দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে ‘বন্ধুত্বের হাত’ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপনির্বাচনের দিন সেই বার্তাকে আরও এগিয়ে নিয়ে গেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর মতে, কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদীর সরকার কোনও বিভাজন না-করেই সব মানুষকে প্রকল্প বা পরিষেবা দেয়। সংখ্যালঘুদেরও এখন ‘ভাল লাগুক বা না লাগুক’, বিজেপির সঙ্গেই সংসার করতে হবে!
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন ছিল মঙ্গলবার। রেজিনগরে মুসলিম ভোটার ৬৫%-এর বেশি, নন্দীগ্রামে সেই অনুপাত প্রায় ২৫%। উপনির্বাচনের দিনেই উত্তরবঙ্গে জলপাইগুড়ি ও ফালাকাটায় দলীয় কর্মসূচিতে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সেখানেই শমীক বলেছেন, ‘‘আগামী ২০ বছরের মধ্যে রাজ্যে বা কেন্দ্রে সরকার পরিবর্তনের কোনও সম্ভাবনা নেই। তাই জনজীবনের মূল স্রোতে আসুন। আমাদের ভাল লাগুক না লাগুক, আমাদের সঙ্গেই সংসার করতে হবে! সেই জন্য বিজেপির প্রতি ঘৃণা-বিদ্বেষ, বিজেপি কর্মীদের দেখলে ভাঙচুর, সংখ্যালঘু এলাকায় সভা করতে না দেওয়া, এগুলো বন্ধ করুন।’’ কেন্দ্রীয় সরকারের উদাহরণ টেনে শমীকের সংযোজন, ‘‘আপনারাও মোদীর বিভাজন দেখেননি। প্রধানমন্ত্রী ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিয়েছেন। করোনার টিকা বা ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ সবই আপনারা পেয়েছেন। আপনারা এম্স, আইআইটি, বিমানবন্দর পেতে চলেছেন।’’ দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনেই সংখ্যালঘু অংশের সমর্থন এ বার বিজেপি পাবেন বলে দাবি করেছেন শাসক দলের রাজ্য সভাপতি। তাঁর কথায়, ‘‘সংখ্যালঘুরাও এগিয়ে আসছেন। তাঁরাও বলছেন, আমরা কারখানা চাই। নন্দীগ্রামে আগের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ভোট পেয়ে বিজেপি জয়ী হবে। আর রেজিনগর উপনির্বাচনে বিজেপি অত্যন্ত সুবিধাজনক ব্যবধানে জিতবে।’’