গত সেপ্টেম্বর মাসের গোড়া থেকে হুগলি জেলা জুড়ে বিভিন্ন খাবারের দোকানে খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের অভিযান চলছিলই। দুর্গাপুজোয় অষ্টমীতে পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে ফুচকাখেয়ে শিশু-সহ বহু মানুষের অসুস্থতার পর সেই অভিযানে আরও জোর দিয়েছে হুগলি জেলা প্রশাসন।জেলা খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না বলেন, “জেলাশাসকের নির্দেশ অনুযায়ী পুজোয় আমাদেরফুড সেফটি অফিসারদের তরফে নিয়মিত অভিযান চলছিলই। কোলাঘাটের ঘটনার পর ক্ষুদ্রব্যবসায়ী তথা রাস্তাঘাটে বিরিয়ানি, চাউমিন-সহ নানা ফাস্ট ফুড, ফুচকা, শরবত বিক্রেতা বা ফেরিওয়ালাদের উপর আরও বেশি নজরদেওয়া হয়েছে।’’
তিনি জানান, সামনে কালীপুজো এবং তারপরে জগদ্ধাত্রী পুজো-সহ পরবর্তী উৎসবগুলোতে প্রতিদিন স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে এই বিশেষ অভিযান চলবে। খাবারের গুণমানের পাশাপাশি দোকান ও বিক্রেতার পরিচ্ছন্নতাও দেখা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য দফতরের অধীন জেলা খাদ্য সুরক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে প্রায় ২৫০র কাছাকাছি দোকান ও স্টলে অভিযান হয়েছে। বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে প্রায় ১২০র বেশি ব্যবসায়ীকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁদের শুনানির দিন নির্দিষ্ট করে আজ বৃহস্পতিবার পাঠানো হচ্ছে। কিছু গুরুতর ত্রুটি থাকা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া