দিল্লিতে ছাত্র-ছাত্রীদের উপরে পুলিশি নিপীড়নের প্রতিবাদ জানাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধর্নায় যোগ দিয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা প্রমুখ। মেরেধরে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁদের। সেই ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতায় প্রদেশ কংগ্রেস দফতরের কাছে বিক্ষোভ করে, মল্লিকার্জুন খড়্গের পোস্টার ছিঁড়ে ধুন্ধুমার বাধাল বিজেপি! পাল্টা কংগ্রেসও কিছু ক্ষণ মৌলালি মোড়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনে পরিকল্পিত ভাবে অস্থিরতা তৈরি, নিরাপত্তা বিঘ্নিত চেষ্টার অভিযোগ তুলে প্রদেশ কংগ্রেস দফতর বিধান ভবনের সামনে বুধবার বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল উত্তর কলকাতা জেলা বিজেপি। বিধান ভবনে পৌঁছনোর আগে পুলিশ অবশ্য মিছিল আটকে দিয়েছিল। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। নেতৃত্বে ছিলেন জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ, ছিলেন কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচিত পুর-প্রতিনিধি সন্তোষ পাঠকও। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি খড়্গের পোস্টার ছিড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। প্রদেশ কংগ্রেস শুভঙ্কর সরকারের নেতৃত্বে দলের নেতা-কর্মীরা পরে গিয়ে আবার পোস্টার লাগান, পথ অবরোধও চলে কিছু ক্ষণ। বিজেপির জেলা সভাপতি তমোঘ্নের বক্তব্য, ‘‘রাজনীতি হবে রাজনীতির ময়দানে। কারও বাড়িকে কেন লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে? আজ যদি আমরা কংগ্রেস নেতাদের বাড়ির সামনে গিয়ে হুজ্জতি করি, ভাল লাগবে? রাজনীতিতে এইটুকু সৌজন্য রাখা উচিত।’’ পাল্টা বিজেপির বিরুদ্ধে ‘অসভ্যতা’র অভিযোগ করেছে কংগ্রেস। প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর বলেছেন, ‘‘অন্য দলের দফতরের সামনে গিয়ে তাণ্ডব করা, নেতাদের ছবি ছেঁড়া কী ধরনের সংস্কৃতি? ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্য নষ্ট করার বিরুদ্ধে রাহুল গান্ধীরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করতে গিয়ে কি অন্যায় করেছেন?’’ এই ঘটনার আগে এ দিন এআইসিসি-র নতুন পর্যবেক্ষক প্রকাশ জোশীর উপস্থিতিতে প্রদেশ কংগ্রেসের রাজনীতি বিষয়ক কমিটির বৈঠকে দলের পরবর্তী কর্মসূচি ও সাংগঠনিক লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে।