E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

শ্যামাপ্রসাদকে নিগ্রহের শমীক-তত্ত্বে সরব ফ ব

শমীককে প্রকাশ্য ক্ষমাপ্রার্থনা করতে হবে দাবি তুলে পাল্টা সরব হয়েছেন ফরওয়ার্ড ব্লকের সাধারণ সম্পাদক জি দেবরাজন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬ ০৭:৩২

—প্রতীকী চিত্র।

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে পাথর ছুড়েছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লকের ‘গুন্ডা’রা, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনীতিতে। তাঁর এই মন্তব্যের প্রতিবাদ করে ইতিহাস বিকৃতির পাল্টা অভিযোগ তুলেছে ফরওয়ার্ড ব্লক।

শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন এবং ‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নতুন ইতিহাসের খোঁজে’ (সম্পাদনা: প্রণবকুমার সাহা) শীর্ষক বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার যোগ দিয়েছিলেন শমীক। নিউ টাউনে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠান থেকে শমীক ১৯৩৭-এ বাংলা তথা দেশের রাজনৈতিক-সামাজিক অবস্থা, তার প্রেক্ষিতে শ্যামাপ্রসাদ-সুভাষচন্দ্র বসুর সম্পর্কের নানা দিকের কথা উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি, শমীকের দাবি, “মহম্মদ আলি পার্কে ফরওয়ার্ড ব্লকের গুন্ডারা শ্যামাপ্রসাদের মাথা তাক করে পাথর ছুড়েছিল। কলকাতা পুরসভায় তাঁকে মহিলাদের দ্বারা নিগৃহীত হতে হয়েছিল। কে এই কাজগুলো করেছিলেন, তাঁর নাম বললে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক জন্ম নেবে!”

এই প্রেক্ষিতে শমীককে প্রকাশ্য ক্ষমাপ্রার্থনা করতে হবে দাবি তুলে পাল্টা সরব হয়েছেন ফরওয়ার্ড ব্লকের সাধারণ সম্পাদক জি দেবরাজন। তিনি বলেছেন, “এই মন্তব্য সুভাষচন্দ্রের ঐতিহ্য, ভারতের স্বাধীনতা, ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য জীবন দেওয়া অসংখ্য দেশপ্রেমিককে অপমান। ১৯৪০-এর কলকাতা পুরভোটের সময় শ্যামাপ্রসাদ সাম্প্রদায়িক আবেগকে উস্কে দিয়ে এবং ধর্মের ভিত্তিতে কলকাতার মানুষকে বিভক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। ফরওয়ার্ড ব্লক এই বিপজ্জনক রাজনীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।” বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন দলের রাজ্য সম্পাদক নরেন চট্টোপাধ্যায়ও। সুভাষচন্দ্রের বংশধর তথা বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপি থেকে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়া চন্দ্রকুমার বসুও বলেছেন, “সঙ্কীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে ইতিহাস বিকৃতি অনুচিত। সুভাষচন্দ্র বিশ্বাস করতেন, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সাম্প্রদায়িকতাকেই হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করেন যাঁরা, তেমন নেতাদের স্থান নেই।”

নিউ টাউনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) পূর্বাঞ্চলীয় ক্ষেত্র প্রচার প্রমুখ জিষ্ণু বসু, রাজ্যের মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকারও। রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠিত হলেও, রাজনৈতিক ‘শত্রু’দের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জিষ্ণু। তিনি বলেছেন, “বামপন্থা ও জেহাদি মৌলবাদ শেষ হয়ে যায়নি। ঘাপটি মেরে আছে। এদেরই ছায়া দেখা গেল দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।”

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Shyama Prasad Mookerjee Forward Bloc

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy