যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে যোগ দেওয়া দলের কর্মী বাঁকুড়ার শেখ আব্দুল হাফিজের বাবা শেখ মহম্মদ মাফিককে খুনের অভিযোগ তুলেছিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিন্তু তাঁদের দাবি পূরণ আগে বেঁধে দেওয়া ১০ দিনের সময়সীমার মধ্যে হয়নি বলে শুক্রবার কলকাতায় অভিযোগ তুললেন সিজেপি নেতৃত্ব। এই প্রেক্ষিতে প্রশাসনকে তাঁরা আরও ১০ দিন সময় দেওয়ার কথা বললেন। পাশাপাশি, আব্দুলের অভিযোগ, নির্দোষদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।
সিজেপির প্রধান দু’টি দাবি, হাই কোর্টের কোনও প্রাক্তন বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করা এবং মাফিকের নামে স্কুল তৈরি। সিজেপি-র বেঁধে দেওয়া প্রথম দফার সময়সীমা শেষ হওয়ার পরে সিজেপি-র জাতীয় সহ-সম্পাদক প্রেম আকাশ গোলু এ দিন কলকাতায় বলেছেন, “বাঁকুড়ার জেলাশাসক আমাদের দাবি পূরণ করার জন্য ১০ দিন সময় যথেষ্ট নয় বলেছেন। তাঁর অনুরোধে আমরা আরও ১০ দিন সময় দিচ্ছি, যাতে ঠিক ভাবে তদন্ত হয়। তা না-হলে, আমরা বৃহত্তর আন্দোলন করব। দিল্লির পুরো দল আসবে।” পাশাপাশি, পুলিশি তদন্ত নিয়েও সরব হয়েছেন নিহতের ছেলে আব্দুল। সিজেপি কর্মী আব্দুলের অভিযোগ, “খুনের ঘটনায় প্রকাশ্যে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের কেউ কেউ ধরা পড়েছেন। কিন্তু ঘটনার অন্তরালে যাঁরা ছিলেন, তাঁদেরও ধরতে হবে। পাশাপাশি, অনেক নির্দোষকে পুলিশ গ্রেফতার করছে। দরকারে সিজেপি-র আইনজীবীরা তাঁদের সাহায্য করবেন।” বিজেপির বাঁকুড়া জেলা সাংগঠনিক সভাপতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় অবশ্য বলেছেন, “পুলিশ-প্রশাসনের কাজে দল কখনও হস্তক্ষেপ করে না। বিজেপির সরকার সেই নীতি মেনেই কাজ করছে।” পাশাপাশি, আব্দুল ফের বলেছেন, “শুধু বিজেপি-শাসিত রাজ্য নয়, গোটা দেশেই আমাদের ‘স্কুল ঠিক করো’ কর্মসূচি চলবে।’’