E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

পশ্চিমবঙ্গ, বিহারে আবার ভোটের দাবি দীপঙ্করদের

সিপিএমের গণ-সংগঠন কৃষকসভার রাজ্য দফতর হরেকৃষ্ণ কোঙার ভবনের বিনয় চৌধুরী সভাঘরে লিবারেশন নেতৃত্ব সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জাতীয় পরিস্থিতি ও ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত বলেছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:৪৭
সিপিআই (এম-এল) লিবারেশনের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য এবং আইসা সভানেত্রী নেহা বোরা (ডান দিকে)। কলকাতায় হরেকৃষ্ণ কোঙার ভবনে।

সিপিআই (এম-এল) লিবারেশনের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য এবং আইসা সভানেত্রী নেহা বোরা (ডান দিকে)। কলকাতায় হরেকৃষ্ণ কোঙার ভবনে। — নিজস্ব চিত্র।

জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের প্রক্রিয়া (এসআইআর) নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল্লিতে যখন বিরোধী সাংসদেরা নির্বাচন সদন অভিযান করছেন, মঙ্গলবার তখন কলকাতায় একই বিষয়ে সরব হলেন সিপিআই (এম-এল) লিবারেশনের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্যও। একই সঙ্গে বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গে আবার নির্বাচনও চেয়েছেন তাঁরা। কমিশনকে নিশানা করে ‘বৃহত্তর জোটবদ্ধ ঐক্যে’র ডাক দিয়েছেন লিবারেশনের ছাত্র সংগঠন আইসা-র সর্বভারতীয় সভানেত্রী নেহা বোরা।

সিপিএমের গণ-সংগঠন কৃষকসভার রাজ্য দফতর হরেকৃষ্ণ কোঙার ভবনের বিনয় চৌধুরী সভাঘরে লিবারেশন নেতৃত্ব সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জাতীয় পরিস্থিতি ও ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত বলেছেন। দীপঙ্করের বক্তব্য, “বিহারে যে ২০টি আসনে আমরা লড়েছিলাম, তার মধ্যে ১০টি আসনে চার মাস ধরে নিবিড় সমীক্ষা করা হয়েছে। ১০২টি বুথে যত নাম বাদ গিয়েছে, তার ১৭%-ই অন্যায় ভাবে বাদ গিয়েছে। শুধু এসআইআর নয়, ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে (বিজেপির) আশানুরূপ ফল না-হওয়ায়, তখনও ১৮% নাম বাদ গিয়েছে।” তাঁর সংযোজন, “এই এসআইআর-এর ভিত্তিতে যেখানে ভোট হয়েছিল, বিশেষত বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে নির্বাচন করাতে হবে।” এর আগে একই দাবি তুলেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছেন লিবারেশনের রাজ্য সম্পাদক অভিজিৎ মজুমদার, দলের নেতা কার্তিক পাল, বাসুদেব বসু, সুচেতা দে প্রমুখও। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৩ সালে নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য যে আইন তৈরি করেছিল, তা বাতিলের দাবিতে এ দিন সরব হয়েছেন দীপঙ্কর ও নেহা। আইসা নেত্রী বলেছেন, “এই আইনের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া বদলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে আজীবন রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, প্রথমে আইন বদলাল, পরে রক্ষাকবচ দিল আর তার পরে তাঁর মাধ্যমে ক্ষমতায় এল (বিজেপি)।” দক্ষিণ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন প্রান্তে জেন জ়ি-র আন্দোলনকে ইতিবাচক বলেও মন্তব্য করেছেন নেহা। পাশাপাশি, দেশে গণতন্ত্র ‘রক্ষা’র লড়াইতে দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যকে আরও মজবুত করার কথা বলে নেহা জানিয়েছেন, ১০ অক্টোবর সিজেপি যন্তর মন্তরে যে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে, তাতে শামিল হবে আইসা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ১০ তারিখ দিল্লির সমাবেশে যোগ দেবে বলে জানিয়েছে এসএফআই, এআইএসএফ, পিএসইউ, ছাত্র ব্লকের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
CPIML Election

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy