E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

নার্স-মৃত্যু: ইঞ্জেকশনের হিসাব কোথায়, উত্তর খুঁজবে কমিটি

বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটির কাছ থেকে নির্দিষ্ট ভাবে কয়েকটি বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রের খবর, ১২ অগস্ট সন্ধ্যা সাতটা থেকে ১৩ অগস্ট সকাল ৮টা পর্যন্ত স্ত্রী রোগ বিভাগের সিবি বিল্ডিংয়ের অ্যান্টিনেটাল ওয়ার্ডের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করে তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ অগস্ট ২০২৬ ০৫:১৮

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

সরকারি হাসপাতালের ওয়ার্ডে ওষুধ এবং ইঞ্জেকশনের নির্দিষ্ট হিসাব থাকার কথা। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেই হিসাব থাকে কি? নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নার্স রূপালি বর্মণের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই প্রশ্ন সামনে এসেছে। এই ঘটনায় এখনও বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর অধরা। সেই সব প্রশ্নের সূত্র ধরেই সরকারি হাসপাতালের কিছু অনিয়ম সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা।

বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটির কাছ থেকে নির্দিষ্ট ভাবে কয়েকটি বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রের খবর, ১২ অগস্ট সন্ধ্যা সাতটা থেকে ১৩ অগস্ট সকাল ৮টা পর্যন্ত স্ত্রী রোগ বিভাগের সিবি বিল্ডিংয়ের অ্যান্টিনেটাল ওয়ার্ডের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করে তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। সেই ফুটেজে কী কী দেখা গিয়েছে তা লিখিত আকারে জানাতে হবে। রাতে হঠাৎ ওয়ার্ড থেকে বেরিয়ে কোথায় গিয়েছিলেন রূপালি বর্মণ? তাঁর গতিবিধি কী ছিল? কত ক্ষণ ওই তরুণী ওয়ার্ড থেকে নিখোঁজ ছিলেন? ইঞ্জেকশনের ভায়াল কোথা থেকে নিয়েছিলেন? ইঞ্জেকশনের ভায়াল নেওয়ার সময়ে কোনও খাতায় তা নথিভুক্ত করা হয়েছিল কি? যদি তা না হয়ে থাকে, তা হলে নার্সেরা যখন রোগীকে কোনও ইঞ্জেকশন দিচ্ছেন, তা খাতায় কেন লিখে রাখা হয় না? আর যদি খাতায় নথিভুক্ত থাকে, তা হলে এ ক্ষেত্রে তাতে কী লেখা হয়েছিল?

সূত্রের খবর, এইচডিইউ-র শৌচাগার থেকে উদ্ধার হওয়া দেহের পাশ থেকে দুই মিলিলিটারের ইঞ্জেকশন সিরিঞ্জ এবং দু’টি ওষুধের মোট তিনটি ভায়াল ও তিন টুকরো তুলো উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, আট সদস্যের তদন্ত কমিটিতে এনআরএসের ফরেন্সিক মেডিসিন অ্যান্ড টক্সিকোলজির বিভাগীয় প্রধান সৌরভ চট্টোপাধ্যায়কে চেয়ারপার্সন করা হয়েছে।

সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে উপাধ্যক্ষ মানবেন্দ্র সরকার, স্ত্রী রোগ বিভাগের প্রধান চিকিৎসক রুণা বল, মানসিক রোগ বিভাগের প্রধান চিকিৎসক আশিস দেবনাথ, নার্সিং সুপার কল্যাণী মোহন্তকে।

এছাড়াও ডেপুটি নার্সিং সুপার, হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ওসি এবং বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী সংস্থার সিনিয়র সুপারভাইজ়ারকেও কমিটির সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ওয়ার্ডে আপাতত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সূত্রের খবর, রূপালির রক্ত ও ফুসফুসের নমুনা বেলগাছিয়ার ফরেন্সিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এ দিন বলেন, ‘‘সিসিটিভি-র সমস্ত ফুটেজ উদ্ধার করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জমা পড়বে। আমরা সে দিকে তাকিয়ে আছি।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Death Case Nurse

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy