E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

নানা অনিয়ম, পদক্ষেপ রেশন ডিলারের বিরুদ্ধে

জেলা খাদ্য দফতর সূত্রের দাবি, অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা মেলে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ অভিযান চালাতেই শ্যামল সরে পড়েন। দোকানের দেওয়ালে ডিলারকে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করার নোটিস সেঁটে দেওয়া হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ জুলাই ২০২৬ ০০:৩০
চাল-গমের হিসাব খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকেরা।

চাল-গমের হিসাব খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকেরা। — নিজস্ব চিত্র।

চাল-গম যতটা পাওয়ার কথা, তা মেলে না। গ্রাহকদের বঞ্চিত করে খাদ্যসামগ্রী ঘুরপথে বেশি দামে বেচে দেওয়া হয়। চুঁচুড়া-মগরা ব্লকের হোয়েরায় একটি রেশন দোকানের বিরুদ্ধে এমন নানা অভিযোগ জমা পড়েছিল হুগলি জেলা খাদ্য দফতরে। শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে দোকানটি বন্ধ করে দেওয়া হল দফতরের মহকুমা (সদর) কন্ট্রোলারের কার্যালয়ের তরফে। বাজেয়াপ্ত করা হল চাল-গম।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দোকানের ডিলার শ্যামল মণ্ডল এবং তাঁর দুই বোন পম্পা মালিক ও শ্যামলী ক্ষেত্রপাল। শ্যামলই দোকান চালান। হোয়েরার শিবতলা, পতনা নিয়োগীপুকুর, আয়মাডাঙা, গৌয়া-সহ পার্শ্ববর্তী গ্রাম মিলিয়ে পাঁচশোর বেশি গ্রাহক। ইমতিয়াজ হোসেন মোল্লা, পাপ্পু মণ্ডল প্রমুখ স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই খাদ্যসামগ্রী ঠিক মতো দেওয়া হয় না। খেয়ালখুশি মতো দোকান খোলা হয়। এ নিয়ে তাঁরা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ জানান।

জেলা খাদ্য দফতর সূত্রের দাবি, অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা মেলে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ অভিযান চালাতেই শ্যামল সরে পড়েন। দোকানের দেওয়ালে ডিলারকে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করার নোটিস সেঁটে দেওয়া হয়। পরিদর্শনের সময় খাদ্যসামগ্রী মজুতের তথ্যে অসঙ্গতি মেলে। কিছু পরিমাণ সামগ্রী অনুমোদন না থাকা গুদামে রাখা ছিল। এমন নানা খামতি আধিকারিকদের চোখে পড়েছে। খাদ্যসামগ্রী স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে রাখা ছিল না বলেও অভিযোগ। কেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে ব্যাপারে আগামী সাত দিনের মধ্যে ডিলারদের কারণ দর্শানোর (শোকজ়) নির্দেশ দেওয়া হয়।

জেলা খাদ্য দফতরের এক আধিকারিক জানান, পুলিশের উপস্থিতিতে গুদাম থেকে শতাধিক বস্তা চাল-গম বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘হোয়েরার ওই রেশন ডিলারের বিরুদ্ধে আগামী সোমবার পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হবে। ওখানকার গ্রাহকদের আপাতত পাশের দিগসুই গ্রামের একটি রেশন দোকানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। সেখান থেকেই তাঁরা খাদ্যসামগ্রী পাবেন।’’

খাদ্য দফতরের অভিযানের সময় পম্পা এবং শ্যামলী উপস্থিত ছিলেন। সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের কোনও জবাব দেননি পম্পা।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Illegal Ration Shop

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy