পড়ানোর সময় বছর ষোলের ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রৌঢ় গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে। কোনও ভাবে মেয়েটি পালিয়ে যায় বাড়িতে। সোমবার এ নিয়ে চিৎকার-চেঁচামেচিতে উত্তেজনা হুগলির কানাইপুর এলাকায়। অভিযুক্তকে পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয়েরা।
ধৃত গৃহশিক্ষকের নাম উমেশ চৌধুরী। স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার ওই শিক্ষকের বাড়িতে পড়তে গিয়েছিল এক স্কুলছাত্রী। ওই সময় আর কোনও ছাত্র-ছাত্রী না-থাকার সুযোগ নিয়ে গৃহশিক্ষক ষোলো বছরের ছাত্রীটির সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন বলে অভিযোগ। নানা ছুতোয় তাকে স্পর্শ করেন। ছাত্রীর অভিযোগ, তার শ্লীলতাহানি করেছেন গৃহশিক্ষক। সে কোনও ভাবে নিজেকে বাঁচিয়ে শিক্ষকের বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। বাড়িতে গিয়ে গোটা ঘটনার কথা জানিয়েছিল।
সোমবার ওই ছাত্রীর পরিবারের সদস্যেরা প্রতিবেশী-সহ স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে শিক্ষকের বাড়িতে হাজির হন। অভিযোগ, ওই সময় গৃহশিক্ষককে মারধরও করা হয়েছে। দুপুরে গন্ডগোলের খবর কানে যায় কানাইপুর ফাঁড়ির পুলিশে। তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। বিক্ষোভের মধ্যে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার ভিত্তিতে শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
হুগলির বিজেপি নেতা আচ্ছেলাল যাদব বলেন, ‘‘ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কড়া হাতে এমন সমস্ত অপরাধের মোকাবিলা করার। পুলিশ নিশ্চিত ভাবে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ করবে।’’ চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার সুনীলকুমার যাদব জানিয়েছেন, নাবালিকার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযোগ তদন্তসাপেক্ষ।