ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতরের মাধ্যমে পদক্ষেপ করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এ বার তারই সমান্তরালে রাত্রিবাস বা শ্রমিক কলোনিতে থাকা ব্যক্তি, গৃহহীন এবং প্রান্তিক মানুষদের জন্যও বিশেষ শিবির গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও)।
কমিশন জানিয়েছে, ইআরও-দের মাধ্যমে ডিইও-রা নিজেদের এলাকায় শিবির গড়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভোটার তালিকাভুক্ত করবেন। এক জনও যোগ্য ভোটার যাতে বাদ না থাকেন, যথারীতি তেমন নির্দেশই দেওয়া হয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকদেরও কেউ নাম তোলাতে বাদ পড়ে থাকলে, সে বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। এর আগে গত ১ অক্টোবর থেকে বাদ পড়া যোগ্য ভোটার এবং প্রথম বারের ভোটারদের তালিকাভুক্ত করতে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে যে বিতর্ক, তার পরে কমিশনের এই পদক্ষেপকে অর্থবহ বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে সিইও কার্যালয়ের একটি সূত্র জানাচ্ছে, ভোটার তালিকায় সংশোধন একটি নিয়মমাফিক এবং নিরন্তর প্রক্রিয়া। সাধারণত, প্রতি বছর অক্টোবর-নভেম্বর নাগাদ এই সংশোধনের বিশেষ অভিযান চালানো হয়েই থাকে। এ বার এসআইআর হওয়ার পরে আনুষ্ঠানিক ভাবে ‘স্পেশাল রিভিশন’ চালানোর প্রয়োজন হচ্ছে না। তাই কোনও ভোটার বাদ পড়ে থাকলে অথবা নতুন ভোটারদের সুবিধার্থে এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে।