দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগের দাবিতে ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে ফের প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি। তাকে সমর্থন করেছে বাম ছাত্র সংগঠনগুলিও। এই আবহে জেন জ়ি-র আন্দোলন, শিক্ষা এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) প্রশ্নকে সামনে রেখে আগামী কাল, সোমবার রাজ্যে কনভেনশনের ডাক দিল বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি। সেই কনভেনশনে দিল্লির ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ, আইসা-র সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা বরা, এসএফআই-এর সর্বভারতীয় সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য-সহ বিভিন্ন সংগঠনের ছাত্র নেতৃত্বের সঙ্গেই রাজ্যের সিজেপি-র প্রতিনিধিরও যোগ দেওয়ার কথা। তবে এই কনভেনশন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ওই দিনই দাবিপত্র দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন এবিভিপি।
গত অগস্টে রাজ্যে এসে ‘লড়াইয়ের সংহতি’তে জোর দেওয়ার ডাক দিয়েছিলেন নেহা। সাম্প্রতিক সময়ে নিট কাণ্ড-সহ নানা বিষয়কে সামনে রেখে দিল্লি, কলকাতা, পটনা-সহ বিভিন্ন জায়গায় জোটবদ্ধ আন্দোলন দেখা গিয়েছিল। এই প্রেক্ষিতেই, ‘জেন জ়ি আন্দোলন: প্রজন্ম ও প্রতিরোধের ঐক্য’ বিষয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কে পি বসু মেমোরিয়াল হলে হবে ওই কনভেনশন। এনটিএ, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০, এসএআইআর, আইএসআই-বিল বাতিল এবং ‘স্কুল ও শিক্ষা বাঁচাও’য়ের ডাক দিয়েছে বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে অশান্তির খবর সামনে এসেছে, সেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, এসআরএফটিআই-এর নেতৃত্বও কনভেনশনে যোগ দেবেন। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে থাকছেন, সিজেপি-র পশ্চিমবঙ্গের আহ্বায়ক দেদীপ্যও।
তবে এই কনভেনশন নিয়ে সরব হয়েছে এবিভিপি। সংগঠনের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিট সভাপতি নিখিল দাসের বক্তব্য, “হাই কোর্টের রায় অনুযায়ী ক্যাম্পাসের ভিতরে বাইরের কোনও নেতা-মন্ত্রী সভা করতে পারেন না। তা অমান্য করে বামেরা সভা করতে চাইছে। এর অনুমতি কে দিল? এই প্রশ্নে সোমবারই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে দাবিপত্র দেব।”
(জেন জ়ি: এটি আদতে আমেরিকায় বিপণন কৌশলের অঙ্গ হিসাবে বয়সভিত্তিক বিভাজন, ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্মানো প্রজন্মকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়)