এনসিপিআই-এর তহবিল নিয়ে এবার তরজায় জড়ালেন দুই সাংসদ সৌগত রায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত কিন্তু অস্বীকৃত— গুজরাতের এমন ছ’টি রাজনৈতিক দলের তহবিলে বিপুল অঙ্কের টাকা থাকার অভিযোগ নিয়ে গত কালই সরব হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায়। তাঁর অভিযোগ, ‘‘ওই ছ’টি দলের মতোই এনসিপিআই-কেও বিজেপি তাদের টাকা রাখার একটি বড় জায়গা করার চেষ্টা করছে।’’ এ ব্যাপারে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এনসিপিআই নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার আজ বলেন, “এটা জেনে রাখা ভাল, এনসিপিআই-এর অ্যাকাউন্টে ২১,৮৬০ টাকা রয়েছে। এই দল কোনও বেআইনি অর্থ লেনদেনের মধ্যে নেই। সৌগত রায়ের মতো বয়স্ক মানুষ অসত্য বলছেন, অপপ্রচার করছেন। তাঁর যথেষ্ট বয়স হয়েছে, এমন কথা বলা শোভাপায় না। তৃণমূল আগে তাদেরখিড়কি সামলাক।”
অন্য দিকে সৌগতবাবুর মন্তব্য, “আমি কোনও অপপ্রচার চালাচ্ছি না, ব্যক্তিগত ভাবে কাউকে কিছু বলিনি। কিন্তু নির্বাচনী বন্ডের বিরুদ্ধে আমি গোড়া থেকেই বলেছি। কালো টাকা সাদা করার এটা একটা মাধ্যম।”
দলের ২০ জন সাংসদ এনসিপিআই-এ যোগ দেওয়ার পর তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে তৃণমূল। ওই সাংসদদের কাছে চিঠি দিয়ে স্পিকারের অফিস থেকেবক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে। স্পিকারের কাছে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়তি সময় চেয়ে নিয়েছেন এনসিপিআই সাংসদরা। এর মধ্যে তাঁরা চিঠি দেবেন। সূত্রের মতে, নিয়ম অনুযায়ী ২২ তারিখের পর এই ২০ জনকে আলাদা আলাদা করে ডেকে তাঁদের বক্তব্য শুনতেপারেন স্পিকার।