তৃণমূল কংগ্রেসের স্বত্ব ও প্রতীক নিয়ে বিবাদের প্রেক্ষিতে দু’পক্ষের একত্রে শুনানি প্রত্যাশিত ভাবেই স্থগিত করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। দিল্লির নির্বাচন সদনে আজ, শুক্রবার শুনানিতে ডাকা হয়েছিল মমতা-তৃণমূল ও গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসকে। তবে দু’পক্ষের নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে যৌথ নোটিস পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশের প্রেক্ষিতে ওই শুনানি স্থগিত রাখা হচ্ছে। শুনানির পরবর্তী তারিখ পরে ধার্য করা হবে।
এর আগে কমিশনের নির্দেশ ছিল, ২৬ অক্টোবরের মধ্যে দুই তৃণমূলকেই তাদের পক্ষে নথি জমা দিতে হবে। কিন্তু ২৬ তারিখেই বাড়তি সময় চেয়ে গণতান্ত্রিক তৃণমূলের তরফে করা আবেদনের শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। দু’পক্ষের বক্তব্য শুনে সর্বোচ্চ আদালত দুই শিবিরকেই ১০ দিন করে বাড়তি সময় ধার্য করেছে। অর্থাৎ ১০ দিন করে মোট ২০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে নথিপত্র জমা করার জন্য। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগে শুনানি করা হচ্ছে না বলে কমিশন জানিয়েছে। ইতিমধ্যে দুই তৃণমূলেরই বহু নথিপত্র দিল্লিতে পৌঁছেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নথি জমা দেওয়ার বাড়তি শুনানি এবং তার পরে শুনানি স্থগিত হওয়ার প্রেক্ষিতে দুই শিবিরের নেতৃত্বেরই ধারণা, কলকাতা ও হাওড়ার পুরভোটের আগে বিবাদের নিষ্পত্তি হওয়ার আশা ক্ষীণ। সে ক্ষেত্রে মমতা-তৃণমূলকে ফুটবল খেলোয়াড় ও গণতান্ত্রিক তৃণমূলকে খাম চিহ্ন নিয়েই পুরভোটে লড়তে হবে। যেমন হয়েছিল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে।