নির্ধারিত সময়ের আগেই এ রাজ্যে জনগণনার প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হল। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজের এক্স হ্যান্ডলে জানান, প্রাথমিক পর্বের এই কাজটি ১০০ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১ অগস্ট থেকে ১৫ অগস্ট পর্যন্ত স্ব-গণনা (সেলফ এনুমারেশন) চলেছিল প্রথম ধাপে। দ্বিতীয় ধাপে ১৬ অগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলেছিল বাড়ি বাড়ি গিয়ে গৃহতালিকা তৈরির কাজ। তাতে রাজ্যের প্রত্যেক জেলা, মহকুমা, ব্লক, পৌরনিগম এবং পুরসভা এলাকা মিলিয়ে মোট ১,৭৩,০৬৬টি ব্লকেই গৃহতালিকা তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আনুমানিক ৩.৬৯ কোটি পরিবারের মধ্যে ৩ কোটি ৬৮ লক্ষ ৩০ হাজার ১৫০টি পরিবারের তথ্য নথিভুক্ত করেছেন গণনাকর্মীরা। মুখ্যমন্ত্রী সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘বেশ কয়েক হাজার তথ্য সংগ্রহকারী (এনুমারেটর) এবং সুপারভাইজ়ার পাহাড়, সমতল ও নদী অঞ্চলের প্রতিটি ঘরে পৌঁছতে সব ধরনের আবহাওয়ার মধ্যেও মাইলের পর মাইল পথ পাড়ি দিয়েছেন। এই প্রকৃত নায়কদের ছাড়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করা সম্ভব হত না। জেলাশাসক, মহকুমাশাসক, বিডিও, পৌর কমিশনার-সহ আধিকারিকেরা সফল ভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন।’
এ বার হবে জনগণনার চূড়ান্ত পর্ব। আগামী বছর ৯ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমায় প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের নাম, বয়স, লিঙ্গ, জাতি-ধর্ম সংক্রান্ত বিষয় জেনে মূল জনগণনার কাজ হবে। ১ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত হবে সংশোধনের কাজ। দেশে শেষ বার জনগণনা হয় ২০১১ সালে। তার ১০ বছর বাদে তা হওয়ার কথা থাকলেও কোভিডে তা পিছিয়ে যায়। তা-ই হচ্ছে এখন। এর উপর নির্ভর করে প্রতিটি রাজ্যের পাওনা, সরকারি প্রকল্প ইত্যাদি সব পরিকল্পনা হয়ে থাকে।