পুর-নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ফের তদন্ত করার জন্য সিবিআইয়ের আর্জি মঞ্জুর করল আলিপুরের বিশেষ সিবিআই কোর্ট। উল্লেখ্য, এই মামলায় প্রোমোটার অয়ন শীল, দক্ষিণ দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান পাচু রায় এবং নগরোন্নয়ন দফতরের কর্তা জ্যোতিষ্মান চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোর্টে চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই। কিন্তু সম্প্রতি তদন্তে আরও কিছু ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ উঠে এসেছে, এই যুক্তি দেখিয়ে ফের তদন্তের আবেদন জানায় তারা।
সম্প্রতি পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী তথা দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছে ইডি। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে চার্জশিটও পেশ করেছে তারা। পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কামারহাটির বর্তমান বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। মদন, তাঁর স্ত্রী, দুই ছেলের পাশাপাশি মদনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এক ব্যবসায়ীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। প্রসঙ্গত, ওই ব্যবসায়ী বাইপাস সংলগ্ন একটি অভিজাত ক্লাবের মালিক বলে খবর।
সিবিআইয়ের দাবি, উত্তর ২৪ পরগনার ১৪টি পুরসভার কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছিল। সেই হিসেবেই চূড়ান্ত চার্জশিট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি যা নতুন তথ্য উঠে এসেছে তার পরিপ্রেক্ষিতে ফের তদন্ত করা প্রয়োজন মনে হয়েছে। যদিও সিবিআইয়ের এই আর্জির পরিপ্রেক্ষিতে অনেকে প্রশ্ন করছেন, তা হলে কি এর আগে সিবিআই ঠিক মতো তদন্ত করেনি নাকি রাজ্যের ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে পুনরায় তদন্তের আর্জির পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে?