Advertisement
E-Paper

তৃণমূলের প্রতীক দ্বৈরথ: আর কিছু বলার আছে? বুধবার পর্যন্ত মমতাকে সময় দিল কমিশন, তার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা?

শনিবার তৃণমূলের দুই তরফের প্রতিনিধিদের সঙ্গেই দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক হয়েছে। তার পরেই মমতাকে চিঠি দিয়েছে কমিশন। আগামী বুধবার পর্যন্ত তাঁকে সময় দেওয়া হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:৩৪
(বাঁ দিকে) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

তৃণমূলের প্রতীক কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের মধ্যে দড়ি টানাটানি অব্যাহত। শনিবার দুই তরফের প্রতিনিধিদের সঙ্গেই দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক হয়েছে। তার পরেই মমতাকে চিঠি দিয়েছে কমিশন। আগামী বুধবার পর্যন্ত তাঁকে সময় দেওয়া হয়েছে। দলের নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতীক বিতর্কে তাঁর আর কিছু বলার আছে কি না, আর কোনও নথিপত্র জমা দেওয়ার আছে কি না, ওই দিনের মধ্যে জানাতে হবে। তার পর প্রয়োজনে কমিশন ফের শুনানির আয়োজন করবে।

শনিবার মমতাকে দেওয়া কমিশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, কালীঘাটের প্রতিনিধিদলের পাশাপাশি ঋতব্রতের শিবিরের বক্তব্যও শুনেছে কমিশন। দুই তরফেই কিছু নথি জমা দেওয়া হয়েছে। কমিশনের সচিবের উদ্দেশে ঋতব্রতেরা দিয়েছেন ১১ সেপ্টেম্বর ঋতব্রতেরই লেখা একটি চিঠি, ১২ সেপ্টেম্বরের একটি ইমেল ও তার সঙ্গে যুক্ত নথিপত্র (আলিপুর আদালতের ৭ জুলাই, ৩ অগস্ট এবং ৬ অগস্টের নির্দেশের কপি), ১২ তারিখ কমিশনের সচিবকে উদ্দেশ করে লেখা চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের চিঠি। এ ছাড়া, ৫ জুনের একটি খবরের অংশও কমিশনে জমা দিয়েছে ঋত শিবির, যার শিরোনাম— ‘তৃণমূলকে ঢেলে সাজলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’।

এ বিষয়ে মমতার যদি আর কিছু বলার থাকে, আর কোনও নথিপত্র জমা দেওয়ার থাকে, তবে ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টের মধ্যে তা দিতে হবে। যে নথি দেওয়া হচ্ছে, তার কপি প্রমাণ হিসেবে ঋতব্রতের কাছেও পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছে কমিশন। ঘটনাচক্রে ওই দিনই রাজ্যের দুই বিধানসভা উপনির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। কমিশন জানিয়েছে, তার পরে যদি প্রয়োজন হয়, ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টেয় দিল্লির নির্বাচন সদনে একটি শুনানির আয়োজন করা হবে এবং সেখানে সমস্যার সমাধান হবে। তার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন সদন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া নির্বাচন কমিশনের চিঠি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া নির্বাচন কমিশনের চিঠি।

রাজ্যে জোড়া উপনির্বাচন আসন্ন। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে আগামী ৬ অক্টোবর। তার ভোটগণনা রয়েছে ৯ অক্টোবর। সেই ভোটে জোড়াফুল প্রতীকে কারা লড়বে, সে বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। মমতাকে দেওয়া কমিশনের চিঠি নিয়ে অবশ্য চিন্তিত নন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কমিশনের দফতরে কালীঘাটের প্রতিনিধিদলে তিনি ছিলেন। বলেছেন, ‘‘নির্বাচন কমিশন কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি। আমাদের ১৬ এবং ১৭ তারিখ হাজির হতে বলেছে। আমাদের প্রার্থীরা দলের প্রতীক নিয়েই উপনির্বাচনে লড়বেন।’’ ঋতব্রত এ প্রসঙ্গে কল্যাণকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি বলেন, ‘‘প্রতীক কার থাকবে কার থাকবে না, সেটা নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নন। আর ১৬, ১৭ তারিখ ডাকার যে কথা উনি বলছেন, তা সঠিক নয়। ইংরেজিটা ঠিক করে পড়তে পারলেই বুঝবেন, যদি দরকার হয় ১৭ তারিখ ডাকার কথা বলেছে কমিশন।’’

Election Commission TMC Mamata Banerjee Ritabrata Banerjee

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy