনই দাবি করে পাল্টা সরব হলেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। একই সঙ্গে পথের আন্দোলনেও জোর দিয়েছেন তিনি।

ময়ূরেশ্বরে সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন সিটু অনুমোদিত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মিড ডে মিল কর্মী ইউনিয়নের বীরভূম জেলা সম্মেলন উপলক্ষে প্রকাশ্যে সমাবেশে যোগ দিয়ে রবিবার মীনাক্ষীর তোপ, “মানুষ তৃণমূলকে ঘৃণা ক’রে, বামেদেরকে বিকল্প হিসাবে বুঝতে না-পেরে, ভরসা করতে না-পেরে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। বিজেপিকে পিরিত করে ভোট দেননি। এটা বললে এঁদের (বিজেপি নেতাদের) গায়ে চুলকানি হচ্ছে! মানুষ দেননি ভালবেসে ভোট। কোনও গতি না-পেয়ে ভোট দিয়েছেন।” ফের বলেছেন, “বাঁদরের চুল হয়েছে। বাঁধো। না-হলে লাল ঝান্ডা নিয়ে দ্রুত তা কেটে ফেলার দায়িত্ব আমরা নিতে পারি!”

পথের আন্দোলনকে আরও জোরদার করার বার্তা দিয়ে মীনাক্ষীর বক্তব্য, “ভোটে (সিপিএম) আসন পেলে বিধানসভার ভিতরেই এঁদের বুলডোজ়ার আটকানো যেত! বিধানসভা, সংসদের ভিতরে এখন যাঁরা আছেন, তাঁদের সেই মুরোদ নেই। তাই আজ রামলীলা ময়দানে দেশের শ্রমজীবীরা, ময়ূরেশ্বরেও খেটে খাওয়া মানুষ যুক্ত হয়েছেন।”

এই আবহে বিধানসভা ভোটের অঙ্কের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে মমতা-তৃণমূলও। দলের বিধায়ক কুণাল ঘোষের বক্তব্য, “মুখ্যমন্ত্রীর মনে রাখা উচিত, বিজেপি যে ভোট পেয়েছে, তার একাংশ সিপিএমের ভোট।” আর অন্য দিকে, বাম-সিপিএম ‘আঁতাঁত’ নিয়ে বিজেপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে দিল্লিতে (রামলীলা ময়দানের সমাবেশে যোগ দিয়ে) সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য, ‘‘এই ময়দানেই ২০১৪ সালে তৃণমূল নেত্রী বলেছিলেন, ,সিপিএম ও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। পরিহাস এমন যে, সেই ময়দানেই এখন কংগ্রেস-সিপিএমের সঙ্গে আসতে হচ্ছে! দিল্লির আন্দোলন সুনির্দিষ্ট, জাতীয় স্বার্থে। বাংলার রাজনীতি বাংলার মতোই চলবে।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Minakshi Mukherjee Left

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy