সরকারি ত্রাণ ‘লুট’ থেকে এলাকায় তোলাবাজি, নানা অভিযোগে অভিযুক্ত তিনি। বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পর আর তাঁর খোঁজ মেলেনি। অবশেষে পলাতক সেই তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হলেন। একমুখ দাড়ি রেখেছিলেন। তাতেও লাভ হল না। তিনি-ই যে হুগলির আকনা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান নির্মল ঘোষ, বুঝতে ভুল হয়নি পুলিশের।
পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২৬ সালের ১৪ জুন নির্মলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। সরকারি ত্রাণ আত্মসাত, বিভিন্ন এলাকায় তোলা আদায় করা, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো-সহ অভিযোগ করা হয়। তার ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-র বিভিন্ন ধারায় নির্মলের নামে মামলা হয়। কিন্তু অভিযুক্তের খোঁজ পায়নি পোলবা থানার পুলিশ।
প্রায় দেড় মাস পর একটি সূত্রে খবর পায় পোলবা থানার পুলিশ। শনিবার তারা শ্যামনগরে গিয়েছিল। গ্রেফতার হন উপপ্রধান নির্মল। অভিযোগ, এক আত্মীয়ের বাড়িতে গা-ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, উপপ্রধানকে ঝট করে চেনা মুশকিল। কারণ, আগে তাঁকে দাড়ি রাখতে দেখেননি কেউ। এখন একমুখ দা়ড়ি। বিজেপির দাবি, সহজে কেউ যাতে চিনতে না পারেন, তাই দাড়ি বাড়িয়েছিলেন নির্মল।
অন্য দিকে, পুলিশ সূত্রে খবর, পোলবা থানার নবনিযুক্ত ওসি তন্ময় বাগের নির্দেশে তদন্তকারী আধিকারিক (এসআই) রাকেশ দাস এসওজি-র সহায়তায় ওই অভিযান চালান। রবিবার ধৃত উপপ্রধানকে চুঁচুড়া আদালতে হাজির করানো হচ্ছে।