E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

এসআরএফটিআই: প্রশ্ন রুদ্রনীলের পোস্ট নিয়ে

ওয়টস্যাপ চ‍্যাটে শিক্ষাপ্রাঙ্গণে সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ সংগঠনের সভা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রাক্তনীদেরও হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঠেকাতে কর্তৃপক্ষকে বোঝাতে বলা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:১৩
রুদ্রনীল ঘোষ।

রুদ্রনীল ঘোষ। ফাইল চিত্র।

সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে অশান্তি সৃষ্টি এবং হামলার ঘটনায় কোনও রকম পুলিশি পদক্ষেপ হয়নি এখনও। এই অবস্থায় এসআরএফটিআইয়ের পড়ুয়াদের জেনারেল বডির ওয়টস্যাপ গ্রুপের কিছু চ‍্যাটের ‘স্ক্রিনশট’ তুলে ধরে তাতে বার কয়েক ‘লাল সেলাম’ বলা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপি বিধায়ক, অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। এর ফলে সমাজমাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের পরিচয় ফাঁস হয়ে সমস্যা হতে পারে বলে প্রশ্ন উঠছে।

ওয়টস্যাপ চ‍্যাটে শিক্ষাপ্রাঙ্গণে সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ সংগঠনের সভা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রাক্তনীদেরও হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঠেকাতে কর্তৃপক্ষকে বোঝাতে বলা হয়। ‘লাল সেলাম’ শব্দটির সূত্র ধরে ‘কমরেড’ সম্বোধন করে ছাত্রছাত্রীদের ‘দেশ-বিরোধিতা’ ছাড়া রাজনীতি করতে বলেছেন রুদ্রনীল। সমাজমাধ্যমেই পাল্টা প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি। যেখানে বলা হয়েছে, লাল সেলামে দেশ-বিরোধিতার কী আছে! রুদ্রনীল নিজেও তো একদা বাম-রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আর পড়ুয়ারা সংবিধানের রূপকার বাবাসাহেব অম্বেডকরের নামে ‘জয় ভীম’ বলছেন, সেখানে তাঁরা কী ভাবে দেশ-বিরোধী হবেন? রুদ্রনীল অবশ‍্য তাঁর পোস্টে কারও ব‍্যক্তিগত পরিসর লঙ্ঘনের অভিযোগ মানতে চাননি। তাঁর দাবি, “ছাত্রছাত্রীরা কতটা নিরপেক্ষ বোঝাতেই লিখেছি!”

বিতর্কের আবহে ফিল্ম স্কুলে অচলাবস্থার প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থী এবং কর্তৃপক্ষের পরস্পর বিরোধী বয়ানও উঠে আসছে। পড়ুয়াদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার উপাচার্য সন্তোষ আজমেরার সঙ্গে তাঁরা দেখা করতে চাইলেও তিনি রাজি হননি। এমনকি আহত এক শিক্ষার্থীর সঙ্গেও তিনি ইতিমধ্যে দেখা করেননি বলে অভিযোগ। উপাচার্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তবে কর্তৃপক্ষের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।

বৃহস্পতিবার কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শিক্ষকেরা অনেকে ক্লাসে যান। কিন্তু পড়ুয়ারা কার্যত ছিলেন না। এসআরএফটিআইয়ের এক শীর্ষ কর্তার দাবি, “কয়েক জন পড়ুয়ার চাপেই ইচ্ছুকেরাও ক্লাস করতে পারছেন না। এ ভাবে চললে সময়ে পাঠ্যক্রম শেষ হবে না। পুরনো ব্যাচগুলি দেরি করলে পরের ব্যাচেরও সমস্যা হবে। এটা চলতে পারে না।”

শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বাইরে থাকতে ভয় পেলেও ওই কর্তার দাবি, “স্থানীয় পুলিশ, প্রশাসন বিষয়টি দেখছে।” পুজোর ঠিক আগে সপ্তাহখানেকের ক্লাস এড়ানো গেলে ছাত্রছাত্রীদের ক্ষোভে প্রলেপ পড়ত বলে এসআরএফটিআইয়ের কোনও কোনও শিক্ষকের মত। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা মানতে রাজি নন। উপাচার্যের ঘর ঘেরাও করা পড়ুয়াদের আচরণ নিয়েও কর্তৃপক্ষের ক্ষোভ রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Rudranil Ghosh SRFTI

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy