Advertisement
E-Paper

বাদ পড়াদের বাড়ি বাড়ি গেলে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় বিএলও-রা! বাড়তি ভয় আটটি জেলা নিয়ে, সিইও-কে চিঠি

বিএলওদের আশঙ্কা, নাম বাদ যাওয়ার নেপথ্যে বিএলওদের কোনও ভূমিকা নেই। কিন্তু তার পরেও তাঁদেরই দায়ী করে হেনস্থা করা হয়েছে অতীতে। আগামী দিনেও সে রকম পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:৪৯

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের নাম ফের তালিকাভুক্ত করা এবং নতুন যোগ্য ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে বুথ স্তরের আধিকারিক (বিএলও)-দের। এই নির্দেশের পরে শঙ্কিত তাঁদের একাংশ। অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁদের নিশানা হতে পারেন বিএলওরাই। বিশেষত রাজ্যে আটটি জেলার স্পর্শকাতর এলাকায়। সে কারণে নিরাপত্তা চেয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসার (সিইও) নীলম মিনাকে চিঠি দিলেন বিএলওদের সংগঠন।

নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বুথ লেভেল অফিসারদের (বিএলও) পুরনো ও নতুন ভোটার তালিকা মিলিয়ে বাদ পড়া যোগ্যদের শনাক্ত করে পুনরায় নাম নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। তার পরেই রাজ্যের সিইও মিনাকে চিঠি দিয়েছে ভোটকর্মী এবং বিএলও ঐক্যমঞ্চ। তাঁদের আশঙ্কা, প্রত্যেক বিএলও-র সঙ্গে সশস্ত্র নিরাপত্তাকর্মী না থাকলে আক্রান্ত হতে পারেন।

চিঠিতে আট জেলার কথা উল্লেখ করেছেন ভোটকর্মী এবং বিএলও ঐক‍্যমঞ্চের সম্পাদক স্বপন মণ্ডল। সেই তালিকায় রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলির কিছু অংশ, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, কলকাতার একাংশ, যেখানে প্রচুর সংখ্যক ভোটারদের নাম বাদ গিয়েছে। সংগঠনের কথায়, নাম বাদ যাওয়ার নেপথ্যে বিএলওদের কোনও ভূমিকা নেই। কিন্তু তার পরেও তাঁদেরই দায়ী করে হেনস্থা করা হয়েছে অতীতে। আগামী দিনেও সে রকম পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাতেই শঙ্কিত বিএলও-দের একাংশ।

স্বপন জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের জন‍্য বিশেষ উদ্যোগী হতে হবে। বৈধদের নাম তুলতে হবে ভোটার তালিকায়। প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, ‘‘এসআইআর চলাকালীন কমিশনকে বারবার বলেছিলাম, লজিক‍্যাল জিসক্রিপেন্সি (তথ্যগত অসঙ্গতি)-র নামে ২৭ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ‍্যে অন্তত ১৮-১৯ লক্ষ ভোটার বৈধ।’’ স্বপন জানান, রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি পদক্ষেপের কারণে বিষয়টি ট্রাইব্যুনালে যায়। জটিলতা বাড়ে। সাধারণ মানুষ এ সব কারণে ক্ষুব্ধ। বহু মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশগ্রহণ করতে পারেননি। সে কারণে তাঁদের আশঙ্কা, আটটি জেলার কিছু স্পর্শকাতর এলাকায় বিএলও-রা সমস‍্যায় পড়তে পারেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছি। মাননীয় রাজ‍্যের মুখ‍্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি দিয়ে বিএলও-দের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছি। প্রতিটি বিএলও-র সঙ্গে যেন নিরাপত্তাকর্মী বা প্রয়োজনীয় বাহিনী দেওয়া হয়, তার দাবি জানিয়েছি।’’

SIR

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy