সম্প্রতি সুভাষচন্দ্র বসু, তাঁর প্রতিষ্ঠিত দল ফরওয়ার্ড ব্লক, আজাদ হিন্দ ফৌজ (আইএনএ) সম্পর্কে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য থেকে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের কিছু মন্তব্য করেছেন। তাঁদের ওই মন্তব্যের ফের তীব্র বিরোধিতা করে বিজেপি নেতাদের ক্ষমা-প্রার্থনা করতে হবে বলে দাবি তুলল ফরওয়ার্ড ব্লক। শমীক, অনন্তদের মন্তব্য আসলে ‘ইতিহাস বিকৃতি’ বলেও ফ ব নেতৃত্বের অভিযোগ। পাশাপাশি, রামপুরহাটে বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহার উদ্যোগে রাস্তার নাম সুভাষচন্দ্রের বদলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে করারও তীব্র বিরোধিতা করেছেন তাঁরা।
কলকাতা প্রেস ক্লাবে ফ ব-র সাধারণ সম্পাদক জি দেবরাজন সোমবার বলেছেন, “বিজেপি পরিকল্পতি ভাবে ইতিহাসকে বিকৃত করতে সুভাষচন্দ্র সম্পর্কে অসংবেদনশীল, আজগুবি মন্তব্য করছে। প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।” তাঁর সংযোজন, “সুভাষচন্দ্রের ছবিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক দিকে মালা দেবেন, আর অন্য দিকে তাঁরই দলের নেতারা অবমাননাকর মন্তব্য করবেন, এটা চলতে পারে না।” রাজ্য জুড়ে আন্দোলন, অনন্তের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের, তাঁকে আইনি নোটিস পাঠানোর মতো নানা পদক্ষেপ করার কথা জানিয়েছেন ফ ব নেতা গোবিন্দ রায়। শমীক দাবি করেছিলেন, সভা করার সময়ে শ্যামাপ্রসাদকে পাথর ছুড়েছিলেন ফ ব-র ‘গুন্ডা’রা! আর অনন্ত দাবি করেছেন, আইএনএ-র অপব্যবহার করেছিলেন সুভাষচন্দ্র! ফ ব নেতা গোবিন্দের পাল্টা বক্তব্য, “শমীক কাদের গুন্ডা বলছেন? সুভাষ-অনুগামী জননেতা হেমন্ত বসু, বিপ্লবী হরেন ঘোষ, স্বাধীনতা সংগ্রামী অনিলচন্দ্র রায়, বিপ্লবী লীলা রায়— এঁরা গুন্ডা?”