E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

প্রধান শিক্ষককে মারধরে ধৃত চার ছাত্রকে ‘টিসি’

শুক্রবারই চার ছাত্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা নাবালক বলে সরকারি হোমে ‘সেফ কাস্টডি’তে পাঠানো হয়। সোমবার ফের তাদের জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের সামনে হাজির করানো হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৬:১৭
প্রধান শিক্ষকের উপরে চড়াও হয়েছিল পড়ুয়ারা।

প্রধান শিক্ষকের উপরে চড়াও হয়েছিল পড়ুয়ারা। — ফাইল চিত্র।

স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মণের নির্দেশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলে প্রধান শিক্ষককে নিগ্রহের অভিযোগে দশম শ্রেণির চার ছাত্রকে বদলির শংসাপত্র (টিসি) দেওয়া হল। শনিবার থেকে জেলা স্কুলের রেজিস্টারে ওই চার জনের নাম কাটা গিয়েছে।

শুক্রবারই ওই চার ছাত্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা নাবালক বলে সরকারি হোমে ‘সেফ কাস্টডি’তে পাঠানো হয়। সোমবার ফের তাদের জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের সামনে হাজির করানো হবে। তাদের দু’জনকে প্রধান শিক্ষকও মেরেছিলেন বলে পাল্টা অভিযোগ রয়েছে। তারা হাসপাতালে ভর্তি ছিল।

ছাত্রদের পরিবারের তরফে প্রধান শিক্ষক ধর্মচাঁদ বাড়ইয়ের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। সূত্রের খবর, শিক্ষা দফতরের তরফে জেলা স্কুল-কাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্তও শেষের পথে। সোমবারের মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমাপড়তে পারে।

গত মঙ্গলবার স্কুলে শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বিশেষ মিডডে মিল নিয়ে তুলকালাম বাধে। দশম শ্রেণির কয়েক জন ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ ওঠে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। প্রধান শিক্ষকের উপরে পাল্টা চড়াও হয় পড়ুয়ারাও। রক্তাক্ত হন প্রধান শিক্ষক। শুক্রবার ওই স্কুলে যান রাজ্যের স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী। তাঁর নির্দেশের পর অভিযুক্ত ছাত্রদের চিহ্নিত করা হয়। শুক্রবার দুপুরে প্রথমে এক জন এবং রাতে আরও তিন জন ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ভিডিয়ো ফুটেজ়ে অভিযুক্ত ছাত্রদের প্রধান শিক্ষককে মারধর করতেদেখা গিয়েছে।

ধৃত ছাত্রদের পরিবারের সদস্যরা শনিবার থানা এবং হোমেরসামনে জড়ো হন। কেউ কেউ কান্নায় ভেঙে পড়েন। এক ছাত্রের মা বলেন, “আমার ছেলেকে প্রধান শিক্ষক মেরেছিলেন। ওর গলায়-বুকে আঘাত লাগে। জামা ছিঁড়ে যায়। এক দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিল। তার পরেও ওকে পুলিশ ধরল।” আরও এক ছাত্রের বাবা কৃষিকাজ করেন। তাঁর কথায়, “আমরাও অভিযোগ করব। প্রধান শিক্ষক নানা অজুহাতে ছাত্রদের মারধর করতেন। সেই বিচারওকরা হোক।”

সূত্রের খবর, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগে প্রশাসন থেকে একটি রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। তাতে প্রধান শিক্ষকের স্কুল পরিচালনা নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক ধর্মচাঁদ বাড়ই এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
punishment Transfer Certificate

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy